ক্যানসারের প্রাথমিক ৫টি লক্ষণ, এগুলি দীর্ঘদিন থাকলেই সচেতন হন! পর্ব ১

1
cancer
প্রতীকী ছবি

ওয়েবডেস্ক : বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই ক্যানসারের কোনো লক্ষণ খুঁজে পেতে কিছুটা দেরি হয়ে যায়। কিন্তু রোগীরা কোনো না কোনো সমস্যা নিয়ে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই দীর্ঘ দিন কষ্ট পান। অবশেষে বহু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে জানতে পারা যায় সেই ব্যক্তি কর্কটরোগে আক্রান্ত হয়েছেন।

কিন্তু সাধারণ মানুষের অজানা হলেও এই রোগেরও কিছু নির্দিষ্ট উপসর্গ থাকে। কিন্তু অজ্ঞতার দরুন হয় তা গ্রাহ্য না করে, চিকিৎসা না করে ফেলে রাখা হয়। কিংবা এই সমস্যার কারণ কী খুঁজলেও ঠিক পথে এগোনোর অভাবে তা শনাক্ত করা যায় না।

তেমনই কয়েকটি দীর্ঘ মেয়াদী উপসর্গের বিষয়ে এখানে আলোচনা করা হল। তাই বিশেষজ্ঞরা বলেন, এগুলির কোনোটি যদি দীর্ঘদিন ধরে ভোগায় তা হলে অবশ্যই গুরুত্ব দিতে হবে।

দীর্ঘদিন ধরে চলা কাশি ও থুতুতে রক্ত-

এই সব উপসর্গ কিন্তু সাধারণ ভাবে সাইনোসাইটিস ও ব্রংকাইটিসেরও লক্ষণ। কিন্তু এগুলি বৃহত্তর ক্ষেত্রে ক্যানসারেরও পূর্ব লক্ষণ। এই সব উপসর্গের পর অনেক ক্ষেত্রেই  ফুসফুস অর্থাৎ লাং ক্যানসার, মাথার ক্যানসার ও গলার ক্যানসার ধরা পরে। টানা এক মাস ধরে যদি খুস খুসে কাশি থাকে শ্বাসকষ্ট হয় ও থুতুতে রক্ত বেরোয় তবে অবশ্যই চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।

পরিবর্তনশীল মলত্যাগের ধরন-

অনেক সময় মলত্যাগের ধরন বদলও ক্যানসারের বার্তা দেয়। প্রথমিক ভাবে খাদ্যগ্রহণ ও জল খাওয়ার অভ্যাসের পরিবর্তন হলে পায়খানার ধরন বদলায়। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রেই অল্প পরিমাণ পায়খানা, পাতলা পায়খানা ইত্যাদির সঙ্গে কোলোন ক্যানসারের সংযোগ থাকে। কখনও কখনও দীর্ঘদিন ধরে চলা পেটখারাপও এই রোগের বার্তা দেয়। অনেকের আবার পায়খানা করার পরেও মনে হয় আরও হবে। স্বস্তি আসে না। এই লক্ষণগুলির মধ্যে কোনোটিই বেশ কয়েক দিন ধরে চললে অবশ্যই ঠিক ভাবে ডাক্তার দেখানো উচিত।


ক্যানসারের প্রাথমিক ৫টি লক্ষণ, এগুলির একটিও থাকলে সচেতন হন/ পর্ব-২

মলের সঙ্গে রক্ত পড়া-

পায়খানার সঙ্গে রক্ত পড়লে তা ফেলে না রাখাই শ্রেয়। সময় থাকতেই তার জন্য চিকিৎসা প্রয়োজন। এর থেকেই পরে ক্যানসার ধরা পড়তে পারে। এ ক্ষেত্রে চিকিৎসকরা রোগ নির্ধারণের জন্য মলদ্বারের ভেতরের গোটা নালীটাই পরীক্ষা করে দেখতে চান। অনেক সময় কোলোনোস্কপিও করতে দেন। আবার এই সংক্রান্ত কিছু এক্স-রেও আছে। তাই ৫০ বছর পেরিয়ে গেলেই নিয়মিত একবার করে অন্তত কোলোনোস্কপি করা উচিত।

অ্যানিমিয়া দেখা দিলে-

অকারণেই শরীরে অ্যানিমিয়া থাকলে ফেলে রাখবেন না। রক্তে লোহিত কণিকা কমে গেলে সমস্যা হয়। আবার অনেক সময় রক্তে আয়রন কমে যাওয়াও একটা বড়ো সমস্যা। অনেক ক্যানসারই অ্যানিমিয়া ঘটাতে পারে। তবে বাওয়েল ক্যানসারের কারণে শরীরে আয়রনের মাত্রা অনেক কমে যায়। এই সমস্যার কারণ নির্ধারণের জন্য কিছু এক্সরে এবং এন্ডোস্কোপি করানো হয়।

পড়ুন – ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে ৫টি আদর্শ খাবার

স্তনের সমস্যা-

বেশির ক্ষেত্রেই স্তনের কোনো সমস্যা মানেই কিন্তু ক্যানসার নয়। এগুলি সাধারণ সিস্ট বা অন্য রোগও হতে পারে। কিছু ক্ষেত্রে গ্ল্যান্ড ফোলাও হয়। যা কখনও কমে কখনও বাড়ে। স্তনের মধ্যে ডেলা ডেলা ভাব থাকলে মেমোগ্রাফি করে দেখা হয়। তবে এটিই যথেষ্ট নয়। তাই এক্সরে, এমআরআই ও আল্ট্রাসাউন্ডও করে দেখা হয়। এ ছাড়াও বায়োপসিও করা। স্তন থেকে তরল জাতীয় পদার্থ নিঃসরণ স্বাভাবিক ঘটনা হলেও কিন্তু তা অবহেলা করা ঠিক নয়। বিশেষ করে যদি তা রক্ত বেরোনো বা এক দিক থেকেই নিঃসরণ ঘটায় তা পরীক্ষা করা দরকার। তাই এই সবের আগেই মহিলাদের নিজেই নিজের স্তন পরীক্ষা করে দেখা উচিত প্রতিমাসে। কোনো রকম সমস্যা থাকলে সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই বাঞ্ছনীয়।

এ ছাড়াও ক্যানসারের একাধিক লক্ষণ বা উপসর্গ আছে, সে সব তথ্য জানতে চোখ রাখুন পরের পর্বে

সৌজন্য :ইমেডিসিনহেলথ.কম

1 COMMENT

  1. Don’t mind, kichu mone korben na, canser hober uposorgo na khuge, si time ta canser thake ke vabe bacher kichu uposorgo dakhuen. Manus k kono vul rastai diverd kaore amer mony hy kono educated loker kaj.

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here