guava leaf
biswajit-parhak
বিশ্বজিৎ পাঠক

প্রস্টেট ক্যানসার নিয়ে দুশ্চিন্তার শেষ নেই। ডাক্তারের কাছে গেলেই হয়তো ‘বেডে’ শুয়ে পড়ার গল্প। কিন্তু সময় থাকতে এই পাতা চিবোতে থাকলে প্রস্টেট ক্যানসারের মতো ভয়ানক ব্যাধিও শরীরে ঘাঁটি গাড়তে চিন্তা করবে। অ্যান্টি-বায়োটিক উপাদান ছড়িয়ে রয়েছে এর শিরায় শিরায়।

আবার কার্বোহাইড্রেট এবং স্টার্চকে ব্যবহার যোগ্য মলিকিউলে পরিণত না হতে দিয়ে একটি মোক্ষম কাজ করে দেয় এই পাতা। কথার কথা নয়, জাপানের একটি গবেষণাকারী সংস্থা হাতে-কলমে প্রমাণ করেছে, ইনসুলিনের ক্ষরণের মাত্রাকে না বাড়িয়েও এর গ্লুকোসিডেজ উৎসেচকের কার্যকারিতাকে কমিয়ে ফেলে। ফলে স্বাভাবিক ভাবেই শর্করার শোষণ কমে যায়, যার ফলশ্রুতিতে রক্তে কমে যায় সুগার লেভেল। এবং এই পুরো ঘটনাটি ঘটতে সময় লাগে মাত্র ১৫ সপ্তাহ।

আধুনিক আয়ুর্বেদ চিকিৎসা বলছে, প্রতি দিন নিয়ম করে এই পাতার চা পান করলে আশ্চর্যজনক ভাবে কমতে শুরু করবে ওজন। এখন ওজন কমানোর হরেক পদ্ধতি ছড়িয়ে রয়েছে বাজারে। কিন্তু বাড়ির পাশে সহজলভ্য এই পাতা নিয়ে একটু পরখ করলেই ফল মিলতে পারে হাতেনাতে। ওই গবেষকদের দাবি, শুধু ওজন নয়, ফ্যাটি লিভারের মতো মারাত্মক রোগও কমে যেতে পারে এর নিয়মিত ব্যবহারে। কী সেই পাতা, গাছের নামটাই বা কী?

এর উত্তর নিশ্চয় এতক্ষণে মিলে গিয়েছে ছবি থেকেই। কিন্তু গুণাবলী নিয়ে গবেষণা যেমন বিস্তর হয়েছে, তা চলছে এখনও। হ্যাঁ, পেয়ারা পাতা। সচরাচর এত দিন যা ব্যবহৃত হতো দাঁত-মাড়ির ব্যথা, মুখের দুর্গন্ধ মেটাতে। সেই পেয়ারা পাতাই এখন হয়ে উঠেছে ‘সেমি-সর্বরোগহরা’। কেন?

leaf2

এই তো এ বার ডেঙ্গুর মরশুম এল বলে। এ ক্ষেত্রে পেয়ারা পাতার আর একটা গুণ ধরা পড়েছে। পেয়ারা পাতার রস খেলে রক্তে প্লেটলেটের সংখ্যা বাড়াতে সহায়তা করে। গায়ে কি অ্যালার্জি রয়েছে। চিন্তা নেই পাতা বেটে মাখার থেকে স্নানের জলে ফেলে দিতে পারেন। একই ভাবে যদি মুখে কালো ছোপ থাকে তাহলে বেটে লাগালে তা উঠে যেতে পারে কয়েক মাসে। আগে ঠাকুরমা-দিদিমারা রোগভোগের পর মুখে স্বাদ চলে গেলে পেয়ারা পাতা দিয়ে দাঁত মাজতে বা চিবিয়ে খেতে বলতেন। এর কারণ পেয়ারা পাতা যেমন মুখে স্বাদ ফিরিয়ে নিয়ে আসে তেমনই খিদে বাড়াতেও পরিপূরক।

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন