ওজন ঝরানোর দূর্দান্ত ক্ষমতা জিরের! জেনে নিন ৭টি উপকারিতা

    আরও পড়ুন

    খবর অনলাইন ডেস্ক: জিরে শুধু মশলাই নয়, বহু ঔষধিগুণ সম্পন্ন! খাবারের স্বাদ বাড়ায় তা নয়, শরীরের নানা সমস্যা সমাধানে জিরের জুড়িমেলা ভার। হজমক্ষমতার উন্নতির পাশাপাশি নানাবিধ পেটের রোগ সারাতে এই প্রকৃতিক উপাদানটি যেমন বিশেষ ভূমিকা নেয়, তেমনি অ্যাজমার প্রকোপ কমাতে এবং ত্বক ও চুলের সৌন্দর্যবৃদ্ধিতেও কাজে আসে।জিরার আরও অনেক উপকারিতা আছে।

    গ্যাস-অম্বল কমায়

    গ্যাসের সমস্যার সবথেকে ভালো সমাধান লুকিয়ে জিরেতে। পেটে ব্যথা কমাতেও জিরে ভেজানো জল যথেষ্ট সাহায্য করে। হজম ক্ষমতার উন্নতিতে জিরার কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। যারাহজমেররোগেভুগছেন, তারা দিনে কম করে ৩বার জিরা দিয়ে বানানো চা পান করুন।কয়েকদিন এমনটা করলেই দেখবেন উপকার মিলতে শুরু করবে। 

    Loading videos...

    গর্ভাবতী মহিলাদের জন্য

    গর্ভাবতীনারীর শরীর ঠিক রাখতে জিরা বেশ উপকারী।এই সময় হবু মায়েদের কনস্টিপেশন এবং হজমের সমস্যা হয়ে থাকে।জিরা এই দু’ধরনের সমস্যা কমাতে দারুন উপকারে লাগে। সেই সঙ্গে মাথা ঘোরা এবং গর্ভাবস্থা সম্পর্কিত আরও সব লক্ষণ কমাতেও বিশেষ ভূমিকা নেয়। সেই কারণেই তো ভাবি মায়েদের প্রতিদিন ১ গ্লাস গরম দুধে হাফ চামচ জিরা এবং ১ চামচ মধু মিশিয়ে খাওয়ার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা।

    অনিদ্রার সমস্যাকে দূর করে

    - Advertisement -

    যাদের রাতের বেলা ভাল করে ঘুম আসে না, তারা প্রতিদিন ঘুমনোর আগে ১ চামচ চটকানো কলার সঙ্গে হাফ চামচ জিরা পাউডার মিশিয়ে খাওয়া শুরু করুন।এই ঘরোয়া ওষুধটি খেলে ঘুমের আর কোনও সমস্যা হবে না। কারণ জিরা এবং কলা একসঙ্গে খেলে মস্তিষ্কে মেলাটোনিন নামে এক ধরনের কেমিকেলের ক্ষরণ বেড়ে যায়।এই কেমিকালটি ঘুম আসার ক্ষেত্রে দারুণভাবে সাহায্য করে।

    ঠান্ডায় জ্বরের প্রকোপ কমায়

    জিরের জলে রয়েছে অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল , অ্যান্টি ইনফ্লেমেটরি প্রপাটিজ যা ঠান্ডা লাগা বা জ্বরের প্রকোপ কমায়। আসলে এই প্রকৃতিক উপাদানটি শরীরে প্রবেশ করা মাত্র দেহের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতাকে বাড়িয়ে দেয়।ফলে ভাইরাল ফিভার এবং ওই সংক্রান্ত নানাবিধ কষ্ট কমে যায়।জ্বর কমাতে ১ চামচ জিরা এবং অল্প পরিমাণ আদা, ১ গ্লাস জলে মিশিয়ে নিন প্রথমে। তারপর জলটা ফুটিয়ে নিয়ে ছেঁকে নিন।এই ছেঁকে নেওয়া জলটা দিনে ২-৩ বার পান করুন।তা হলেই দেখবেন কষ্ট কমে যাবে।

    জিরের মতো কালোজিরেরও রয়েছে নানা ঔষধিগুণ। পড়তে এখানে ক্লিক করুন

    কনস্টিপেশনের মতো রোগের প্রকোপ কমায়

    জিরে এতে রয়েছে প্রচুর মাত্রায় ফাইবার, যা বেশ কিছু এনজাইমের ক্ষরণ বাড়িয়ে দিয়ে কোষ্টকাঠিন্যের মতো রোগসারাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।শুধু তাই নয়, পাইলসের কষ্ট কমাতেও জিরা দারুণ ভাবে সাহায্য করে।এক্ষেত্রে ১ চামচ জিরে ভেজে নিয়ে গুঁড়ো করে নিন।তারপর সেই পাউডার ১গ্লাস জলে মিশিয়ে প্রতিদিন সকালে খালিপেটে খাওয়া শুরু করুন। দেখবেন উপকার মিলবে।

    ওজন কমাতে সাহায্য করে

    সকালে ঘুম থেকে উঠে খেতে পারেন জিরে ভেজানো জল।রাতে দুই টেবিল চামচ জিরে একগ্লাস জলে ভিজিয়ে রেখে পর দিন সেই জল সকালেখালিপেটেখেয়েনিন। ধীরে ধীরে নিজের শরীরেরপরিবর্তনলক্ষ্যকরবেন, আপনার কমবে ওজনও।জিরে জলে আয়রনের পাশাপাশি বেশ ভালো পরিমাণ ভিটামিনএ ও সিথাকে, যাতে কে অ্যান্ট- অক্সিডেন্টের সুবিধা পাওয়া যায়।

    দুইচা-চামচ জিরে এক গ্লাস জল গরম করে ছেঁকে উষ্ণ গরম অবস্থায় মধু দিয়ে খেয়ে নিন খালি পেটে। এতে আপনারও জন কমাতে সাহায্য করবে।

    অনলাইনে ভালো মানের জিরে কিনতে হলে এখানে ক্লিক করুন

    LEAVE A REPLY

    Please enter your comment!
    Please enter your name here

    This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

    - Advertisement -

    আপডেট খবর