ওয়েবডেস্ক : শীত পড়লেও ডেঙ্গু-আতঙ্ক পিছু ছাড়েনি এ শহর মায় গোটা দেশের। সারা দেশ থেকেই ইতিউতি ডেঙ্গু আক্রান্ত এবং কিছু ক্ষেত্রে মৃত্যুর খবরে বিরাম নেই। তবে এ বার কিছুটা স্বস্তির সংবাদ শোনাচ্ছে প্যানাসিয়া বায়োটেক। তারা জানিয়েছে, সরকারি পর্ষদ টেকনোলজি ডেভেলপমেন্ট বোর্ড বা টিডিবির সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে পরীক্ষামূলক ভাবে ডেঙ্গু প্রতিরোধী ভ্যাকসিন প্রয়োগের ছাড়পত্র তাদের হাতে চলে এসেছে। ২০১৯-এর শেষের দিকেই বাজারে আসবে তাদের তৈরি ওই ভ্যাকসিন।

ইতিমধ্যে আরও বেশ কয়েকটি ওষুধ প্রস্তুতকারী সংস্থা এদেশে পরীক্ষামূলক ভাবে এ ধরনের ভ্যাকসিনের প্রয়োগ করেছে। তারা নিজেদের পর্য়বেক্ষণের কাজ এগিয়ে নিয়ে চলেছে। প্যানাসিয়া বায়োটেকের বক্তব্য, তারা যে ভ্যাকসিনটি বাজারে আনতে চলেছে তার সঙ্গে অন্যদের তফাত এর দামে। অন্তত ওষুধ কেনার ক্ষেত্রে একেবারে শুরুতেই যে কথা ক্রেতাকে ভাবতে হয়। তাদের বক্তব্য, প্যানাসিয়া ডেঙ্গু প্রতিরোধী যে ভ্যাকসিন বাজারে নিয়ে আসছে তার দাম থাকবে সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যেই।

ড্রাগ কন্ট্রোলার জেনারেল অব ইন্ডিয়ার (ডিসিজিআই) কাছ থেকে পরীক্ষামূলক প্রয়োগের ছাড়পত্র মিলতেই সংস্থা স্থির করেছে আগামী বছরের শুরুতেই তারা মানব শরীরে এই ভ্যাকসিন প্রয়োগ করবে। ডিসিজিআইয়ের তরফে জি এন সিংহ বলেন, এ মুহূর্তে দেশের মানুষের কাছে ডেঙ্গু একটি বিশালাকার বিপদের সমার্থক। অবিলম্বে এই ভয়ংকর রোগ প্রতিরোধী ওষুধের প্রয়োজন রয়েছে। যে কারণে ওই সংস্থার আবেদনে সাড়া দিতে সময় ব্যয় করা হয়নি। সাধারণ মানুষকে নিশ্চিত করতে তিনি বলেন, এই প্রতিরোধকের প্রয়োগে চিন্তার কিছু নেই। এটি খুবই কার্যকরী একটি প্রতিরোধক।

সমগ্র প্রকল্পটি অবশ্য পরিচালিত হচ্ছে প্যানাসিয়া বায়োটেক এবং ভারত সরকারের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিভাগের অন্তর্গত টেকনোলজি ডেভেলপমেন্ট বোর্ড বা টিডিবির যৌথ উদ্যোগে। পুরো প্রকল্পটির জন্য ব্যয় হচ্ছে ২৮.৯৯ কোটি টাকা। যার অর্ধাংশের ভার বহন করছে সরকার। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এই কারণেই হয়তো ভ্যাকসিনটির দামে কিছুটা হলেও লাগাম পরানো সম্ভব হবে।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here