নিয়ম করে জল খান, থাকবেন সুস্থ, কমবে বাড়তি ওজন

    আরও পড়ুন

    খবরঅনলাইন ডেস্ক: শরীরের সব অঙ্গপ্রত্যঙ্গকে সচল রাখতে জলের গুরুত্ব অপরিসীম। নিয়মিত পর্যাপ্ত পরিমাণ জল খেলে শরীরের বিভিন্ন সমস্যার সমাধান হয়। গরমে শরীরকে সুস্থ রাখতে, ডিহাইড্রেশন থেকে দূরে রাখতে জল খাওয়া খুবই জরুরি। যাঁরা দীর্ঘদিন ধরে রোগা হতে চাইছেন তাঁদের জন্য ভীষণ উপকারী জল। ওজন কমাতে ডায়েটের দিকে খেয়াল তো রাখতেই হবে। তবে তার সঙ্গেই প্রয়োজন পরিমাণমতো জল খাওয়া ও ঘুম। ডায়েটিশিয়ানরা জানাচ্ছেন দিনে আট থেকে ১২ গ্লাস জল খেতেই হবে। তবে জল খাওয়ারও নিয়ম রয়েছে। 

    অনেকেই ভাবছেন জল পান করে রোগা হওয়া যায় না কি। অনেকে আবার এটি বিশ্বাসও করতে পারবেন না। জাপানি মতে ঠিক সময়ে ঠিক পরিমাণ জল খেলে শরীরের মেটাবলিজম রেট বেড়ে যায়। ফলে বেশি ক্যালোরি ঝরিয়ে সহজেই অতিরিক্ত ওজন কমাতে পারবেন। এবং এটি যদি নিয়ম মেনে করা যায় তা হলে হাতেনাতে ফল পাওয়া যায়।

    Loading videos...

    জাপানের বেশির ভাগ নাগরিক সুস্বাস্থ্য বজায় রাখতে চা ও জলের উপর অনেকটাই নির্ভরশীল। জাপানিরা দুধ দেওয়া চা পান পছন্দ করেন না। বরং হার্বাল টি থেরাপির (herbal tea therapy) দিকেই তাঁদের ঝোঁক বেশি। সেই সঙ্গে বাড়তি ওজন চটজলদি ঝরিয়ে ফেলতে জল- চিকিৎসার (water therapy) সাহায্য নেন। এই থেরাপি খুবই সহজ। ওয়াটার থেরাপির মূল লক্ষ্য হল পাকস্থলীকে সুস্থ রাখা এবং শরীর মেদমুক্ত রাখা। অন্য দিকে হজমের সমস্যা দূর করে অন্য অঙ্গপ্রত্যঙ্গ সঠিক ভাবে নিয়ন্ত্রণ করা।

    জেনে নিন সহজ উপায়

    - Advertisement -

    ঘুম থেকে উঠে 

    সকালে ঘুম থেকে উঠে দু’ গ্লাস জল খান। এতে সারা রাতে জমা হওয়া টক্সিন শরীর থেকে বেরিয়ে যাবে।

    শরীরচর্চার আগে ও পরে

    যদি নিয়মিত শরীরচর্চা করার অভ্যাস থাকে তা হলে অবশ্যই শরীরচর্চার আগে ও পরে এক গ্লাস করে জল খান। এতে শরীর টক্সিনমুক্ত থাকবে। এনার্জি বাড়বে।

    খাওয়ার আগে

    দিনে যত বার বড়ো মিল খাবেন তার অন্তত ৩০ মিনিট আগে এক গ্লাস জল খান। এতে হজম ভালো হবে। প্রতি দিন খাওয়ার সময় নির্দিষ্ট করে নিতে হবে। আর খাওয়ার পরে কখনোই দু’ ঘণ্টা জল খাওয়া যাবে না।

    স্নানের আগে

    স্নানে যাওয়ার আগে এক গ্লাস জল খান। এই জল রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করবে।

    উপকারিতা

    শরীর হবে টক্সিন-মুক্ত

    শরীরের ৭০-৮০% জল। আর আপনার শরীরকে সুস্থ রাখতে নিয়ম করে নির্দিষ্ট পরিমাণ জল খাওয়া কিন্তু খুবই জরুরি। আপনার শরীর থেকে মল-মূত্রের মাধ্যমে টক্সিন উপাদানকে বের করতে জল সাহায্য করে থাকে। আর পর্যাপ্ত পরিমাণে জল খেলে তা কিডনির কার্যক্ষমতাকেও বজায় রাখে। পেটের গণ্ডগোলে যদি আপনি প্রায়শই ভোগেন, তা হলেও কিন্তু এই নিয়ম করে জল খাওয়া অনেক উপকারে দেয়। শরীর থেকে টক্সিন বের করে শরীরকে আর রক্তকে ফ্রেশ রাখতে কিন্তু এই ওয়াটার থেরাপি কাজে লাগে। আর এই টক্সিন-মুক্ত শরীরের প্রভাব পড়ে আপনার ঝকঝকে স্কিনেও!

    ত্বকের সমস্যা থেকে মুক্তি

    যদি নিয়মিত ওয়াটার থেরাপি করে যান, তা হলে ত্বকের সব সমস্যা থেকে মুক্তি তো মিলবেই, আর ঘরে বসেই পেয়ে যাবেন পার্মানেন্ট গ্লোয়িং স্কিন। বহু প্রাচীন কাল থেকেই কিন্তু ত্বকের যত্নে ওয়াটার থেরাপি ব্যবহার করা হয়ে এসেছে। আর এটা তো রীতিমতো পরীক্ষিত সত্য যে আপনার ত্বককে যদি ইয়ং, ফ্রেশ আর গ্লোয়িং রাখতে চান, তা হলে ওয়াটার থেরাপি হল বেস্ট অপশন।

    মেটাবলিজম বাড়ায়

    শরীরের মেটাবলিজম বাড়িয়ে শরীরকে সুস্থ রাখে ওয়াটার থেরাপি। বেশি জল খাওয়ার ফলে ঘামও বেশি হয়। আর ঘাম হওয়ার ফলে শরীর থেকে ময়লা, মৃত কোষ ইত্যাদি সহজে বেরিয়ে যায়। এর ফলে ত্বকের বয়স অকালে বেড়ে যায় না।

    আরও পড়ুন: মনের বড়ো ক্ষত হতাশা, কাটিয়ে উঠুন ডান্স মুভমেন্ট থেরাপির মাধ্যমে

    LEAVE A REPLY

    Please enter your comment!
    Please enter your name here

    This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

    - Advertisement -

    আপডেট খবর