kefir

ওয়েবডেস্ক: মার্কিন মুলুকের অবার্ন ইউনিভার্সিটি এবং ব্রাজিলের ইউনিভার্সিটি অব ভিলা ভেলহা-র প্রকাশিত সাম্প্রতিক সমীক্ষার রিপোর্ট অন্তত সে কথাই বলছে! বলছে, রোজ যদি খাবার পাতে একটু করে সাদা বা টক দই রাখা যায়, তা হলেই আর রক্তচাপের সমস্যা নিয়ে জেরবার থাকতে হবে না!

অবশ্য, এটা জানিয়ে রাখা ভালো, দইয়েরও তো নানা রকমফের আছে! আমরা সাধারণত বাড়িতে যে সাদা দই পেতে থাকি, তা এক রকম! আবার, দোকানের ইয়োগার্ট পড়ে একটু অন্য গোত্রে। তেমনই আবার রয়েছে বিদেশে অনেক দিন ধরেই এবং এখন আমাদের দেশেও জনপ্রিয় কেফির। সবকটারই মূলে রয়েছে লাইভ ব্যাকটেরিয়া। যা দুধকে গেঁজিয়ে তুলছে। পরিণামে দুধ রূপান্তরিত হচ্ছে প্রোবায়োটিক খাদ্যে। স্পষ্ট করে বললে, রূপান্তরিত দুধের মধ্যে উপস্থিত এই লাইভ ব্যাকটেরিয়াই রক্তচাপের সমস্যার মোকাবিলার হাতিয়ার!

yogurt

সমীক্ষা দু’টির সঙ্গে যুক্ত থাকা গবেষক এবং চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, আমাদের শৰীরের মধ্যে নাড়িভুঁড়ি আছে, সেখানে এমন কিছু ব্যাকটেরিয়া থাকে যা রক্ত চলাচলে সাহায্য করে। এই সব ব্যাকটেরিয়ার কল্যাণে রক্ত নাড়িভুঁড়ি থেকে মস্তিষ্ক পর্যন্ত স্বচ্ছন্দ গতিতে প্রবাহিত হয়। যার ফলে রক্তচাপ সংক্রান্ত কোনো সমস্যাই থাকে না। কিন্তু কোনো কারণে যদি নাড়িভুঁড়িতে এই ব্যাকটেরিয়ার পরিমাণ কমে যায়, সমস্যা দেখা দেয় তখনই! রক্ত আর সহজ ভাবে প্রবাহিত হতে পারে না, যা কারও ক্ষেত্রে উচ্চ রক্তচাপ, কারও ক্ষেত্রে আবার নিম্ন রক্তচাপের সমস্যার জন্ম দেয়।

kefir

কিন্তু দইয়ের মধ্যে লাইভ ব্যাকটেরিয়া থাকে বলে তা মুখে দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে শরীরেও যায় এবং পরিণামে রক্তচাপ ঠিক রাখে। সমীক্ষকদের বক্তব্য, এ ব্যাপারে দইয়ের চেয়ে আরও ভালো কাজ দেয় কেফির। যা এক রকমের দানা শস্য। কাঁচা দুধে এক রাত তা ফেলে রাখলে পরের দিন দুধ গেঁজিয়ে ডেলা পাকিয়ে যায়। এই মণ্ডকেও কেফির বলে। যা জলের মধ্যে দিয়ে ঘোল করেও খাওয়া যায়। আমাজন, ফ্লিপকার্টে কেফির কিনতে পাওয়া যায়, চাইলে খেয়ে দেখতে পারেন।

আর না হলে আমাদের সাবেকি দই তো হাতের কাছে আছেই!

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here