Connect with us

শরীরস্বাস্থ্য

বিশ্ব তামাক বিরোধী দিবসে আর্জি, ধূমপানমুক্ত সুস্থ বিশ্ব গড়ে তুলুন!

শ্রয়ণ সেন

রায়ান ভট্টাচার্যের কথা-

বছর তিরিশের রায়ান ধূমপান শুরু করেন কুড়ি বছর বয়সে। বন্ধুদের পাল্লায় পড়ে সিগারেটে হাতেখড়ি। সিগারেট খেলে কী ক্ষতি হয়, সে ব্যাপারে ওয়াকিবহাল। কিন্তু দু’তিনটের বেশি সিগারেট খান না তিনি। তাঁর বক্তব্য, “অল্প সংখ্যক সিগারেট খেলে ক্যান্সারের কোনো ভয় নেই। তবে আমার আয়ু হয়তো কমতে পারে।” তবে ছাড়ার চেষ্টা তিনি করছেন বলে জানিয়েছেন।

মণীশ পালের কথা-

পঞ্চাশোর্ধ মণীশ পাল একজন সক্রিয় ধূমপায়ী। ৮ থেকে ১০টা সিগারেট সেবন না করলে তাঁর দিন ব্যর্থ! ধূমপানের ক্ষতিকর দিকগুলিও জানেন, কিন্তু ১৮ বছর বয়সে ধরা অভ্যাসটি এখনও ছাড়তে পারেননি। তবে সিগারেট ছাড়ার একাধিকবার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছেন তিনি।

মিলি আচার্যর কথা

কুড়ি বছর বয়স থেকে সিগারেট ধরলেও এখনও সেই অভ্যাসটি রয়ে গিয়েছে পঞ্চাশোর্ধ প্রৌঢ়া মিলি আচার্যের। তবে ছ’টার বেশি সিগারেট তিনি খান না। তাঁর ধূমপানের এই অভ্যাসের প্রভাব সন্তানের ওপরেও পড়েছে। তিনি নিজেও চেষ্টা করেছেন সিগারেট ছেড়ে দেওয়ার কিন্তু পারেননি। ধূমপানের প্রভাবে শারীরিক ক্ষতির ব্যাপারে ওয়াকিবহাল হলেও তিনি বলেন, “নিয়ন্ত্রণের মধ্যে ধূমপান করলে কোনো সমস্যা নেই।”

ওপরের দু’জনের বক্তব্য থেকেই পরিষ্কার ধূমপানের যে অভ্যাস তাঁদের রয়েছে, সেটা ছাড়ার চেষ্টা একাধিকবার তাঁরা করেছেন, কিন্তু পারেননি। আসলে সিগারেট ছাড়ার জন্য যে মনের জোরটা দরকার, সেটা হয়তো কোনো ভাবে পাননি। অনেকেরই বক্তব্য, টেনশনের সময়ে দু’ একটা সিগারেট না খেলে মাথার জট নাকি খুলতেই চায় না। এই দু’জন-সহ অসংখ্য মানুষের কাছে আজকের দিনটা খুব তাৎপর্যপূর্ণ।

২৪ ঘণ্টার জন্য ধূমপান বর্জন করতে হবে। এই উদ্দেশ্য নিয়ে ১৯৮৭ সালের ৭ এপ্রিল প্রথম বার পালিত হয় ধূমপান বিরোধী দিবস। পরের বছরই এর পরিধি আরও কিছুটা বাড়ানো হয়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (হু) ওয়ার্ল্ড হেল্‌থ অ্যাসেম্বলিতে একটি প্রস্তাব পাশ হয় যেখানে বলা হয় প্রতি বছর ৩১ মে পালিত হবে বিশ্ব তামাকবিরোধী দিবস। সেই থেকে প্রতি বছর আজকের দিনটি অর্থাৎ ৩১ মে বিশ্ব তামাকবিরোধী দিবস হিসেবে পালিত হচ্ছে। প্রতি বছর কিছু না কিছু থিম থাকে এই দিনটাকে কেন্দ্র করে। এ বারের থিম হল “টোব্যাকো অ্যান্ড লাং হেলথ।” বাংলায় তর্জমা করলে যা দাঁড়ায় ‘তামাক এবং ফুসফুসের স্বাস্থ্য।’

তামাকজাতীয় দ্রব্যের মধ্যে শুধু সিগারেট পড়ে না। হুকো, গুটকা, খৈনি, বিড়ি, সবই পড়ে। কিন্তু এঁদের মধ্যে বেশি মানুষের মৃত্যু হচ্ছে সিগারেটের কারণেই। কারণ সিগারেট সেবনকারীর সংখ্যা যে অনেক বেশি। পথ দুর্ঘটনা বা অন্য কোনো কারণের থেকে বেশি মানুষ মারা যান শুধুমাত্র সিগারেট-বিড়ির নেশার কারণে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরিসংখ্যানটা শুনলে আঁতকে উঠবেন! প্রত্যেক বছর ৭০ লক্ষ মানুষের মৃত্যু হয় ধুমপান করে।

আমাদের শরীরের কোন জায়গায় সিগারেট বা সে অর্থে তামাক প্রভাব ফেলে, তা তো বলার অপেক্ষা রাখে না। সেটা তো এই বছরের থিম থেকেই পরিষ্কার। কিছু তথ্য দেওয়া যাক। বিশ্বে প্রতি বছরে কম করে ৮ লক্ষ মানুষ মারা যান শুধুমাত্র তামাকজাত দ্রব্য সেবন করে। অর্থাৎ প্রতি ৪০ সেকেন্ডে ১ জনের মৃত্যু হয় এই কারণে। প্যাসিভ স্মোকিং বা পরোক্ষ ধূমপানের শিকার হয়ে ১০ লক্ষ মানুষ মারা যান। ঘরের ভেতরের দূষণের অন্যতম কারণ এই সিগারেট। ধুমপায়ীদের প্রতি দু’জনের এক জন তার নির্ধারিত আয়ুর প্রায় ১৪ বছর আগেই মারা যান।

বিশ্ব তামাক বিরোধী দিবস উপলক্ষে জনৈকা অভিধা মিত্রের তৈরি করা একটি পোস্টার।

আর শুধু সিগারেট কেন, এখন নবীন প্রজন্ম যে দিকটার দিকে বেশি ঝুঁকছে, সেটাকে এড়িয়ে যাওয়া কোনো ভাবেই যায় না। সেটা হুকো।

অনেকেরই ধারণা, সিগারেটে, বিড়ির মতো বেশি ক্ষতিকর নয় হুঁকো। অনেকে এমনও আছেন, যাঁরা জীবনে কোনো দিনও সিগারেট ছুঁয়ে দেখেননি কিন্তু হুঁকোর প্রতি চরম আসক্তি। তাঁদের ধারণা, হুঁকোতে কোনো ক্ষতিই নেই। কিন্তু সেটা সম্পূর্ণ ভুল।

হুঁকো অনেক বেশি ক্ষতিকর। একবার হুঁকোয় টান দিলে যে পরিমাণে তামাক ফুসফুসে প্রবেশ করে তা সিগারেট এবং বিড়ির তুলনায় অনেক বেশি। আর একটা সিগারেট বা বিড়ির থেকে একটি হুক্কা অনেক বেশি সময় ধরে চলে। ফলে অনেকটা সময় ধরে অনেক বেশি পরিমাণে তামাক ফুসফুসে গিয়ে প্রবেশ করে প্রভূত ক্ষতি করে ফুসফুসের। সিগারেটের মতোই হুঁকোর ক্ষেত্রেও ক্যান্সার এবং হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা থেকে যায়।

সোশ্যাল মিডিয়ায় ধূমপায়ীরা একটা বক্তব্য মাঝেমধ্যেই মজার ছলে লেখেন, “ধূমপান ছাড়া খুব সহজ আমি অনেক বার ছেড়েছি।” এটা কিন্তু আর কোনো রসিকতার জায়গায় নেই। সুখটান কোনো সমস্যার সমাধান নয়, বরং সমস্যার কারণ। ক্যান্সার, হার্ট অ্যাটাক আরও কত কী।

তাই যত দ্রুত সম্ভব জীবন থেকে এই সিগারেট বাদ দিন। বিশ্ব তামাক বর্জন দিবসে সব ধূমপায়ীর কাছে তামাক ছাড়ার আর্জি জানাই। নিজের জন্য তো বটেই, নিজেদের নিকট আত্মীয়ের কথা ভেবে এই সাদা কাঠিটির কথা এক্কেবারে ভুলে যান। এক ধূমপানমুক্ত বিশ্ব গড়তে সাহায্য করুন।

(নামগুলি পরিবর্তিত)

শরীরস্বাস্থ্য

যষ্টিমধু কেন খাবেন? জেনে নিন উপকারিতা

খবরঅনলাইন ডেস্ক : যষ্টিমধু কমবেশি অনেকেই ছোটোবেলায় মা ঠাকুরমার কাছ থেকে খেয়েছেন। গলা খুসখুস করলে তার ঘরোয়া তাৎক্ষণিক উপশমের জন্য এইটি প্রত্যেক ঘরেই রাখা থাকত। এখনও হয়তো অনেক ঘরেই এটি আছে। আবার নেইও। তবে আজকাল ভেষজ ওষধির চাহিদা বেশ বেড়েছে। সর্দিকাশি, ঠান্ডা লাগা, গলা ব্যথা – এই সবের হাত থেকে রক্ষা পেতে। তাই ঘরে ঘরে এখন কাঢ়া বানিয়ে খাওয়ার চল হয়েছে। তাতে অনেকেই দারচিনি, লবঙ্গ, এলাচের সঙ্গে যষ্টিমধুও দিচ্ছেন। যাঁরা দিচ্ছেন না বা যাঁরা কাঢ়াই খাচ্ছেন না তাঁদের জন্য বলে রাখা ভালো এই সমস্ত কিছুর গুণাগুণ কিন্তু অনেক।

যষ্টিমধু হল গাছের শিকড়। এতে অনেক বায়োঅ্যাক্টিভ কম্পাউন্ড রয়েছে। এটি আয়ুর্বেদিক ওষুধ তৈরিতে ব্যবহার হয়। এটি টুকরো করে চিবিয়ে খাওয়া যায়, পাউডার হিসাবে খাওয়া যায়, চা হিসাবেও খাওয়া যায়। যে ভাবেই হোক এটি খেলে যে সমস্যা থেকে উপশম পাওয়া যায় তার মধ্যে রয়েছে –

১। স্ট্রেস নিয়ন্ত্রণ

পরিস্থিতিটাই এমন যে প্রায় সময়ই আমরা স্ট্রেস বা মানসিক চাপে আচ্ছন্ন হয়ে থাকছি। এতে যষ্টিমধু সাহায্য করতে পারে। মলিকিউলার অ্যান্ড সেলুলার এন্ডোক্রিনোলজি নামক মেডিক্যাল জার্নালের প্রতিবেদনে আছে, এটি ভীষণ ভাবে স্ট্রেস হরমোন করটিসল নিয়ন্ত্রণ করতে সহায়তা করে।

২। শ্বাসতন্ত্রের উন্নতি

কাশি বা কফ, গলা ব্যথা, হাঁপানি ও ব্রঙ্কাইটিস ইত্যাদি হল শ্বাসতন্ত্রের সমস্যা ও তার কারণ। এই সবের  চিকিৎসায় যষ্টিমধু ব্যবহার করা যেতে পারে, এ কথা বলেছেন রিমেডিস ফর মি ডটকমের প্রতিষ্ঠাতা ডাক্তার রেবেকা পার্ক। আসলে ব্যাকটেরিয়া সৃষ্ট শ্বাসতন্ত্রের ইনফেকশন প্রশমিত করতে পারে ষষ্ঠিমুধ। এটি ফুসফুস থেকে শ্লেষ্মাও দূর করে। ব্রঙ্কিয়াল স্প্যাজম বা ব্রঙ্কিয়াল টিউবের মাংসপেশির সংকোচনকে শিথিল করতে পারে।

 ৩। রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি

এতে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট। এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী করে। ফুড কেমিস্ট্রি নামক জার্নালে প্রকাশিত একটি গবেষণায় দেখা গিয়েছে, যষ্টিমধু শরীর থেকে ক্ষতিকর ফ্রি র‌্যাডিকেল দূর করে। শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা আরও উন্নত করে।

যষ্টিমধু পাউডার খেতে চাইলে কিনতে পারেন এখানে ক্লিক করে

৪। পেটের সমস্যায়

বুকজ্বালা, পাকস্থলীর আলসার, কোলাইটিস, গ্যাস্ট্রাইটিস, পাকস্থলীর ভেতরে প্রদাহ ও পরিপাকতন্ত্রের ওপরে প্রদাহজনিত সমস্যায় যষ্টিমধু ব্যবহার করা হয়। যুক্তরাষ্ট্রের খ্যাতনামা ডায়েটিশিয়ান জুলি আপটন এ কথা বলেছেন। এটি আলসারেটিভ কোলাইটিস বা আন্ত্রিক প্রদাহ থেকে সুরক্ষা দিতে পারে। এভিডেন্স-বেসড কমপ্লিমেন্টারি অ্যান্ড আলসারেটিভ মেডিসিনে প্রকাশিত একটি গবেষণায় পাওয়া গিয়েছে, ডিগ্লাইসিরাইজিনেটেড যষ্টিমধু পাকস্থলীর আলসার নিরাময়ে কার্যকর। অর্থাৎ এটি প্রশান্তিদায়ক ও প্রদাহরোধী।

৫। ত্বকের জন্য

যষ্টিমধু যে ভাবেই ব্যবহার করা হোক না কেন এটি ত্বকের উপকার করে। ডাঃ পার্ক বলেন, ষষ্ঠিমধু ত্বকের একজিমা, সোরিয়াসিস,  প্রদাহ, সানবার্ন, পায়ের ছত্রাক জনিত সমস্যা নিরাময় করে। ত্বকের ফোলা ও চুলকানি থেকে মুক্তি পেতে যষ্টিমধুর নির্যাস থেকে প্রস্তুত ওষুধ কাজে লাগে।

৬। দাঁতের স্বাস্থ্য

যষ্টিমধু একটি মাল্টিপারপোজ হার্ব। এটি দাঁত ও মাড়িকেও সুস্থ রাখে। জার্নাল অব ন্যাচারাল প্রোডাক্টসে প্রকাশিত গবেষণা অনুসারে, যষ্টিমধুর দু’টি কার্যকর অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান দাঁতের ক্ষয় ও মাড়ির রোগ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি ঠেকাতে পারে।

তবে হ্যাঁ অতিরিক্ত কিছু যেমন ভালো না তেমন অতিরিক্ত যষ্টিমধু সেবনেরও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া আছে। ডাঃ আপটন বলেন, অত্যধিক যষ্টিমধু খেলে শরীরে পটাশিয়ামের মাত্রা হ্রাস পায়। তা বিপজ্জনক। হার্টের সমস্যা ও পেশি দুর্বলতার কারণ হতে পারে। যাদের কিডনির রোগ, হার্টের রোগ ও উচ্চ রক্তচাপ আছে তাদের যষ্টিমধু খাওয়া উচিত নয়। একটানা এটি কারোরই খাওয়া উচিত নয়।

অবশ্যই দেখুন – এলাচ কেন খাবেন? জেনে নিন ১৮টি কারণ

Continue Reading

শরীরস্বাস্থ্য

৬টি ভিন্ন পথে কোভিড-১৯ সংক্রমণ, দেখে নিন কোন পর্যায়ে কী

সচরাচর ছ’টি পথেই কোনো ব্যক্তিকে কোভিড-১৯ কাবু করতে পারে।

প্রতীকী ছবি

ওয়েবডেস্ক: কোভিড-১৯ ভিন্ন ধরনের ছ’টি পথে কাউকে আক্রান্ত করতে পারে। একাধিক গবেষণায়, করোনাভাইরাস (Coronavirus) সংক্রমণের উপসর্গ হিসাবে অসংখ্য বিষয়কে সামনে নিয়ে আসা হলেও একটি গবেষণা বলছে, সচরাচর ছ’টি পথেই কোনো ব্যক্তিকে কোভিড-১৯ (Covid-19) কাবু করতে পারে।

সংক্রমিত হওয়ার এক সপ্তাহ পর্যন্ত বিভিন্ন রোগীকে পর্যবেক্ষণ করে বিশেষত ছ’ ধরনের পর্যায়ে আক্রান্তদের ভাগ করেছে একটি সমীক্ষা। এই পর্যায়গুলি প্রকৃত রোগীর হাসপাতালে ভরতি হওয়ার সম্ভাবনা নির্ধারণে সহায়তা করতে পারে।

এক নজরে ৬টি পথ

১. ফ্লু-এর মতো সংক্রমণ, কিন্তু জ্বর নেই

সংক্রমণের সব থেকে মৃদু অবস্থা। এই ধরনের সংক্রমণের ক্ষেত্রে ঠান্ডা লাগা, গলা ব্যথা, নাক বন্ধ হয়ে থাকা, বুকে ব্যথা, পেশির ব্যথা, গন্ধহীনতা এবং মাথাব্যথার মতো লক্ষণগুলি ধরা পড়ে। পর্যবেক্ষণে দেখা গিয়েছে, এই পর্যায়ের সংক্রমণে আক্রান্তদের জ্বর ছিল না।

২. ফ্লু-এর মতো সংক্রমণ, কিন্তু জ্বর-সহ

প্রথম পর্যায়ের থেকে সামান্য জটিল। এই বিভাগের রোগীর মধ্যে একটি হালকা ফ্লু জাতীয় সংক্রমণের লক্ষণ এবং ক্রমবর্ধমান জ্বরের উপস্থিতি দেখা যায়। খিদে কমে যাওয়ার ঘটনাও দেখা দেয়। গলার স্বর ভাঙা অথবা শুকনো কাশিও উল্লেখযোগ্য।

৩. গ্যাস্ট্রোইনটেস্টিনাল সংক্রমণ

এই ক্লাস্টারের অন্তর্ভুক্ত রোগীরা এমন উপসর্গগুলি ভোগ করেছেন, যা তাঁদের হজম এবং গ্যাস্ট্রোইনটেস্টিনাল কার্যকলাপকে প্রভাবিত করে। যদিও এই পর্যায়ে কাশি একটি প্রধান লক্ষণ ছিল না, বমি বমি ভাব, খিদে কমে যাওয়া, ডায়রিয়া অনেক বেশি দেখা যায়। মাথাব্যথা এবং বুকের ব্যথাও লক্ষ্য করা গিয়েছে।

৪. ক্লান্তি-সহ গুরুতর স্তর-১

সরাসরি অনাক্রম্যতার সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত এই পর্যায় গুরুতর। ক্লান্তি গভীর ভাবে ঘিরে ধরে। গুরুতর কোভিড-১৯ রোগীর জন্য এটি একটি সতর্কবার্তা হিসাবে বিবেচিত হয়। এই বিভাগের রোগীদের ক্লান্তি, মাথাব্যথা, গন্ধ এবং স্বাদহীনতা, গলা ব্যথা, জ্বর এবং বুকে ব্যথার মতো লক্ষণগুলি পর্যবেক্ষণে উঠে এসেছে।

৫. একাধিক জটিলতা-সহ গুরুতর স্তর-২

স্তর-১-এর থেকে মারাত্মক। এই পর্যায়ের লক্ষণগুলির ফলে নার্ভাস সিস্টেমের ক্রিয়াকলাপ প্রভাবিত হয় এবং সম্ভবত মস্তিষ্কেও এর প্রভাব পড়ে বলে মনে করা হয়। মাথাব্যথা, ঘ্রাণশক্তি কমে যাওয়া, খিদে কমে যাওয়া, কাশি, জ্বর, প্রকোপ, বিভ্রান্তি, গলা ব্যথা, বুকে ব্যথা, ক্লান্তি, পেশি ব্যথা ইত্যাদি অসংখ্য সমস্যার সৃষ্টি হয়।

৬. পেটে এবং শ্বাসকষ্টের সঙ্গে গুরুতর স্তর-৩

এটি সব থেকে উদ্বেগজনক এবং গুরুতর ধরনের লক্ষণ। এগুলি সচরাসচর প্রথম সপ্তাহে দেখা যায় বলে জানাচ্ছে গবেষণা। গলা ব্যথা, দীর্ঘস্থায়ী জ্বর, খিদে কমে যাওয়া, মাথাব্যথা, ডায়রিয়া, শ্বাসকষ্ট, পেশি এবং পেটের ব্যথা ইত্যাদি। এই পর্যায়ের আক্রান্তের হাসপাতালে ভরতি হওয়ার সম্ভাবনা সব থেকে বেশি ।

Continue Reading

খাওয়াদাওয়া

এলাচ কেন খাবেন? জেনে নিন ১৮টি কারণ

খবরঅনলাইন ডেস্ক : মশলার রানি এলাচ। যেমন গন্ধ তেমনই স্বাদ। শুধু তাই নয়, তেমনই এর খাদ্য ও পুষ্টিগুণ।  

এলাচের খাদ্য ও পুষ্টিগুণ –

এতে আছে প্রোটিন, কার্বোহাড্রেট, কোলেস্টেরল, ক্যালোরি, ফ্যাট, ফাইবার, নিয়াসিন, রাইবোফ্ল্যাভিন, পাইরিডক্সিন, থিয়ামিন, ইলেকট্রোলাইট, সোডিয়াম, পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম, কপার, আয়রন, ম্যাগনেশিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, ফসফরাস, জিঙ্ক, ভিটামিন এ, সি ইত্যাদি।

এলাচের উপকারিতা –  

১. হৃদযন্ত্রের জন্য

এলাচের মধ্যে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান হার্টের জন্যে ভালো। কোলেস্টেরল কম করতে সাহায্য করে। উচ্চ রক্তচাপেও দারুণ একটি ওষুধ এলাচ।

২. শ্বাসকষ্টে

এলাচ বিভিন্ন রকমের সমস্যা যেমন সর্দি, কাশি, ফুসফুসের সমস্যা ও রক্ত সঞ্চালনের সমস্যা ইত্যাদি থেকে মুক্তি দেয়। ব্রঙ্কাইটিস বা শ্বাসপ্রশ্বাসের কোনো রকম সমস্যা থাকলে এলাচ খাওয়া ভালো।

৩. রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে

উচ্চ রক্তচাপের সমস্যায় এলাচ খুব উপকারী। ওষুধের কাজ করে এটি। স্যুপ বা স্টু-এর মধ্যে এলাচ মিশিয়ে খেলে খুব সহজেই কিছু দিনের মধ্যে রক্তচাপ নীচে নামতে শুরু করে।

৪. ডিপ্রেশনে

ডিপ্রেশনের মতো মানসিক সমস্যার হাত থেকে বাঁচতে এলাচ দারুণ সাহায্য করে। প্রতি দিন চায়ের মধ্যে কয়েক দানা এলাচ ফেলে ফুটিয়ে পান করা ভালো।

৫. হজমের কাজে

এর মধ্যে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও অ্যান্টিইনফ্লেমেটরি উপাদান যা বিপাকের ব্যাধি থেকে শরীরকে মুক্তি দেয়। যকৃৎ ও অগ্ন্যাশয়ের উন্নতি ঘটায়। ফলে হজম ভালো হয় ফলে বুকে জ্বালা বা পেট খারাপ এবং অম্বলের মত সমস্যা থেকেও অনায়াসে রেহাই পাওয়া যায়।

৬. ডিটক্সিফিকেশন

শরীরে যত বেশি পরিমাণ ফাইবার, ক্যালসিয়াম, আয়রন ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট প্রবেশ করে, ভেতর থেকে তত বেশি পরিষ্কার ও সতেজ থাকে। এলাচ শরীরে বাইরে থেকে আসা যে কোনো বিষক্রিয়া থেকে মুক্তি দেয় ও ডিটক্সিফাই করে।

৭. হেঁচকির হাত থেকে রেহাই

শরীরের যে কোনো মাংসপেশিকে শান্ত করতে এলাচের উপকারিতা অনেক। তাই কোনো কারণে যদি হেঁচকির সমস্যায় পড়েন, তাহলে এক কাপ গরম জলে এক চা চামচ এলাচ মিশিয়ে ১৫ মিনিট রেখে সেটি আসতে আসতে পান করলে উপকার হয়।

৮. ক্ষুধা বৃদ্ধিতে

এলাচ খিদে বাড়াতে সাহায্য করে। এলাচের তেল ব্যবহার করলে খাওয়ার প্রতি ইচ্ছে বাড়ে ও খিদেও বাড়ে।

৯. দাঁত ও মুখের জন্যে

এলাচের অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল উপাদান মুখের ভেতরের অংশের অর্থাৎ মাড়ি ও দাঁতের খুব উপকার করে। এলাচের ঝাঁঝালো স্বাদ নিঃশ্বাসের দুর্গন্ধ দূর করে ও তরতাজা ভাব আনে।

১০. ক্যানসারে

এলাচের খাদ্যগুণের কারণে অনেক ধরনের ক্যানসারের টিউমার বা কোষগুলি বাড়তে পারে না। কোলোরেক্টাল ক্যানসারের ক্ষেত্রে এলাচের গুনাগুণ বিশেষ ভাবে প্রমাণিত হয়েছে।

অনলাইনে ছোটো এলাচ কিনতে হলে ক্লিক করুন

১১. স্মৃতিশক্তি প্রখর করে

এলাচে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট মস্তিষ্ককে শান্ত করে ও স্মৃতিশক্তি প্রখর করে তুলতে সাহায্য করে। প্রতি দিন দুধের সঙ্গে দু’টি এলাচ ফুটিয়ে সেটি পান করুন। ফল অবশ্যই পাবেন।

১২. যৌন স্বাস্থ্য

এলাচের মধ্যে নানান খাদ্য উপাদানের কারণে এটি স্নায়ুকে শান্ত করে ও যৌনইচ্ছাকে বাড়িয়ে তোলে। এ ছাড়া, বন্ধ্যাত্ব থেকে মুক্তি পেতেও এলাচ সাহায্য করে।

১৩. উজ্জ্বল ত্বকে

ত্বকের ফর্সাভাব ও ঔজ্জ্বল্যের জন্যে এলাচ দারুণ কাজ করে। ত্বকে ব্রণ ও কালচে ভাব দূর করে। মধু ও এলাচের প্যাক বানিয়ে মুখে লাগিয়ে ফল পেতে পারেন।

১৪. ত্বকের এলার্জি

এলাচে অ্যান্টিব্যাকটিরিয়াল উপাদান ভরপুর। এটি খুব ভালো অ্যান্টিসেপটিক ও অ্যান্টিইনফ্লেমেটরি। ফলে ত্বককে মোলায়েম করে, ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে। তাই এলাচ ত্বকের জন্যে একটি ওষুধও। মধু এবং কালো এলাচের মিশ্রণ এলার্জি হওয়া অংশে লাগালে খুব তাড়াতাড়ি ফল পাবেন।

১৫. রক্ত সঞ্চালন উন্নত করে

এলাচে রয়েছে ভিটামিন সি, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, এগুলি ত্বকে রক্ত সঞ্চালন উন্নত করে ও ত্বকের স্বাস্থ্য ভালো করে।

১৬. ঠোঁটের জন্যে

এলাচ দিয়ে ঠোঁটের নানা রকমের বাম, গ্লস বা তেল তৈরি হয় যা ঠোঁটের কোমলভাব ফুটিয়ে তোলে। গোলাপি ভাব বজায় রাখে। ঘরেও প্যাক তৈরি করে সারা রাত ঠোঁটে লাগিয়ে রাখা যায়। এই প্যাক করতে লাগে এলাচের গুঁড়ো, অলিভ অথবা আমন্ড অয়েল এবং একটুখানি অ্যালোভেরা জেল। প্রতি দিন এটি ঠোঁটে লাগিয়ে রেখে ১৫ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন।

১৭. চুলের যত্নে

মাথার ত্বক পরিষ্কার থাকলে চুলের গোড়া মজবুত হয় ও চুল পড়ার সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। এলাচের মধ্যে থাকা পুষ্টিকর উপাদান চুলের গোড়া মজবুত করে চুলকে ঝলমলে ও লম্বা করতে সাহায্য করে।

১৮. মাথার ত্বকের জন্যে

অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকার ফলে মাথার ত্বক ভালো রাখে। এলাচ চুলের ফলিকলগুলিকে মজবুত করে। এলাচ ভেজানো জল দিয়ে চুল ধুলে বা এলাচের গুঁড়ো চুলে লাগানোর পর শ্যাম্পু করলে সব থেকে ভালো ফল পাওয়া যায়। এলাচের অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান মাথার ত্বকের ইনফেকশনকে দ্রুত সারিয়ে তোলে।

জেনে রাখুন – করোনার এই সংকটকালে লবঙ্গ কেন খাবেন? জেনে নিন ২২টি উপকারিতা

Continue Reading
Advertisement

বিশেষ প্রতিবেদন

Advertisement
ক্রিকেট15 mins ago

ধোনির ঘোষণার এক ঘণ্টার মধ্যেই অবসর ঘোষণা সুরেশ রায়নার

রাজ্য51 mins ago

রাজ্যে দৈনিক সংক্রমণ হার নামল ৯ শতাংশের নীচে, সুস্থতার হারে বৃদ্ধি

বিজ্ঞান52 mins ago

বিতর্কের মধ্যেই করোনা ভ্যাকসিনের প্রথম ব্যাচের উৎপাদন রাশিয়ায়

MS Dhoni
ক্রিকেট1 hour ago

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নিলেন মহেন্দ্র সিংহ ধোনি

sonu-sood
বিনোদন2 hours ago

এ বার চিকিৎসার জন্য ৩৯ শিশুকে ফিলিপিন্স থেকে দিল্লি উড়িয়ে আনছেন সোনু সুদ

প্রযুক্তি2 hours ago

আয়কর রিটার্নের ভুল সংশোধনের জন্য ৯টি সহজ পদক্ষেপ

বিনোদন3 hours ago

রিয়া চক্রবর্তী কি সুশান্তের অ্যাকাউন্ট থেকে ১৫ কোটি টাকা সরিয়েছিলেন? তদন্ত শুরু করল সিবিআই

রাজ্য3 hours ago

বেসরকারিকরণ: বিকল্প পন্থায় পোস্টকার্ডে প্রতিবাদ শ্রমিক সংগঠন টিইউসিসির

দেশ12 hours ago

কোভিড আপডেট: নতুন করে আক্রান্ত ৬৫০০২, সুস্থ ৫৭৩৮১

দেশ11 hours ago

ভারতকে চ্যালেঞ্জ করলে কড়া জবাব, লালকেল্লায় হুংকার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর

বিজ্ঞান1 day ago

কোভিডের সম্ভাব্য উপসর্গের ক্রমগুলি খুঁজে পাওয়া গিয়েছে, দাবি এক দল বিজ্ঞানীর

ফুটবল2 days ago

এ বার কি মেসির সঙ্গে জুটি বাঁধবেন রোনাল্ডো? সিআর৭-এর বার্সেলোনা যাত্রার জল্পনা তুঙ্গে

ক্রিকেট2 days ago

কোহলি-স্মিথ-উইলিয়ামসনরা অভিষেক করার আগে শেষ টেস্ট খেলেছিলেন তিনি, ফের সুযোগ পেলেন বৃহস্পতিবার

দেশ1 day ago

রাজস্থানে আস্থাভোটে জয়ী অশোক গহলৌত সরকার

দেশ1 day ago

প্রায় সাড়ে আট লক্ষ টেস্টে আক্রান্ত ৬৫ হাজারের কম, আরও পড়ল সংক্রমণের হার

বিজ্ঞান2 days ago

অক্সফোর্ড করোনা ভ্যাকসিন আপডেট: নভেম্বরের মধ্যে শেষ হবে হিউম্যান ট্রায়াল

কেনাকাটা

care care
কেনাকাটা2 days ago

চুল ও ত্বকের বিশেষ যত্নের জন্য ১০০০ টাকার মধ্যে এই জিনিসগুলি ঘরে রাখা খুবই ভালো

খবরঅনলাইন ডেস্ক : পার্লার গিয়ে ত্বকের যত্ন নেওয়ার সময় অনেকেরই নেই। সেই ক্ষেত্রে বাড়িতে ঘরোয়া পদ্ধতি অনেকেই অবলম্বন করেন। বাড়িতে...

কেনাকাটা1 week ago

ঘর ও রান্নাঘরের সরঞ্জাম কিনতে চান? অ্যামাজন প্রাইম ডিলে রয়েছে ৫০% পর্যন্ত ছাড়

খবরঅনলাইন ডেস্ক : অ্যামাজন প্রাইম ডিলে রয়েছে ঘর আর রান্না ঘরের একাধিক সামগ্রিতে প্রচুর ছাড়। এই সেলে পাওয়া যাচ্ছে ওয়াটার...

কেনাকাটা1 week ago

এই ১০টির মধ্যে আপনার প্রয়োজনীয় প্রোডাক্টটি প্রাইম ডে সেলে কিনতে পারেন

খবরঅনলাইন ডেস্ক : চলছে অ্যামাজনের প্রাইমডে সেল। প্রচুর সামগ্রীর ওপর রয়েছে অনেক ছাড়। ৬ ও ৭  তারিখ চলবে এই সেল।...

কেনাকাটা1 week ago

শুরু হল অ্যামাজন প্রাইম ডে সেল, জেনে নিন কোন জিনিসে কত ছাড়

খবরঅনলাইন ডেস্: শুরু হল অ্যামাজন প্রাইম ডে সেল। চলবে ২ দিন। চলতি মাসের ৬ ও ৭ তারিখ থাকছে এই অফার।...

things things
কেনাকাটা2 weeks ago

করোনা আতঙ্ক? ঘরে বাইরে এই ১০টি জিনিস আপনাকে সুবিধে দেবেই দেবে

খবরঅনলাইন ডেস্ক : করোনা পরিস্থিতিতে ঘরে এবং বাইরে নানাবিধ সাবধানতা অবলম্বন করতেই হচ্ছে। আগামী বেশ কয়েক মাস এই নিয়মই অব্যাহত...

কেনাকাটা3 weeks ago

মশার জ্বালায় জেরবার? এই ১৪টি যন্ত্র রুখে দিতে পারে মশাকে

খবরঅনলাইন ডেস্ক: একে করোনা তায় আবার ডেঙ্গুর প্রকোপ শুরু হয়েছে। এই সময় প্রতি বারই মশার উৎপাত খুবই বাড়ে। এই বারেও...

rakhi rakhi
কেনাকাটা3 weeks ago

লকডাউন! রাখির দারুণ এই উপহারগুলি কিন্তু বাড়ি বসেই কিনতে পারেন

সামনেই রাখি। কিন্তু লকডাউনের মধ্যে মনের মতো উপহার কেনা একটা বড়ো ঝক্কি। কিন্তু সেই সমস্যা সমাধান করতে পারে অ্যামাজন। অ্যামাজনের...

কেনাকাটা4 weeks ago

অনলাইনে পড়াশুনা চলছে? ল্যাপটপ কিনবেন? দেখে নিন ৪০ হাজার টাকার নীচে ৬টি ল্যাপটপ

ইনটেল প্রসেসর সহ কোন ল্যাপটপ আপনার অনলাইন পড়াশুনার কাজে লাগবে জেনে নিন।

কেনাকাটা4 weeks ago

করোনা-কালে ঘরে রাখতে পারেন ডিজিটাল অক্সিমিটার, এই ১০টির মধ্যে থেকে একটি বেছে নিতে পারেন

শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা বুঝতে সাহায্য করে এই অক্সিমিটার।

কেনাকাটা4 weeks ago

লকডাউনে সামনেই রাখি, কোথা থেকে কিনবেন? অ্যামাজন দিচ্ছে দারুণ গিফট কম্বো অফার

খবরঅনলাইন ডেস্ক : সামনেই রাখি। কিন্তু লকডাউনের মধ্যে দোকানে গিয়ে রাখি, উপহার কেনা খুবই সমস্যার কথা। কিন্তু তা হলে উপায়...

নজরে

Click To Expand