Connect with us

শরীরস্বাস্থ্য

ভিটামিন বি১২-র অভাব ঘটিত রোগগুলি এড়াতে নিয়মিত খান এই ৪টি খাবার

Published

on

ওয়েবডেস্ক: ভিটামিনের বিভিন্ন প্রকারগুলির মধ্যে ভিটামিন বি১২ একটি প্রকার। শরীর গঠনে ও সুস্থ রাখতে এই ভিটামিন বি১২-র প্রয়োজনীয়তা অনস্বীকার্য।

দেহের প্রত্যেকটি কোষের বিপাক ক্রিয়ার সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে এই ভিটামিন বি১২। ভিটামিন বি১২-এর অভাবে রক্তের নানান রোগ এবং স্নায়ুতন্ত্রের সমস্যা দেখা দেয়। এ ছাড়া শরীরে আরও অনেক সমস্যা দেখা যায়।

ভিটামিন বি১২-এর অভাবে কী কী সমস্যা হতে পারে দেখে নেওয়া যাক –

মাথা ঘোরা –

ভিটামিন বি১২-এর ঘাটতি হলে প্রায়ই মাথা ঘোরার সমস্যা হতে থাকে। বসা থেকে উঠে দাঁড়ানো বা এ পাশ থেকে ও পাশ ফেরা, অথবা সিঁড়ি দিয়ে ওঠা-নামা ইত্যাদির মতো খুব সাধারণ ক্ষেত্রেই মাথা ঘোরার সমস্যা হয়ে থাকে। এমনটা হলে মোটেই ফেলে না রেখে চটপট চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

বিস্মৃতি –

বিস্মৃতি বা ক্রমাগত কিছু না কিছু ভুলে যাওয়া। এটিও ভিটামিন বি১২ ঘাটতির ইঙ্গিত করে। আজকাল সকলের মধ্যেই কম-বেশি এই সমস্যা রয়েছেই। বিশেষ করে এটি হয় বয়স্ক মানুষদের ক্ষেত্রে। তবে মাঝ বয়সি বা কম বয়সিরা এর থেকে বাদ যান না। স্মৃতির লোপের এই সমস্যাকে ডাক্তাররা সাধারণত ডিমেনশিয়া বলেন। এই ডিমেনশিয়ার অন্যতম একটি কারণ হতে পারে ভিটামিন বি১২-র অভাবও। সে ক্ষেত্রে পরীক্ষা করে দেখে নেওয়া যেতে পারে ভিটামিন বি১২-র পরিমাণ। তাই স্মৃতিশক্তিকে উন্নত করতে অবশ্যই ভিটামিন বি১২ সমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে।

দুর্বল পেশি –

ভিটামিন বি১২-এর অভাবে মাংসপেশিতে সমস্যা দেখা দেয়।  মাংসপেশিতে পর্যাপ্ত পরিমাণ অক্সিজেনের অভাব হয়। ফল – মাংস পেশি দুর্বল হয়ে যাওয়া।

ব্যাথা অনুভব –

অকারণে শরীরের বিভিন্ন অংশে পিন এবং সুঁচ ফোটানোর মতো ব্যথা অনুভব হয়? এর কারণও শরীরে ভিটামিন বি১২-র ঘাটতি। এর ফলে হাত পা অসাড় লাগে। বিভিন্ন অঙ্গে বৈদ্যুতিক শক তরঙ্গের মতো ছুটে যায়। এতে নার্ভ ক্ষতিগ্রস্থ হয়। শরীরে অক্সিজেনের পরিমাণ কমে যায়। সঙ্গে সঙ্গে শরীর লৌহ রক্তকণা উৎপাদন কমিয়ে দেয়।  

ফ্যাকাসে চেহারা –

ভিটামিন বি১২-র অভাবে রক্তে লোহিত রক্তকণিকার মাত্রা কমে যায়। ফলে শরীরে অনেক বেশি পরিমাণ বিলিরুমিন বের হয়ে যায়। তার ফলে চোখ মুখ ফ্যাকাসে হয়ে যায়। চোখে একটা হলদেটে ভাব আসে।

ক্লান্তি –

ভিটামিন বি১২-এর অভাবে শরীর অস্বাভাবিক ক্লান্ত লাগে। রাতে পর্যাপ্ত পরিমাণ ঘুম হলেও সারাদিনই ঘুম ঘুম ভাব থাকে। কারণে অকারণেই খুব ক্লান্ত লাগে। এর কারণও ভিটামিন বি১২-এর অভাব।

দৃষ্টিশক্তি হ্রাস –

অনেক সময় শরীরে ভিটামিন বি১২-এর অভাব হলে তার প্রভাব দৃষ্টি শক্তির ওপর পড়তে পারে। দেখা দেয় নানান সমস্যা। তার মধ্যে আলোক রশ্মি সহ্য ক্ষমতা কমে, সামনের সব কিছু ঝাপসা দেখায়। অনেক সময় ভিটামিন বি১২-র অভাবে কিন্তু চোখের রেটিনা নষ্ট হয়ে যায়, তার ফলে চোখের দৃষ্টি একেবারে চলে যায়।

সুতরাং সময় থাকতেই সাবধান হওয়া উচিত। সমস্যা হলে ফেলে না রেখে উচিত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া। পাশাপাশি রোজের খাদ্য তালিকায় ভিটামিন বি১২ সমৃদ্ধ রাখা উচিত।

ভিটামিন বি১২-র প্রয়োজনের পরিমাণ সব বয়সের মানুষের শরীরে সমান নয়।

ছয় মাসের কম বয়সি শিশুদের এটি দরকার ০.৪ মাইক্রোগ্রাম। তার থেকে বড়ো শিশুদের দরকার ০.৫ মাইক্রোগ্রাম।

এক থেকে তিন বছরের শিশুদের প্রতিদিন ০.৯ মাইক্রোগ্রাম দরকার।

চার থেকে আট বছরের শিশুদের দরকার ১.২ মাইক্রোগ্রাম প্রতিদিন।

নয় থেকে তেরো বছরের জন্য দরকার ১.৮ মাইক্রোগ্রাম দিনে।

কিশোর এবং প্রাপ্ত বয়স্কদের জন্য দরকার ২.৪ মাইক্রোগ্রাম দিনে।

গর্ভবতী মহিলাদের দরকার ২.৬ মাইক্রোগ্রাম ও যদি শিশুরা মাতৃদুগ্ধ পান করে সে ক্ষেত্রে সেই মায়ের দরকার ২.৮ মাইক্রোগ্রাম ভিটামিন বি১২ দিনে।

তা হলে তার জন্য জানতে হবে যে, হাতের কাছে কোন কোন খাবারে ভিটামিন বি১২ আছে।

দুধ – এক কাপ দুধে প্রায় ২০% ভিটামিন বি১২ –এর চাহিদা পূরণ করা যাবে।

দই – জানলে আবাক লাগবে সব থেকে বেশি পরিমাণ ভিটামিন বি১২ থাকে দইয়ে। প্রায় ৫১% থেকে ৭৯%।

চিজ – নানান শাকসবজি ছাড়াও চিজে ভিটামিন বি১২ আছে প্রচুর পরিমাণে। ৩০ গ্রাম চিজে প্রয়োজনীয় পরিমাণের ৩০% ভিটামিন বি১২ থাকে।

ইস্ট – ভালো মানের ইস্টে ভিটামিন বি১২-এর পরিমাণ প্রচুর। প্রতি চামচ ভালো মানের ইস্টে থাকে ৫ মাইক্রোগ্রাম ভিটামিন বি১২।     

দেখে নিন – শরীর সুস্থ রাখার সহজ ৭টি উপায়, অবশ্যই করে দেখুন সুফল পাবেনই

শরীরস্বাস্থ্য

হাঁপানি হচ্ছে? জেনে নিন কী কী খাবেন আর খাবেন না

Published

on

খবর অনলাইন ডেস্ক : হাঁপানি পুরোপুরি সেরে যাওয়া সব ক্ষেত্রে সম্ভব নয়। ইনহেলার বা ওষুধের সাহায্যে হাঁপানি কিছু সময়ের জন্য কম থাকে। কিছু কিছু খাবারে অ্যালার্জি থেকেও অনেক সময় হাঁপানি হতে পারে। তাই এই সমস্যা থাকলে সামলে বুঝে চলতে হয়। কিন্তু কিছু নিয়ম মেনে চললে অবশ্যই এটি নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।

হাঁপানির জন্য উপকারী খাবার

১। হলুদ

হলুদের জীবাণুনাশকারী ক্ষমতা তীব্র, তাই হাঁপানি হলে খাবারে হলুদের পরিমাণ বেশি খেলে এ সমস্যায় কিছুটা উপকার হবে।

২। কলা

কলায় হাই ফাইভার আছে। তাই স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী। পাশাপাশি হাঁপানি রোগীদের জন্যও কলা খাওয়া খুবই ভালো। অনেক সময় চিকিৎসকরা হাঁপানি রোগীদের নিয়মিত কলা খাওয়ার পরামর্শ দেন। বিশেষজ্ঞরা বলেন, প্রতি দিন একটি কলা খেলে ৩৪% পর্যন্ত হাঁপানি সেরে কমে যেতে পারে।

৩। পালং শাক

পালং শাকে ভিটামিন সি, ভিটামিন ই, বিটা ক্যারোটিন ও ম্যাগনেসিয়াম থাকে। তাই হাঁপানি রোগীদের পালং শাক খাওয়া খুবই ভালো।

৪। আভোকাডো

ফুসফুসের স্বাস্থ্যের জন্য আভোকাডো বিশেষ ভূমিকা পালন করে। ফলে এটি হাঁপানির ক্ষেত্রেও বেশ ভালো।

৫। আপেল

ফুসফুসকে রোগের হাত থেকে রক্ষা করতে আপেল খুবই ভালো। তাই হাঁপানির ক্ষেত্রে প্রতি দিনের খাবারের তালিকায় একটি আপেল রাখা ভালো।

এ ছাড়াও হাঁপানি রোগীদের পুষ্টিকর, সুষম ও হালকা মশলার খাবার খাওয়া উচিত। লাল বা হলুদ সবুজ অর্থাৎ রঙিন শাক সবজি এ ক্ষেত্রে খুবই ভালো। এ সব খাবারে প্রচুর বিটা ক্যারোটিন থাকে। এই বিটা ক্যারোটিন ফুসফুসকে শক্তিশালী করে। এ ছাড়া মারজারিন ও অলিভ অয়েলে ভিটামিন সি ও ভিটামিন ই আছে, এগুলি ফুসফুসকে সুস্থ রাখে।

যে সব খাবার খাবেন না

১। দুধ

ক্যালসিয়ামের প্রয়োজনে দুধ খাওয়া উচিত ঠিকই, কিন্তু যাদের হাঁপানির সমস্যা রয়েছে তাদের না খাওয়াই ভালো। কারণ এর মধ্যে থাকা প্রোটিন এই সমস্যা বাড়িয়ে দিতে পারে।

২। ডিম

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার হাঁপানির সময় যত না খাওয়া যায় ততই ভালো। তাই ডিম না খাওয়া ভালো। ডিমের সাদা অংশে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন থাকে। প্রোটিন অ্যালার্জি তৈরি করে ফলে হাঁপানি সমস্যা বাড়াতে পারে।

৩। চিনাবাদাম

চিনাবাদামেও প্রচুর প্রোটিন আছে। তাই হাঁপানি রোগীদের জন্য এই চিনাবাদাম ভালো নয়। চিনাবাদামও হাঁপানি সমস্যা বাড়িয়ে দিতে পারে।

৪। আলুর চিপস

দোকান থেকে কেনা ফ্রোজেন ফ্রেঞ্চ ফ্রাই, আলু চিপস ইত্যাদি ডিহাইড্রেটেড হয়ে থাকে। হাঁপানি সমস্যা এগুলি বাড়িয়ে দিতে পারে।

৫। সয়াবিন

আরও একটি প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার সয়াবিন। সয়াবিনে অ্যালার্জিক প্রোটিন রয়েছে এটি হাঁপানি বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।

হাঁপানি হলে ঠান্ডা ও ধুলোবালি, পোষা প্রাণী ইত্যাদি এড়িয়ে চলতে হবে। তা না হলে হাঁপানি বাড়তে পারে। তবে হ্যাঁ হাঁপানি বা যে কোনো রোগের ক্ষেত্রেই কোন খাবার খাবেন বা খাবেন না তা নিয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চলাই ভালো। কারণ শরীরে অন্য কোনো রোগ বা সমস্যা থাকলে সেই অনুযায়ী খাদ্য তালিকা নির্ধারিত হয়।

পড়ুন – জলে বাড়বে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা! চমকপ্রদ তথ্য বিশেষজ্ঞের

Continue Reading

শরীরস্বাস্থ্য

জলে বাড়বে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা! চমকপ্রদ তথ্য বিশেষজ্ঞের

এক জন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের সম্পূর্ণ ওজনের ৬০ শতাংশই জলীয়।

Published

on

জলে মজবুত হবে রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা। সমস্ত ছবি প্রতীকী

খবর অনলাইন ডেস্ক: কথায় রয়েছে জলের অপর নাম জীবন। জীবজগতে অস্তিত্বরক্ষার জন্য অক্সিজেনের পরেই অপরিবহার্য হিসেবে উঠে আসে জলের নাম। বিশুদ্ধ পানীয় জল শরীরের অনাক্রম্যতা বা রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তুলতেও সহায়ক বলে দাবি করছেন বিশেষজ্ঞরা।

তাঁদের মতে, এক জন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের সম্পূর্ণ ওজনের ৬০ শতাংশই জলীয়। মস্তিষ্ক এবং হৃদপিণ্ডের ৭৩ শতাংশ জল নিয়ে গঠিত এবং ফুসফুস প্রায় ৮৩ শতাংশ, ত্বকে ৬৪ শতাংশ, পেশী এবং কিডনিতে ৭৯ শতাংশ জলের উপস্থিতি রয়েছে। একই সঙ্গে আশ্চর্যজনক ভাবে হাড়গুলিতেও রয়েছে ৩১ শতাংশ জল।

দীর্ঘস্থায়ী অসুখের প্রতিরোধে জল

এনডিভিটি-তে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে স্বনামধন্য বিশেষজ্ঞ গণেশ আইয়ার দাবি করেছেন, দীর্ঘস্থায়ী অসুস্থতার বিরুদ্ধে জল-ই প্রথম প্রতিরক্ষা।

বাত অথবা জয়েন্টের সমস্যায়, এমনকী অস্টিওপোরোসিস রোধ করতে ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ জলের ভূমিকা অপরিসীম। আবার পর্যাপ্ত জলের অভাবে মস্তিষ্কে সেরোটোনিন উৎপাদন হ্রাস পায়। ফলে জলের অভাবে অনিদ্রা বা অবসাদজনিত সমস্যা দেখা দিতে পারে।

লসিকা উৎপাদনেও জলের ভূমিকা

দেহের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে শ্বেত রক্ত কণিকা কোষগুলিতে লসিকা সরবরাহ করে থাকে। এই লসিকা তৈরির জন্য জলের প্রয়োজন। শ্বেত রক্ত কণিকা এবং অন্যান্য অনাক্রম্য কোষগুলি গুরুতর অসুস্থতা এবং রোগের সঙ্গে লড়াই করে।

হজমের জন্য জল

পুষ্টির মাত্রা সঠিক হলেও রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা মজবুত হয়। কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করা অথবা হজমের সমস্যা মেটাতে জল সহায়ক ভূমিকা পালন করে থাকে।

(আরও পড়তে পারেন: বর্ষায় রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াবে ডাবের জল)

দূষিত পদার্থ দূরীকরণে জল

শরীর থেকে দূষিত পদার্থ দূরীকরণ এবং অক্সিজেনেটস করতে জলের ভূমিকা অপরিসীম। মানুষের শরীরের প্রত্যেকটি কোষে অক্সিজেন বহন করে জল। কোষগুলির সঠিক কার্যপদ্ধতি বজায় রাখতে এই অক্সিজেনের প্রয়োজন। অন্য দিকে কিডনি পর্যাপ্ত জল পেলে শরীর থেকে দূষিত পদার্থ বাইরে পাঠিয়ে দেয়। কিন্তু উল্টো হলে সেগুলি ভিতরে জমতে থাকে, রোগের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

*তবে ক্ষেত্র বিশেষে রোগীর জন্য জলপানের মাত্রা বেঁধে দেন চিকিৎসক। সেই নিয়ম অবশ্যই মেনে চলতে হবে। উপরোক্ত মতামত বিশেষজ্ঞের নিজস্ব। ঋণস্বীকার: এনডিটিভি

Continue Reading

শরীরস্বাস্থ্য

কোভিড-১৯: স্কুল খোলার আগে নিজের সন্তানকে এই ৫টি তথ্য অবশ্যই জানাবেন

স্কুল খোলার আগে সন্তানকে জানানোর জন্য ৫টি প্রয়োজনীয় তথ্য।

Published

on

নয়াদিল্লি: কোভিড-১৯ মহামারির (Covid-19 pandemic) বিরুদ্ধে লড়াই করছে গোটা বিশ্ব। সংক্রমণের নিরিখে ভারত এখন দ্বিতীয় স্থানে।

অর্থনীতি, কর্মসংস্থান বা অন্যান্য ক্ষেত্রের মতোই শিক্ষাক্ষেত্রও বড়োসড়ো সংকটের মুখে। অনলাইন ক্লাস (Online class) চললেও সেটা নির্দিষ্ট একটা গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ। যে কারণে ধাপে ধাপে স্কুল চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার।

কিন্তু অভিভাবকদের মনে সন্তানের স্বাস্থ্যসুরক্ষা নিয়ে সংশয় কাটছে না। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বয়স্ক এবং শিশুদের মধ্যে সংক্রমণের সম্ভাবনা বেশি। ফলে নিতান্তই যদি বাচ্চাকে স্কুলে পাঠাতে হয়, তা হলে ভাইরাসটি সম্পর্কে সংক্ষেপে হলেও তাকে সচেতন করতে হবে।

সন্তানকে জানানোর জন্য ৫টি প্রয়োজনীয় তথ্য

১. আমরা কতটা জানি?

ভাইরাসটি সম্পর্কে আমরা কতটা জানি, সেটাই সব থেকে বড়ো প্রশ্ন। চিকিৎসক, গবেষক, বিজ্ঞানীরা ভাইরাস সম্পর্কে জানার চেষ্টা অব্যাহত রেখেছেন।

কিন্তু আমরা এই করোনাভাইরাসের (Coronavirus) প্রকৃতি সম্পর্কে অনেক কিছুই জানি না। তবে বাচ্চাকে অবশ্যই বলতে হবে- ভাইরাসটি বায়ুবাহিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কারণগুলি বুঝতে পারলেই আগাম সতর্কতা অবলম্বনে তারাও সচেতন হতে পারবে। তাদের পক্ষে যতটা সম্ভব, ততটা নিজের যত্ন নিতে পারবে।

২. করোনাভাইরাস অত্যন্ত সংক্রামক

করোনাভাইরাস অত্যন্ত সংক্রামক। এ ধরনের দাবির পক্ষে পর্যাপ্ত প্রমাণ রয়েছে। তারা যদি ভাইরাসের প্রকৃতি বুঝতে পারে, তা হলে তারাও সাবধানতা অবলম্বন করতে এবং নিজেকে সুরক্ষিত রাখতে আরও উৎসাহিত হবে।

৩. ভাইরাসটি একাধিক উপায়ে ছড়াতে পারে

প্রাথমিকভাবে জানা যায়, কোনো সংক্রামিত ব্যক্তির থেকে হাঁচি এবং কাশি, থুতুর ফোঁটার সংস্পর্শে কোনো সুস্থ ব্যক্তি এলে ভাইরাসটি ছড়িয়ে সংক্রামিত করতে পারে। তবে, গবেষকরা তবে গবেষকরা এমনও দাবি করেন, আরও অনেকগুলি উপায় রয়েছে যার মাধ্যমে ভাইরাস ছড়িয়ে যেতে পারে এবং এমনকি দীর্ঘ সময় ধরে তলের উপরেও সক্রিয় থাকতে পারে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, বাতাসে আসার পর কিছুক্ষণের জন্য এটি সক্রিয় থাকতে পারে।

৪. করোনায় যে কেউ আক্রান্ত হতে পারে

কেউ নিজের পর্যান্ত যত্ন নিচ্ছে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলার জন্য স্বাস্থ্যকর খাবার খাচ্ছে, তার মানে এই নয় যে তার ভাইরাসে ভয় নেই। বাচ্চাকে জানাতে হবে, সংক্রমণের ঝুঁকি রয়েছে প্রত্যেকের। এমনকী এই রোগের এখনও পর্যন্ত কোনো কার্যকরী ভ্যাকসিন অথবা নির্দিষ্ট প্রতিকার আমাদের হাতে এসে পৌঁছায়নি।

৫. কোভিডের উপসর্গ নাও থাকতে পারে

শিশুরা প্রায়শই জ্বর, কাশি, সর্দি ইত্যাদির মতো নির্দিষ্ট উপসর্গগুলির সঙ্গে অসুস্থ হয়ে পড়ে। কিন্তু কোভিড-১৯ আক্রান্তের মধ্যে যে সবসময় উপসর্গ দেখা দেবে, তেমনটাও নয়। কোনো বন্ধুকে হয়তো কেউ দেখছে কোনো উপসর্গ নেই, কিন্তু সে-ও করোনায় আক্রান্ত হতে পারে অথবা সম্ভাব্য রোগের বাহক হতে পারে। তারা তাদের বন্ধুরা সুস্থ দেখতে পাচ্ছে এবং তাদের চারপাশে সতর্কতা অবলম্বন করতে পারে না তবে তারা সংক্রামিত হতে পারে এবং এই রোগের সম্ভাব্য বাহকও হতে পারে। এ ধরনের সম্ভাবনাগুলি নিয়েও বাচ্চাকে সচেতন করতে হবে।

আরও পড়তে পারেন: কোভিড-১৯ মহামারির মধ্যে স্কুল খুললে আপনি কি নিজের সন্তানকে পাঠাবেন?

সংক্রমণের হার, সক্রিয় রোগীর সংখ্যা, সুস্থতার হার ইত্যাদি কতটা বাড়ল অথবা কমল, সে সব জটিল পরিসংখ্যান শিশুদের বোঝানো কোনো মতেই সম্ভব নয়। কিন্তু ভয়াবহ এই সমস্যা সম্পর্কে তাদের ন্যূনতম শিক্ষিত করে তোলার মাধ্যমেই সুরক্ষিত রাখার কৌশল নিতে হবে।

দেখে নিন এখানে: ২১ সেপ্টেম্বর থেকে নবম-দ্বাদশ শ্রেণির জন্য আংশিক স্কুল খুলতে পূর্ণাঙ্গ নির্দেশিকা জারি কেন্দ্রের

Continue Reading
Advertisement
Chennai vs Delhi
ক্রিকেট1 hour ago

অবিশ্বাস্য! প্রথম তিনটে ম্যাচের মধ্যে দুটোতেই হারল চেন্নাই সুপারকিংস

কেনাকাটা2 hours ago

নতুন কালেকশনের ১০টি জুতো, ১৯৯ টাকা থেকে শুরু

শরীরস্বাস্থ্য2 hours ago

হাঁপানি হচ্ছে? জেনে নিন কী কী খাবেন আর খাবেন না

রাজ্য3 hours ago

শিকেয় উঠছে করোনা সতর্কতা, বাইরে বেরিয়ে এই ৫টি কাজ মোটেই করবেন না

coronavirus
রাজ্য4 hours ago

কলকাতায় কোভিড-গ্রাফ ঊর্ধ্বমুখী, বাকি রাজ্যে পরিস্থিতির উন্নতি

farm bills protest
দেশ4 hours ago

কেন্দ্রের কৃষি বিল কৃষক বিরোধী, এ বার সরব হরিয়ানার দুই বিজেপি নেতা

rain in west bengal
রাজ্য5 hours ago

উত্তরবঙ্গে আরও দু’দিন অতি বৃষ্টির আশঙ্কা, দক্ষিণে বিক্ষিপ্ত

শিক্ষা ও কেরিয়ার5 hours ago

বিশ্ববিদ্যালয়গুলিকে অক্টোবরের মধ্যেই ভরতি প্রক্রিয়া সেরে ফেলার নির্দেশ ইউজিসি-র

কেনাকাটা

কেনাকাটা2 hours ago

নতুন কালেকশনের ১০টি জুতো, ১৯৯ টাকা থেকে শুরু

খবর অনলাইন ডেস্ক : পুজো এসে গিয়েছে। কেনাকাটি করে ফেলার এটিই সঠিক সময়। সে জামা হোক বা জুতো। তাই দেরি...

কেনাকাটা1 day ago

পুজো কালেকশনে ৬০০ থেকে ১০০০ টাকার মধ্যে চোখ ধাঁধানো ১০টি শাড়ি

খবর অনলাইন ডেস্ক: পুজোর কালেকশনের নতুন ধরনের কিছু শাড়ি যদি নাগালের মধ্যে পাওয়া যায় তা হলে মন্দ হয় না। তাও...

কেনাকাটা3 days ago

মহিলাদের পোশাকের পুজোর ১০টি কালেকশন, দাম ৮০০ টাকার মধ্যে

খবরঅনলাইন ডেস্ক : পুজো তো এসে গেল। অন্যান্য বছরের মতো না হলেও পুজো তো পুজোই। তাই কিছু হলেও তো নতুন...

কেনাকাটা6 days ago

সংসারের খুঁটিনাটি সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে এই জিনিসগুলির তুলনা নেই

খবরঅনলাইন ডেস্ক : নিজের ও ঘরের প্রয়োজনে এমন অনেক কিছুই থাকে যেগুলি না থাকলে প্রতি দিনের জীবনে বেশ কিছু সমস্যার...

কেনাকাটা1 week ago

ঘরের জায়গা বাঁচাতে চান? এই জিনিসগুলি খুবই কাজে লাগবে

খবরঅনলাইন ডেস্ক : ঘরের মধ্যে অল্প জায়গায় সব জিনিস অগোছালো হয়ে থাকে। এই নিয়ে বারে বারেই নিজেদের মধ্যে ঝগড়া লেগে...

কেনাকাটা2 weeks ago

রান্নাঘরের জনপ্রিয় কয়েকটি জরুরি সামগ্রী, আপনার কাছেও আছে তো?

খবরঅনলাইন ডেস্ক: রান্নাঘরের এমন কিছু সামগ্রী আছে যেগুলি থাকলে কাজ করাও যেমন সহজ হয়ে যায়, তেমন সময়ও অনেক কম খরচ...

কেনাকাটা2 weeks ago

ওজন কমাতে ও রোগ প্রতিরোধশক্তি বাড়াতে গ্রিন টি

খবরঅনলাইন ডেস্ক : ওজন কমাতে, ত্বকের জেল্লা বাড়াতে ও করোনা আবহে যেটি সব থেকে বেশি দরকার সেই রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা...

কেনাকাটা3 weeks ago

ইউটিউব চ্যানেল করবেন? এই ৮টি সামগ্রী খুবই কাজের

বহু মানুষকে স্বাবলম্বী করতে ইউটিউব খুব বড়ো একটি প্ল্যাটফর্ম।

কেনাকাটা4 weeks ago

ঘর সাজানোর ও ব্যবহারের জন্য সেরামিকের ১৯টি দারুণ আইটেম, দাম সাধ্যের মধ্যে

খবরঅনলাইন ডেস্ক: ঘর সাজাতে কার না ভালো লাগে। কিন্তু তার জন্য বাড়ির বাইরে বেরিয়ে এ দোকান সে দোকান ঘুরে উপযুক্ত...

কেনাকাটা1 month ago

শোওয়ার ঘরকে আরও আরামদায়ক করবে এই ৮টি সামগ্রী

খবর অনলাইন ডেস্ক : সারা দিনের কাজের পরে ঘুমের জায়গাটা পরিপাটি হলে সকল ক্লান্তি দূর হয়ে যায়। সুন্দর মনোরম পরিবেশে...

নজরে