ওয়েবডেস্ক: ডিম খাওয়া নিয়ে এখন অনেকের মনেই অনেক সংশয় তৈরি হয়েছে। ভাবছেন, আমার তো ডায়াবেটিস আছে, তা হলে কি ডিম খাওয়া যেতে পারে? আবার কেউ কেউ ভাবছেন ডিম খেলে রক্তচাপের সঙ্গে কোলেস্টেরলের মাত্রাও বেড়ে যেতে পারে।

কেউ কেউ আবার ওজন বেড়ে যাওয়ার জন্য ডিমকেই দায়ী করে থাকেন। এ তো ভারী সমস্যা! কিন্তু এই কথা বললে চলবে কী করে। মানুষের মনের এই ভুল ধারণাগুলি ভাঙা খুবই প্রয়োজন।

সেই কথা ভেবেই সম্প্রতি আমেরিকান জার্নাল অফ ক্লিনিক্যাল নিউট্রেশন নামে একটি সংস্থা ১২ মাস ধরে ডায়াবেটিস রোগীদের ওপরে একটি গবেষণা চালায়। গবেষণা করে তারা জানিয়েছে, ডায়াবেটিস রোগী এবং যাঁদের উচ্চরক্তচাপ রয়েছে তাঁরা অনায়াসে ডিম খেতে পারেন।

অনেকের মনেই ভ্রান্ত ধারণা জন্মেছে ডিম খাওয়ার সময় কুসুমটা বাদ দিয়ে শুধু সাদা অংশটা খেলে ওজন বাড়ার তুলনায় অনেক কম থাকবে। ইতিমধ্যেই সেই ভ্রান্ত ধারণায় একেবারে জল ঢেলে দিয়েছে আমেরিকান জার্নাল অফ ক্লিনিক্যাল নিউট্রেশন।তারা জানিয়েছে সপ্তাহে ১২টি করে ডিম খাওয়া যেতেই পারে। ডিম খেলে কোনো অসুবিধা হবে না। বরং আরও উপকার হবে।

তা হলে জেনে নেওয়া যাক ডিমের গুণাগুণ সম্পর্কে

১। প্রোটিন সমৃদ্ধ উৎস

যাঁদের মনে ডিম নিয়ে অনেক ভুল ধারণা আছে এখন থেকে সেই ধারণাকে একেবারে ঝেড়ে ফেলুন। কারণ ডিমের মধ্যে আছে উচ্চ মানের প্রোটিন। প্রোটিনের ঘাটতি মেটাতে সাহায্য করে ডিম। শুধু তা-ই নয়, শরীরে পুষ্টির জোগানও দেয় ডিম।

২। চোখ ভালো রাখতে

ডিমের রয়েছে অসংখ্য গুণ। তার মধ্যে আর একটি গুণের কথা জেনেই নেওয়া যাক। ডিম খেলে যেমন চোখ ভালো থাকে। আবার চোখে ছানির সমস্যা থাকলে তাতেও খুব ভালো কাজ দেয়। চোখের মধ্যে থাকা রেটিনাগুলি ভালো ভাবে সঞ্চালন করতে পারে।

৩। ওজন কমাতে  

এত দিন ভেবে এসেছেন ডিম খেলে শুধু ওজন বেড়েই যায়। কিন্তু এ বার কি বিশ্বাস হল? ডিমের শুধুমাত্র সাদা অংশটা খেয়ে কুসুমটা খাবেন না, এ রকমটা করার আর কোনো প্রয়োজন নেই। পুরো ডিমটা খেলে বরং আপনার ওজন কমাতে আরও সাহায্য করবে।

৪। পুষ্টির জোগান দিতে

অনেক সময় আমাদের শরীরে পুষ্টির অভাব দেখা দেয়। শরীরে পুষ্টির অভাব মেটাতেও সাহায্য করে ডিম। ডিমের সাদা অংশটা আরও বেশি উপকারী। কারণ সাদা অংশে রয়েছে বিটু, ভিটামিন ডি, ভিটামিন বি সিক্স, ভিটামিন ই এবং ভিটামিন কে। এ ছাড়াও ডিমের মধ্যে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে আয়রন।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here