সেপ্টেম্বর মাস বিশ্ব অ্যালঝাইমার মাস হিসাবে পালন করা হয়। আর ২১ সেপ্টেম্বরকে অ্যালঝাইমার দিবস। খাস আমেরিকাতে ৫০ লক্ষেরও বেশি অ্যালঝাইমার রোগী। এই রোগ প্রথম বিশ্বের দেশগুলির মধ্যে থেমে নেই তা ক্রমশ ছড়িয়ে পড়ছে বিশ্বের অন্য দেশগুলিতেও।   

অ্যালঝাইমার রোগে আক্রান্ত হলে মস্তিষ্ক ও স্নায়ুর কার্যক্ষমতা দিন দিন লোপ পায়। যার ফলে বিভিন্ন প্রকার মানসিক ও পরে শারীরিক সমস্যা দেখা দেয়।

কাদের হয়

এই রোগ সাধারণত বয়স্কদের (৬০ বৎসর) ও তদূর্ধ্ব ব্যক্তিদের হয়। তবে পঞ্চাশ পেরোনোর পরও এই সমস্যা দেখা দিতে পারে।

রোগের কারণ

  • বৃদ্ধ বয়স
  • বংশগত
  • মাথায় আঘাত
  • নিয়মিত দুশ্চিন্তা
  • গবেষণায় দেখা গিয়েছে পরিবেশ দূষণের কারণেও অ্যালঝাইমার রোগ হতে পারে।

exercises

রোগের লক্ষণ

  • মানসিক অবসাদ ও সব কিছু ভুলে যাওয়া
  • দুশ্চিন্তা, মানসিক ভারসাম্য নষ্ট হওয়া, স্মৃতিশক্তি বিলুপ্ত হওয়া
  • খাওয়ার প্রতি অনীহা
  • স্বাভাবিক কাজকর্মে উদ্যমের অভাব
  • পারিবারিক ও সামাজিক আচরণের পরিবর্তন

চিকিৎসা ও প্রতিকার

অ্যালঝাইমার রোগের চিকিৎসা ও প্রতিকারের মধ্যে নিম্নলিখিত পদ্ধতি পালন করা যায়:

  • রোগীকে মানসিক সান্ত্বনা দেওয়া ও দুশ্চিন্তামুক্ত রাখা
  • রোগীর প্রতি পরিবারের সকলের সহানুভূতি সূচক ব্যবহার করা
  • লক্ষণ অনুযায়ী ওষুধ প্রয়োগ করা
  • রোগীকে সর্বক্ষণ খেয়াল রাখা যেন বাড়ি থেকে হঠাৎ বের হয়ে না যান

প্রতিরোধ

নিয়মিত ব্যায়াম

  • সুষম খাদ্য গ্রহণ – এর মধ্যে চিনাবাদাম, আখরোট ইত্যাদি স্মৃতিশক্তি উন্নত করতে সাহায্য করে
  • চিত্তবিনোদন, বই পড়া, মস্তিষ্ককে বেশি করে সক্রিয় রাখা
  • পারিবারিক সাহচর্য
  • পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকা

যে ব্যায়ামগুলি আপনাকে এই রোগ থেকে দূরে রাখতে পারে

  • হাঁটা, সাইকেল চালানো এমনকি বাগান করার মতো হালকা ব্যায়ামও আপনাকে এই রোগ থেকে দুরে থাকতে সাহায্য করবে।
  • একটি গবেষণায় দেখা গেছে নিয়মিত মেডিটেশন করলে অ্যালঝাইমার রোগ দূরে রাখা সম্ভব হবে।
  • কানাডার একটি সংস্থার গবেষণায় দেখা গিয়েছে, সপ্তাহে দুবার ওজন নিয়ে ব্যায়াম আপনার মস্তিষ্ককে সচল রাখতে সাহায্য করবে।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here