sleeping in bed

ওয়েবডেস্ক: শীতের সকালে বিছানা ছেড়ে উঠতে গিয়েও থমকে যায় শরীর। মনে হয়, আরও কিছুটা না হয় কাটানো যাক গরমের নীচে। কিন্তু ওদিকে ঘড়ির কাঁটা ছুটে চলেছে নিজের গতিতে। তা হলে উপায়?

*সকাল হলেই উজ্জ্বল আলোয় ভরে তুলতে হবে শোবার ঘর। জানালা খুলে বা আলো জ্বালিয়ে এ কাজ করা সহজ। দেখবেন ঘুম পালাবে পড়িমরি করে। কারণ উজ্জ্বল আলোয় মেলাটোনিন নামক হরমোনটির নি:সরণ প্রায় বন্ধ হতে বসে। এই হরমোনটি আমাদের উপর ঘুমপাড়ানিয়ার মতো কাজ করে। যে কারণে রাতে ঘুমোতে যাওয়ার সময় ঘরে আলো জ্বললে আমাদের সহজে ঘুম আসে না। ওই হরমোনের নি:সরণ শরীরকে জাগিয়ে রাখতে সিদ্ধহস্ত।

*রাতের বিছানায় ইলেক্ট্রনিস্ক ডিভাইস রাখা যাবে না। মানে মোবাইল, হেডফোন, রেডিও, রিমোট কন্ট্রোল নামিয়ে রাখুন বিছানা থেকে।

*ঘুমোতে যাওয়ার দু’ঘণ্টা আগে নিতে হবে রাতের খাবার। যাতে তা সঠিক ভাবে পরিপাকের সময় পেয়ে যায়। বেশি রাতে খাবার খেয়ে ঘুমোতে গেলে সৃষ্টি হয় ওসোফেজাল স্পহিন্টার-এর চাপ। যা পরিপাকের প্রয়োজনীয় অ্যাসিড আটকে দেয় এবং খাদ্য নালীতে খাদ্য চলাচলে ব্যাঘাত ঘটায়। যার ফলে বুকে জ্বালা অনুভূত হয়।

*যতটা সম্ভব তরল জাতীয় খাদ্য বা পানীয় এড়িয়ে চলতে হবে। যাতে চোখে ঘুম নিয়ে বারবার টয়লেটে না দৌড়তে হয়। তাই বলে গলা শুকিয়ে গেলে জল খাওয়া যাবে না, তেমনটা নয়।

*সুস্থ ঘুমের এক চরম শত্রু অ্যালকোহল। হতে পারে মদ্যপানের পরে ঘুমের দেশে যাওয়া যায়। কিন্তু তাতে থাকে না কোনো শান্তি। স্বস্তি তো নয়-ই।

*বেশ কিছু দিন একই সময়ে বিছানায় যেতে হবে। প্রয়োজনে ঘুম থেকে নির্দিষ্ট একটি সময়ে ওঠার জন্য অ্যালার্মের সাহায্য নিতে হবে। অভ্যেসে দাঁড়িয়ে গেলে আর দেখে কে।

তথ্যগুলি জানিয়েছেন ইউনিভার্সিটি অব সাউথ অস্ট্রেলিয়ার গবেষক ড. সিওভান ব্যাঙ্কস এবং পিএইচডির ছাত্র ক্রিস্টাল গ্র্যান্ট। কিছুদিন পরখ করেই দেখুন না। হাতেনাতে ফল মিললেও মিলতে পারে।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here