আই2পিওর ভারতে এল আই2কিয়োর হিসাবে

0
I2Cure

খবরঅনলাইন ডেস্ক: ভারতের বাজারে এল আই2কিয়োর (I2Cure) – হাত সুস্থ রাখার শ্রেষ্ঠতম দ্রবণ। বিশ্বব্যাপী কোভিড (Covid 19) অতিমারির সময়ে জৈবপ্রযুক্তি কোম্পানি আই2পিওর (I2Pure) ভারতে এল আই2কিয়োর হিসাবে। আণবিক আয়োডিনের জৈব কীটনাশক গুণকে তুলে ধরেছে আই2পিওর কোম্পানি।

আই2-এর প্রতিষ্ঠাতা ড. জ্যাক কেসলারের (Dr. Jack Kessler) মস্তিষ্কপ্রসূত আই2কিয়োর। এই আই2কিয়োর তৈরি হয়েছে ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন-এর (FDA) বিধি মেনে। ISO 9001:2015 শংসাপত্র পেয়েছে এই দ্রবণ এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) গুড ম্যানুফ্যাকচারিং প্র্যাকটিস (GMP) দ্বারা প্রশংসিত হয়েছে দ্রবণটি।

নিজের আবিষ্কারের জন্য ড. জ্যাক কেসলারের প্রায় ২৬টি পেটেন্ট আছে। যেগুলোর জন্য পেটেন্ট-এর আবেদন করা হয়েছে, কিন্তু এখনও মেলেনি সেগুলোও ধরা হয়েছে এই হিসাবে। তা ছাড়া এর মধ্যে সেগুলোও রয়েছে যেগুলো ইউনাইটেড স্টেটস পেটেন্ট অ্যান্ড ট্রেডমার্ক অফিস (United States Patent and Trademark Office, USPTO) স্বীকার করেছে।

আই2কিয়োর একটি জৈবসুরক্ষা প্রদানকারী বিষক্রিয়ানাশক লোশন এবং সহজ, একক ব্যবহারে বিশাল ভাবে অণুজীব দমনকারী। এই আই2কিয়োর কোভিড ১৯-এর বিরুদ্ধে আয়োডিনের সুরক্ষা দেয়। চরিত্রে অ্যালকোহল-যুক্ত স্যানিটাইজারের থেকে আলাদা এই আই2কিয়োর। এই দ্রবণ ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া আর ছত্রাকের বিরুদ্ধে ১২ ঘণ্টার জন্য সম্পূর্ণ সুরক্ষা দেয়। তা ছাড়া আয়োডিন ত্বককে পুষ্টিও জোগায় এবং আর্দ্র রাখে।

ভারতের বাজারে আই2কিয়োর-এর আগমন প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে, ড. জ্যাক কেসলার বলেন, “জীবাণুদের বিরুদ্ধে একটা ক্ষণস্থায়ী ও উপর-উপর সুরক্ষা দেওয়া নয়, পৃথিবীকে তার চেয়েও অনেক বেশি সুরক্ষা দেওয়ার লক্ষ্যে এই আই2কিয়োর প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। এই সাফল্যকে সম্পূর্ণ করতে, আমরা একটা দ্রবণ তৈরি করেছি যার পেছনে রয়েছে বহু বছরের গবেষণা। এর ফলে অদৃশ্য আণুবীক্ষণিক শত্রুদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে এই দ্রবণ আমাদের সুবিধাজনক জায়গায় পৌঁছে দিয়েছে। আই2কিয়োর অন্যান্য দ্রুত সমাধান দেওয়া স্থানিক জীবাণুনাশক-এর মতো নয়। অ্যালকোহলের পরিবর্তে এতে ব্যবহার করা হয় আণবিক আয়োডিন, যাতে ত্বক সুস্থ থাকে। আই2কিয়োর-এর পেটেন্ট করা আণবিক আয়োডিন দ্রবণটি ত্বকে শোষিত হয় এবং তার পর বাষ্প রূপে নির্গত হয় যা আপনার হাতের ত্বককে অণুজীবহীন করে রাখে ১২ ঘণ্টার জন্য।”

আই2কিয়োর-এর সিইও ডগলাস স্পিৎজ (Douglas Spitz) bolen, “আমরা যারপরনাই ভাবে চেষ্টা করছি এমন দ্রবণ তৈরি করার যা অদৃশ্য, আণুবীক্ষণিক শত্রুদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে আমাদের এগিয়ে দেবে। আই2কিয়োর-এ আমরা একটা বিপ্লব আনতে চেয়েছিলাম হাতের সুরক্ষার ক্ষেত্রে এবং আমরা তা করেছি। আমরা আণবিক আয়োডিন দিয়ে স্থানিক জীবাণুনাশক তৈরি করেছি। আয়োডিন অন্যতম পুরোনো এবং কার্যকর অণুজীবনাশক পদার্থ যা চিকিৎসা ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়৷ ত্বকে মুক্ত আণবিক আয়োডিন দেওয়ার মধ্য দিয়ে আমরা আয়োডিনের কার্যকারিতা নিয়ে কিছু ধাপ এগিয়েছি। আর একটা মোদ্দা কথা হল, আয়োডিনের বিরুদ্ধে কোনো ব্যাকটেরিয়া বা ভাইরাস বাঁচে না, তাই কোনো ড্রাগ-রোধী প্যাথোজেন তৈরি হয় না।”

খবরঅনলাইনে আরও পড়তে পারেন

সুস্থতা বাড়লেও কলকাতা-সহ রাজ্যের ৮ জেলার কোভিড-পরিস্থিতিই এখন উদ্বেগের

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন