ঘামাচির জ্বালায় জেরবার ? মেনে দেখুন এই ৭ টি টিপস

0

খবর অনলাইন ডেস্ক : তীব্র দাবদাহে প্রত্যেকটি মানুষের নাজেহাল অবস্থা। বাইরে বেরোলে রোদে যেন পুরো শরীর পুড়ে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে।
গরমে হাজার একটা সমস্যায় মানুষ জর্জরিত। নিজের ত্বকের যত্ন নিতে গিয়ে যেন নাজেহাল হতে হয়।

সান ট্যান থেকে কীভাবে মুক্তি পাবেন, নাকি ব্রণর জন্য যত্ন নেবেন। তারপরে যদি আবার ঘামাচির আবির্ভাব হয় শরীরে তাহলে তো কথাই নেই। কিন্তু ঘামাচি নিয়ে গরমে কষ্ট পেতে কারই বা ভালো লাগে।

তাই আসুন জেনে নেওয়া যাক কীভাবে ঘামাচি দূর করবেন।

ঘামাচির হাত থেকে বাঁচতে মেনে চলুন এই উপায়গুলি-

১। মূলতানি মাটি-

মূলতানি মাটির পেস্ট ঘামাচির জন্য খুবই উপকারী। এই পেস্টটি তৈরি করতে লাগবে ৪-৫ চামচ মুলতানি মাটি, গোলাপ জল ২-৩ চামচ ও জল পরিমাণ মতো।
শরীরে যেখানে ঘামাচি হয়েছে সেই জায়গাগুলিতে ১৫-২০ মিনিট লাগিয়ে রাখুন। শুকিয়ে গেলে জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

২। বেকিং সোডা-

ভাবছেন বেকিং সোডা কিভাবে ঘামাচিতে ব্যবহার করবেন? খুব সহজ পদ্ধতিতে আপনি এটি ব্যবহার করতে পারবেন। ১ কাপ ঠান্ডা জলে ১ চামচ বেকিং সোডা মেশান। ১০ মিনিট ভালো করে ভিজতে দিন বেকিং সোডাটা। এরপরে মুখে বা শরীরের যেখানে ঘামাচি হয়েছে সেই জায়গায় ২০ মিনিট লাগিয়ে রাখুন। শুকিয়ে গেলে ধুয়ে নিন।

৩। নিমপাতা-

ত্বকের যে কোনো সমস্যার সমাধানে নিম পাতার জুড়ি মেলা ভার। ঘামাচি থেকেও মুক্তি পেতে নিমপাতা দুর্দান্ত ভাবে কাজ দেয়। নিমপাতায় আছে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান। যা ঘামাচি নিরাময়ে সাহায্য করে।
২৫-৩০ টি নিমপাতার মধ্যে পরিমাণ মতো জল দিয়ে ভালো করে একটি পেস্ট বানিয়ে নিন। সেই পেস্টটি ১০-১৫ মিনিট মুখে লাগিয়ে রাখুন। শুকিয়ে গেলে জল দিয়ে ধুয়ে নিন।

৪। তরমুজ-

রসালো লাল টকটকে তরমুজ দেখলেই প্রায় সকলেরই জিভে জল চলে আসে। কিন্তু এই কথাটা হয়ত অনেকেরেই অজানা।
একটুকরো তরমুজ থেকে পাল্পটা বের করে নিন। সেই পাল্পটা আলতো করে যেখানে ঘামাচি হয়েছে লাগিয়ে রাখুন। ৫-১০ মিনিট রেখে ধুয়ে নিন।

৫। আদা-

আদা ঘামাচির জন্য খুবই কার্যকরী। প্রথমে আদাটা গ্রেট করে নিয়ে জলে ফুটিয়ে নিতে হবে। ঠান্ডা হলে তারপরে আদার রসটি ঘামাচির জায়গাগুলিতে লাগিয়ে রাখুন। ১০-১৫ মিনিট লাগিয়ে রাখুন। শুকিয়ে গেলে পাতলা ভেজা রুমাল দিয়ে মুছে নিন।

৬। কাঁচা আম-

গরমে প্রায় সবার ঘরে কাঁচা আম থাকে। এক্ষেত্রে লাগবে ২ টি কাঁচা আম, ২ চামচ নুন, ১ চামচ চিনি ও জল। প্রথমে ২টি আম গরম জলে সেদ্ধ করে নিতে হবে।
এরপরে ওই সেদ্ধ আম থেকে রস বের করে ঠান্ডা জলে ২ চামচ নুন ও ১ চামচ চিনি মিশিয়ে নিন। মিশ্রণটি বানানো হয়ে গেলে ২০ মিনিট লাগিয়ে রাখুন। শুকিয়ে গেলে জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

৭। শসা-

শসার গুণাগুণ যে কতটা সে কথা নিশ্চই সকলেরই অজানা নয়। শসা শুধু দেহকে হাইড্রেইট করে না, শসা ঘামাচিতেও যথেষ্ট আরামদায়ক।
শসাকে গ্রেট করে শসার রসটা বের করে নিন। এরপরে ওই রসটা ২০-২৫ মিনিট ঘামাচির জায়গাগুলোতে লাগিয়ে রাখুন। শুকিয়ে আসলে ধুয়ে ফেলুন।

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন