kareena kapoor khan

ওয়েবডেস্ক: করিনা কাপুর খানকে এ ব্যাপারে বিশারদ মনে করার কারণ একটাই! তিনি দেখিয়ে দিয়েছেন, সন্তানের জন্মের মাস ছয়েকের মধ্যেই কী ভাবে শরীর থেকে মাতৃত্বকালীন মেদ পুরোপুরি ঝরিয়ে ফেলা যায়! তাও আবার খাওয়া-দাওয়ার ব্যাপারে এতটুকুও কড়াকড়ি না করেই!

অনেকে কথাটা শুনে চোখ কপালে তুলতেই পারেন! মন যা চাইছে, সেই সব খাবার প্রতিদিন নিয়ম করে খেলে ওজন তো বেড়ে যেতে থাকবে! কিন্তু বেগমজানের দাবি, মনকে কষ্ট দিয়ে আর যাই হোক, শরীরকে ঠিক রাখা যায় না!

kareena kapoor khan

ফলে এক সাক্ষাৎকারে খোলাখুলি জানিয়েছেন করিনা, তৈমুরকে জন্ম দেওয়ার আগে যেমন তিনি খাওয়ার ব্যাপারে কোনো বিধিনিষেধ মানেননি, তেমনই ছেলের জন্মের পরেও তা মানার দরকার বোধ করেননি!

“বিশ্বাস করুন, আমি আমার জীবনে কোনো দিন চিনি ছাড়া চা বা কফি খাইনি! আর চিনি মানে চিনি, সুগার ফ্রি নয়”, বলছেন নায়িকা। আর সেই সঙ্গেই ওজন ঠিক রাখতে হলে চা-কফি থেকে চিনি ছেঁটে ফেলতে হবে- এই কিংবদন্তিটাও ভেঙে দিচ্ছেন চুরমার করে! সঙ্গে এটাও জানাতে ভুলছেন না, মাতৃত্বকালীন সময়ে তিনি রোজ কী খেতেন!

“তৈমুরের জন্মের সময়ে আমি রোজ বোঁদের লাড্ডু, ঘিয়ের পরোটা আর ভাত খেতাম! সঙ্গে আর যা যা মন চাইত! কেন না, আমি জানতাম, সন্তানের পুষ্টির জন্য আমার ঠিক ভাবে খাওয়া-দাওয়া করা দরকার! তবে তৈমুরের জন্মের পরেও কিন্তু আমার খাদ্যাভ্যাস খুব একটা বদলায়নি। এখনও ভালো মতোই ঘিয়ের খাবার খেয়ে থাকি”, বলছেন তিনি!

kareena kapoor khan

তবে, এই প্রসঙ্গে একটা কথা না বললেই নয়। করিনা যা খুশি খেতে বলছেন ঠিকই, কিন্তু একটা শর্ত মেনে। “খাওয়া নিয়ে বাছবিচার করলে আখেরে ওজন কমানোর চক্করে অসুস্থ হয়ে পড়তে পারেন। তাই মন ভরে খান- যা খুশি! কিন্তু একগাদা নয়। সব কিছুই খান অল্প করে! তাতে মনও ভরে, পেটও ভরবে আর শরীরে বাড়তি মেদও জমবে না। আর হ্যাঁ, রোজ সকালে এক গেলাস করে দুধ খান। সেটাও শরীরকে পুষ্টি দেবে, কিন্তু মেদ জমতে দেবে না”, বক্তব্য নায়িকার!

কী ভাবছেন? নায়িকার পরামর্শ মেনে দেখবেন না কি?

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here