লকডাউন : কী করে সময় কাটাবেন বাড়িতে, জেনে নিন ৮টি পদ্ধতি

0

ওয়েবডেস্ক : লকডাউন চলছে, কী ভাবে সময় কাটাবেন বুঝতে পারছেন না? যদি ওয়ার্ক ফ্রম হোম হয় তা হলে এক রকম। কিন্তু তা-ও না যদি না থাকে তা হলে তো আরও বিরক্তিকর। পাড়ায় বেরিয়ে যে বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দেবেন তা-ও সম্ভব নয়। কারণ সেটা করা উচিত নয়। তাই এই লকডাউনের সময় কী ভাবে কাটাবেন তার কিছু আইডিয়া রইল আপনার জন্য।

ওয়ার্ক ফ্রম হোম

ওয়ার্ক ফ্রম হোম হলে অফিসের মতোই নির্দিষ্ট সময় কাজে বসে পড়ুন। আলাদা যদি ঘরের ব্যবস্থা থাকে তা হলে তো খুব ভালো। ঠিক অফিসের সময় কাজে বসে পড়ুন। বাড়ির সদস্যদের জানিয়ে দিন আপনি বাড়িতে থাকলেও অফিস করেছেন। তাই অফিসের নির্দিষ্ট সময়ে কাজ শুরু করুন। মাঝে অফিসের টিফিন টাইমেই খেতে যান। বাড়িতে আছেন বলে পেট ভরে ভাত খাবেন না। অফিসের মতোই টিফিন খাওয়ার চেষ্টা করুন। তা হলে বাকি সময়টা ভালো ভাবে কাজ করতে পারবেন। ক্যাজুয়াল পোশাক না পরে চেষ্টা করুন অফিসে যে পোশাক পরে যান সেগুলি পরার।

নিয়মিত ব্যায়াম করুন

দিনরাত বাড়িতে আছেন বলে এই সময়ে ব্যায়ামের বেশি প্রয়োজন। যারা জিম বা অন্য কোনো ওয়ার্কআউটের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তারা অবশ্যই বাড়িতে কিছু ফ্রি হ্যান্ড বা কার্ডিও করতে পারেন। এতে শরীর ফিট থাকে, মনও ভালো থাকে। তা ছাড়া অফিসে যাওয়া হচ্ছে না বলে হাঁটাচলা হচ্ছে না। তাই ঘরের মধ্যেই বেশ খানিকটা সময় ধরে হাঁটুন। এতে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে।

মেডিটেশন

টানা দিনের পর দিন ঘরের মধ্যে থাকলে একঘেয়ে লাগতে পারে। তাই মেডিটেশন এবং প্রাণায়ম করুন। এগুলি নিয়মিত করতে করতে একে অভ্যাসে নিয়ে যান। লকডাউন মিটে গেলেও অভ্যাসটা বজায় রাখুন।

বই পড়ুন

কথায় বলে বই সব চেয়ে ভালো বন্ধু। এই সময় বাড়িতে বই পড়তে পারেন। সময়ের অভাবে যে বইগুলি পড়া হয়নি সেগুলি এই সময় পড়ে ফেলতে পারেন। লাইব্রেরিতে গিয়ে বই না আনতে পারলেও অনলাইনে বই পড়তে পারেন।

প্যাশনকে আঁকড়ে ধরুন

কাজের চাপে যে প্যাশন চাপা পড়ে গিয়েছিল তাকে আবার বার করুন। যদি ছবি আঁকতে ভালো লাগে, তবে এই সময় আবার শুরু করুন। হারমোনিয়ামটায় পুরু ধলো পড়ে গিয়েছে? ওটা বার করুন। ধুলো ঝাড়ুন। আবার রেওয়াজ করতে বসুন। এই অভ্যেসটা লকডাউনের পরও থেকে যেতে পারে।

রান্নার নতুন নতুন এক্সপেরিমেন্ট করুন

ঘরের মধ্যে যে শাকসবজি আছে তা দিয়েই নতুন নতুন রেসিপি বানানোর চেষ্টা করুন।

বেশি খাবেন না

বাড়িতে আছেন বলে টুকটাক মুখ চলতে থাকল তা করবেন। সময় মেনে খান। অনর্থক ওজন বাড়িয়ে লাভ নেই। এই সময় সুস্থ থাকাটাও খুব জরুরি।

গান শুনুন

একটি নির্দিষ্ট সময় আপনার পছন্দের শিল্পীর গান শুনুন। এতে মন ভালো থাকবে।

মাথায় রাখবেন, বাড়িতে আছেন বলে শুয়ে বসে সময় কাটাবেন না। সময়টা আরও বেশি কী করে কাজে লাগানো যায় তার পরিকল্পনা করুন। সামাজিক যোগাযোগ বন্ধ হয়েছে তো কী হয়েছে, ফোন তো খোলা আছে। ফোনে বন্ধুদের খোঁজ খবর নিন। ভালো থাকুন। সুস্থ থাকুন।

------------------------------------------------
সুস্থ, নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার স্বার্থে খবর অনলাইনের পাশে থাকুন।সাবস্ক্রাইব করুন।
সুস্থ, নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার স্বার্থে খবর অনলাইনের পাশে থাকুন।সাবস্ক্রাইব করুন।
সুস্থ, নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার স্বার্থে খবর অনলাইনের পাশে থাকুন।সাবস্ক্রাইব করুন।
সুস্থ, নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার স্বার্থে খবর অনলাইনের পাশে থাকুন।সাবস্ক্রাইব করুন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.