Connect with us

শরীরস্বাস্থ্য

মাস্ক পরার সময় কী করবেন আর কী করবেন না?

Published

on

স্মিতা দাস

দেশের অর্থনীতিকে বাঁচাতে লকডাউনের মধ্যে আনলক করা শুরু হল। ধীরে ধীরে শুরু হচ্ছে স্বাভাবিক রোজনামচা। কিন্তু সব কিছু স্বাভাবিক হলেও কিন্তু কিছুই স্বাভাবিক নয়। কারণ এখনও পাওয়া যায়নি করোনাভাইরাসের কোভিড ১৯-র কোনো রকম প্রতিষেধকই। তাই মুখে মাস্ক রাখাটা আবশ্যক। কিন্তু রাস্তার দিকে তাকালেই এক অদ্ভুত দৃশ্য সচেতন মানুষকে আতঙ্কিত করবেই। রাস্তায় বিভিন্ন বয়সের বহু মানুষকেই দেখা যাবে যাদের মুখ মাস্কের বালাই-ই নেই। আবার এমন বহু মানুষকে দেখা যাবে যাদের মুখে মাস্ক থাকা বা না থাকা দুই একই ব্যাপার। তাদের মুখে মাস্কের স্থান হয় গলায়। কেউ বা অপরিষ্কার হাতেই বারংবার মাস্ক নাকে টানে আবার তা খুলে যায়। কারোর তো নাক খোলা রেখে মাস্ক শুধু ওষ্ঠদ্বয়কে আবৃত করে।

এই রকম ভাবে মাস্ক পরা আর না-পরা দুই-ই কিন্তু সমান। মাস্ক পরা উচিত উপযুক্ত পদ্ধতি মেনে, বিজ্ঞান সম্মত ভাবে। তা না হলে এক দিন হয়তো মনে হতে পারে মাস্ক তো ব্যবহার করেছি, তা হলেও এমন বিপদ ঘটল কী ভাবে?

আজ বরং সহজ কথায় দেখে নেওয়া যাক মাস্ক ঠিক কী ভাবে পরা উচিত আর কী ভাবে নয়? অর্থাৎ মাস্ক ব্যবহারের উপযুক্ত পদ্ধতি –

কী কী করবেন

১। মাস্ক ধরার আগে হাত ভালো করে সাবান জল দিয়ে ধুয়ে নিন। সুতরাং যেখানে সেখানে যা হোক হাতেই মাস্ক টেনে খোলা বা টেনে পরার অভ্যাস সম্পূর্ণ বর্জন করুন।

২। মাস্কটি ছেঁড়া অথবা ময়লা কিনা দেখে নিন। এর কোনোটি হলেই তা বাতিল করুন। একটি পরিষ্কার ও অক্ষত মাস্ক পরুন।

৩। এ বার এই পরিস্থিতির সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ শর্তই হল ঢলঢলে নয় একটি ফিটিং অর্থাৎ মুখের সঙ্গে আঁট হয়ে চেপে থাকবে এমন একটি মাস্ক পরা দরকার। কোনো রকম ফাঁক যেন না থাকে। ফাঁক থেকে গেলেই মাস্ক পরার প্রয়োজনীয়তা পূর্ণ হবে না। সুতরাং গলায় বা মুখের নীচে মাস্ক পরার কোনো অর্থই হয় না।

৪। দ্বিতীয় শর্ত হল মাস্ক পাতলা ফিন ফিনে হলে চলবে না। তা হতে হবে তিন স্তর বিশিষ্ট একটু মোটা ধরনের। দরকারে একাধিক মাস্ক ব্যবহার করতে পারেন।

৫। মাস্ক খোলার সময়ও হাত যথাযথ ভাবে পরিষ্কার করে নিতে হবে। সাবান জল বা স্যানিটাইজার ব্যবহার করতে হবে।

৬। এর পর কানের বা মাথার পিছনে থাকা ফিতে ধরে মাস্কটি খুলতে হবে। সুতরাং রাস্তাঘাটে যা হোক হাতে বারবার মাস্ক খুলে ফেলা আর পরে ফেলা অস্বাস্থ্যকর।

৭। মাস্কটি ধোয়া সম্ভব না হলে স্যানিটাইজার ব্যবহার করুন। তা না হলে তা ঘণ্টা দুয়েক রোদে দিয়ে তুলে রাখুন। এ ক্ষেত্রে ভেতরের অংশে হাত না দেওয়াই ভালো। তুলে রাখার ক্ষেত্রে একটি পরিষ্কার প্ল্যাস্টিকের ব্যাগ ব্যবহার করুন।

৮। মাস্ক ধোয়া গেলে অবশ্যই গরম জলে সাবান গুলে তাতে ধুয়ে নিন।

৯। মাস্ক মুখ থেকে খোলার পর হাত সাবান জলে ধুয়ে নিন।

আরও দেখুন – বাড়িতে করোনা রোগীর দেখাশোনা কী ভাবে করবেন?

কী কী করবেন না?

১। ঢিলেঢালা মাস্ক ব্যবহার করবেন না।

২। পাতলা মাস্ক ব্যবহার করবেন না।

৩। মাস্ক পরার সময় নাক বের করে রাখবেন না।

৪। এক মিটারের মধ্যে কেউ থাকলে মাস্ক খুলবেন না।

৫। শ্বাস নিতে কষ্ট হয় এমন মাস্ক ব্যবহার করবেন না।

৬। আপনার ব্যবহার করা মাস্ক অন্যকে ব্যবহার করতে দেবেন না। নিজেও অন্য কারো ব্যবহার করা মাস্ক পরবেন না।

অবশ্যই জেনে নিন ফেস মাস্ক নাকি ফেস শিল্ড কোনটি বেশি নির্ভরযোগ্য

Advertisement
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

শরীরস্বাস্থ্য

আই2পিওর ভারতে এল আই2কিয়োর হিসাবে

চরিত্রে অ্যালকোহল-যুক্ত স্যানিটাইজারের থেকে আলাদা এই আই2কিয়োর। এই দ্রবণ ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া আর ছত্রাকের বিরুদ্ধে ১২ ঘণ্টার জন্য সম্পূর্ণ সুরক্ষা দেয়।

Published

on

I2Cure
আই2কিয়োর।

খবরঅনলাইন ডেস্ক: ভারতের বাজারে এল আই2কিয়োর (I2Cure) – হাত সুস্থ রাখার শ্রেষ্ঠতম দ্রবণ। বিশ্বব্যাপী কোভিড (Covid 19) অতিমারির সময়ে জৈবপ্রযুক্তি কোম্পানি আই2পিওর (I2Pure) ভারতে এল আই2কিয়োর হিসাবে। আণবিক আয়োডিনের জৈব কীটনাশক গুণকে তুলে ধরেছে আই2পিওর কোম্পানি।

আই2-এর প্রতিষ্ঠাতা ড. জ্যাক কেসলারের (Dr. Jack Kessler) মস্তিষ্কপ্রসূত আই2কিয়োর। এই আই2কিয়োর তৈরি হয়েছে ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন-এর (FDA) বিধি মেনে। ISO 9001:2015 শংসাপত্র পেয়েছে এই দ্রবণ এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) গুড ম্যানুফ্যাকচারিং প্র্যাকটিস (GMP) দ্বারা প্রশংসিত হয়েছে দ্রবণটি।

নিজের আবিষ্কারের জন্য ড. জ্যাক কেসলারের প্রায় ২৬টি পেটেন্ট আছে। যেগুলোর জন্য পেটেন্ট-এর আবেদন করা হয়েছে, কিন্তু এখনও মেলেনি সেগুলোও ধরা হয়েছে এই হিসাবে। তা ছাড়া এর মধ্যে সেগুলোও রয়েছে যেগুলো ইউনাইটেড স্টেটস পেটেন্ট অ্যান্ড ট্রেডমার্ক অফিস (United States Patent and Trademark Office, USPTO) স্বীকার করেছে।

আই2কিয়োর একটি জৈবসুরক্ষা প্রদানকারী বিষক্রিয়ানাশক লোশন এবং সহজ, একক ব্যবহারে বিশাল ভাবে অণুজীব দমনকারী। এই আই2কিয়োর কোভিড ১৯-এর বিরুদ্ধে আয়োডিনের সুরক্ষা দেয়। চরিত্রে অ্যালকোহল-যুক্ত স্যানিটাইজারের থেকে আলাদা এই আই2কিয়োর। এই দ্রবণ ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া আর ছত্রাকের বিরুদ্ধে ১২ ঘণ্টার জন্য সম্পূর্ণ সুরক্ষা দেয়। তা ছাড়া আয়োডিন ত্বককে পুষ্টিও জোগায় এবং আর্দ্র রাখে।

ভারতের বাজারে আই2কিয়োর-এর আগমন প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে, ড. জ্যাক কেসলার বলেন, “জীবাণুদের বিরুদ্ধে একটা ক্ষণস্থায়ী ও উপর-উপর সুরক্ষা দেওয়া নয়, পৃথিবীকে তার চেয়েও অনেক বেশি সুরক্ষা দেওয়ার লক্ষ্যে এই আই2কিয়োর প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। এই সাফল্যকে সম্পূর্ণ করতে, আমরা একটা দ্রবণ তৈরি করেছি যার পেছনে রয়েছে বহু বছরের গবেষণা। এর ফলে অদৃশ্য আণুবীক্ষণিক শত্রুদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে এই দ্রবণ আমাদের সুবিধাজনক জায়গায় পৌঁছে দিয়েছে। আই2কিয়োর অন্যান্য দ্রুত সমাধান দেওয়া স্থানিক জীবাণুনাশক-এর মতো নয়। অ্যালকোহলের পরিবর্তে এতে ব্যবহার করা হয় আণবিক আয়োডিন, যাতে ত্বক সুস্থ থাকে। আই2কিয়োর-এর পেটেন্ট করা আণবিক আয়োডিন দ্রবণটি ত্বকে শোষিত হয় এবং তার পর বাষ্প রূপে নির্গত হয় যা আপনার হাতের ত্বককে অণুজীবহীন করে রাখে ১২ ঘণ্টার জন্য।”

আই2কিয়োর-এর সিইও ডগলাস স্পিৎজ (Douglas Spitz) bolen, “আমরা যারপরনাই ভাবে চেষ্টা করছি এমন দ্রবণ তৈরি করার যা অদৃশ্য, আণুবীক্ষণিক শত্রুদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে আমাদের এগিয়ে দেবে। আই2কিয়োর-এ আমরা একটা বিপ্লব আনতে চেয়েছিলাম হাতের সুরক্ষার ক্ষেত্রে এবং আমরা তা করেছি। আমরা আণবিক আয়োডিন দিয়ে স্থানিক জীবাণুনাশক তৈরি করেছি। আয়োডিন অন্যতম পুরোনো এবং কার্যকর অণুজীবনাশক পদার্থ যা চিকিৎসা ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়৷ ত্বকে মুক্ত আণবিক আয়োডিন দেওয়ার মধ্য দিয়ে আমরা আয়োডিনের কার্যকারিতা নিয়ে কিছু ধাপ এগিয়েছি। আর একটা মোদ্দা কথা হল, আয়োডিনের বিরুদ্ধে কোনো ব্যাকটেরিয়া বা ভাইরাস বাঁচে না, তাই কোনো ড্রাগ-রোধী প্যাথোজেন তৈরি হয় না।”

খবরঅনলাইনে আরও পড়তে পারেন

সুস্থতা বাড়লেও কলকাতা-সহ রাজ্যের ৮ জেলার কোভিড-পরিস্থিতিই এখন উদ্বেগের

Continue Reading

শরীরস্বাস্থ্য

আপনি কি কোনো কারণে হতাশা বা ডিপ্রেশনে ভুগছেন? বুঝবেন এই লক্ষণগুলি থেকে: পর্ব ১

অনেকের মধ্যেই কোনো না কোনো কারণে কমবেশি ডিপ্রেশন বা অবসাদ কাজ করছে।

Published

on

খবর অনলাইন ডেস্ক : ব্যস্ততাময় প্রতিযোগিতার জীবন, সঙ্গে বর্তমান পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতি। তার ওপর ব্যক্তিগত জীবনের নানান টানাপোড়েনের কারণে ডিপ্রেশন এখন একটা খুব সাধারণ ব্যাপারে পরিণত হয়েছে। অনেকের মধ্যেই কোনো না কোনো কারণে কমবেশি ডিপ্রেশন বা অবসাদ কাজ করছে

ডিপ্রেশন থেকে অনিদ্রা, হাইপারটেনশন, ডায়াবেটিস, ব্লাড প্রেশার, থাইরয়েড, ক্যানসার-সহ বহু জটিল রোগ দেখা দিচ্ছে। শুধু তাই নয়, আত্মহত্যার চেষ্টাও বেড়ে যাচ্ছে। অপরাধ, অনৈতিক কাজ, নেশা করার মতো ঘটনাও ঘটছে।

এ ক্ষেত্রে ডিপ্রেশনে আছেন কিনা জানাটা সব চেয়ে বেশি জরুরি। তবেই তার থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করা যাবে। কী কী থেকে বুঝবেন ডিপ্রেশন, হতাশা বা অবসাদে ভুগছেন কি না?

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, লক্ষণগুলি হল

১। হঠাৎ হঠাৎ মুড পরিবর্তন

হঠাৎ হঠাৎ মুড পরিবর্তন হল খুবই সাধারণ একটি লক্ষণ। বিষয়টি জানা থাকলে এর থেকে ডিপ্রেশনকে চিহ্নিত করা যায়। না হলে নয়। কখনও খুশি কখনও মন খারাপ। কখনও ভালো কখনও খারাপ। এ বেলা আনন্দে, ও বেলা মানসিক যন্ত্রণায়।

২। জীবন নিয়ে দৃষ্টিভঙ্গি

জীবনের উপলব্ধি ঠিক ভাবে হয় না। কখন মনে হয় কিছু নেই, কেউ নেই, এই জীবনের অর্থ হয় না। আবার কখনও মনে হয় এই বেশ ভালো আছি।

৩। উদাসীনতা

জীবনের প্রতি উদাসীনতা। নিজের বর্তমানে সন্তুষ্ট না থাকা, খালি মনে হওয়া এটা আমার জন্য নয়, অন্য কিছু হওয়ার ছিল, করার ছিল, পাওয়ার ছিল যার কিছুই হয়নি।

৪। জীবনকে বোঝা মনে হয়

কোনো কিছুই যেন ভালো লাগে না। জীবনটাকেই অর্থহীন, উদ্দেশ্যহীন মনে হয়। মনে হয় এর এ বার শেষ হলে বাঁচি। এই জীবনকে বয়ে নিয়ে যেতে হবে আর কত দিন?

৫। লোকের সমালোচনা সহ্যের ক্ষমতা

কেউ কিছু বললে সহজেই মাথা গরম হয়ে যাওয়া। সমালোচনা সহ্য করতে না পারা। অল্পতেই মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে উত্তেজিত হয়ে যাওয়া।

৬। শরীরে নানান রকমের হরমোনের প্রতিক্রিয়া

অতিরিক্ত মানসিক চাপ, চিন্তা ইত্যাদি থেকে শরীরে নানা হরমোনের বিরূপ প্রতিক্রিয়া ঘটতে শুরু হয়। তার থেকে অহেতুকই শরীরে নানান কষ্ট হতে থাকে। শ্বাসকষ্ট, মাথাঘোরা, খাবারে অরুচি, অনিদ্রা ইত্যাদি।

৭। মানসিক ফোবিয়া

কোনো একটি বিশেষ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মানসিক আঘাত পেলে, সেই ঘটনার অকারণ কল্পনায় বা অতীত ঘটনার স্মৃতি মনে করে বা ঘটনা পরম্পরাটি বিশ্লেষণ করে বার বার মানসিক চাপ বা ফোবিয়া হওয়া। তার থেকেও নানান শারীরিক সমস্যা হওয়া।

৮। ভয়, আতঙ্ক, ভেঙে পড়া

অন্ধকার, জন্তু জানোয়ার, পোকা, আগুন, জল ইত্যাদিতে ভয়। যে কোনো কিছুতেই আতঙ্ক। বারবার স্নান করা, হাত-পা ধোওয়া, থেকে থেকে কান্না পাওয়া ইত্যাদি। বসে বসে চিন্তা করা ও উত্তেজনা, অল্পতেই ঘাবড়ে যাওয়া, ভেঙে পড়া অবসাদের লক্ষণ।

এর পরের পর্বে আরও কিছু লক্ষণ নিয়ে আলোচনা করা হবে।

পড়ুন – হাঁপানির সমস্যা? জেনে নিন কী কী খাবেন আর খাবেন না

Continue Reading

শরীরস্বাস্থ্য

হাঁপানির সমস্যা? জেনে নিন কী কী খাবেন আর খাবেন না

Published

on

খবর অনলাইন ডেস্ক : হাঁপানি পুরোপুরি সেরে যাওয়া সব ক্ষেত্রে সম্ভব নয়। ইনহেলার বা ওষুধের সাহায্যে হাঁপানি কিছু সময়ের জন্য কম থাকে। কিছু কিছু খাবারে অ্যালার্জি থেকেও অনেক সময় হাঁপানি হতে পারে। তাই এই সমস্যা থাকলে সামলে বুঝে চলতে হয়। কিন্তু কিছু নিয়ম মেনে চললে অবশ্যই এটি নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।

হাঁপানির জন্য উপকারী খাবার

১। হলুদ

হলুদের জীবাণুনাশকারী ক্ষমতা তীব্র, তাই হাঁপানি হলে খাবারে হলুদের পরিমাণ বেশি খেলে এ সমস্যায় কিছুটা উপকার হবে।

২। কলা

কলায় হাই ফাইভার আছে। তাই স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী। পাশাপাশি হাঁপানি রোগীদের জন্যও কলা খাওয়া খুবই ভালো। অনেক সময় চিকিৎসকরা হাঁপানি রোগীদের নিয়মিত কলা খাওয়ার পরামর্শ দেন। বিশেষজ্ঞরা বলেন, প্রতি দিন একটি কলা খেলে ৩৪% পর্যন্ত হাঁপানি সেরে কমে যেতে পারে।

৩। পালং শাক

পালং শাকে ভিটামিন সি, ভিটামিন ই, বিটা ক্যারোটিন ও ম্যাগনেসিয়াম থাকে। তাই হাঁপানি রোগীদের পালং শাক খাওয়া খুবই ভালো।

৪। আভোকাডো

ফুসফুসের স্বাস্থ্যের জন্য আভোকাডো বিশেষ ভূমিকা পালন করে। ফলে এটি হাঁপানির ক্ষেত্রেও বেশ ভালো।

৫। আপেল

ফুসফুসকে রোগের হাত থেকে রক্ষা করতে আপেল খুবই ভালো। তাই হাঁপানির ক্ষেত্রে প্রতি দিনের খাবারের তালিকায় একটি আপেল রাখা ভালো।

এ ছাড়াও হাঁপানি রোগীদের পুষ্টিকর, সুষম ও হালকা মশলার খাবার খাওয়া উচিত। লাল বা হলুদ সবুজ অর্থাৎ রঙিন শাক সবজি এ ক্ষেত্রে খুবই ভালো। এ সব খাবারে প্রচুর বিটা ক্যারোটিন থাকে। এই বিটা ক্যারোটিন ফুসফুসকে শক্তিশালী করে। এ ছাড়া মারজারিন ও অলিভ অয়েলে ভিটামিন সি ও ভিটামিন ই আছে, এগুলি ফুসফুসকে সুস্থ রাখে।

যে সব খাবার খাবেন না

১। দুধ

ক্যালসিয়ামের প্রয়োজনে দুধ খাওয়া উচিত ঠিকই, কিন্তু যাদের হাঁপানির সমস্যা রয়েছে তাদের না খাওয়াই ভালো। কারণ এর মধ্যে থাকা প্রোটিন এই সমস্যা বাড়িয়ে দিতে পারে।

২। ডিম

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার হাঁপানির সময় যত না খাওয়া যায় ততই ভালো। তাই ডিম না খাওয়া ভালো। ডিমের সাদা অংশে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন থাকে। প্রোটিন অ্যালার্জি তৈরি করে ফলে হাঁপানি সমস্যা বাড়াতে পারে।

৩। চিনাবাদাম

চিনাবাদামেও প্রচুর প্রোটিন আছে। তাই হাঁপানি রোগীদের জন্য এই চিনাবাদাম ভালো নয়। চিনাবাদামও হাঁপানি সমস্যা বাড়িয়ে দিতে পারে।

৪। আলুর চিপস

দোকান থেকে কেনা ফ্রোজেন ফ্রেঞ্চ ফ্রাই, আলু চিপস ইত্যাদি ডিহাইড্রেটেড হয়ে থাকে। হাঁপানি সমস্যা এগুলি বাড়িয়ে দিতে পারে।

৫। সয়াবিন

আরও একটি প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার সয়াবিন। সয়াবিনে অ্যালার্জিক প্রোটিন রয়েছে এটি হাঁপানি বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।

হাঁপানি হলে ঠান্ডা ও ধুলোবালি, পোষা প্রাণী ইত্যাদি এড়িয়ে চলতে হবে। তা না হলে হাঁপানি বাড়তে পারে। তবে হ্যাঁ হাঁপানি বা যে কোনো রোগের ক্ষেত্রেই কোন খাবার খাবেন বা খাবেন না তা নিয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চলাই ভালো। কারণ শরীরে অন্য কোনো রোগ বা সমস্যা থাকলে সেই অনুযায়ী খাদ্য তালিকা নির্ধারিত হয়।

পড়ুন – জলে বাড়বে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা! চমকপ্রদ তথ্য বিশেষজ্ঞের

Continue Reading
Advertisement
Kings XI Punjab vs MUmbai Indians
ক্রিকেট5 hours ago

রাজস্থানের পর এ বার মুম্বইয়ের কাছেও আটকে গেল পঞ্জাব

I2Cure
শরীরস্বাস্থ্য7 hours ago

আই2পিওর ভারতে এল আই2কিয়োর হিসাবে

Covid situation kolkata
রাজ্য8 hours ago

সুস্থতা বাড়লেও কলকাতা-সহ রাজ্যের ৮ জেলার কোভিড-পরিস্থিতিই এখন উদ্বেগের

শিল্প-বাণিজ্য2 days ago

সরষের তেল থেকে এলপিজি হয়ে ড্রাইভিং লাইসেন্স, কাল থেকে যে ১০টি নিয়ম বদলে যাচ্ছে

Coronavirus durga puja
দেশ2 days ago

ওনামেই বিপদ বাড়ল কেরলের, পুজোর আগে শিক্ষা নিতে হবে পশ্চিমবঙ্গকে

Rapes in India
দেশ2 days ago

দৈনিক ৮৭টি ধর্ষণের ঘটনা ভারতে, চাঞ্চল্যকর তথ্য এনসিআরবির

Uttar Pradesh Police
দেশ2 days ago

আটকে রাখা হল পরিবারকে, ঘেঁষতে দেওয়া হল না সংবাদমাধ্যমকে, হাতরাসের তরুণীর শেষকৃত্য করল পুলিশ

corona
দেশ2 days ago

নতুন আক্রান্তের সংখ্যা কিছুটা বাড়লেও সুস্থ হলেন আরও বেশি মানুষ, সক্রিয় রোগী আরও কমল ভারতে

দেশ2 days ago

কোভিড আপডেট: নতুন করে আক্রান্ত ৮০৪৭২, সুস্থ ৮৬৪২৮

covid peak india
দেশ3 days ago

১৮ সেপ্টেম্বরের পর থেকে সক্রিয় রোগীর গ্রাফ নিম্নমুখী, কোভিডের চূড়া কি অবশেষে পেরোল ভারত?

coronavirus
দেশ3 days ago

দেশে নতুন কোভিড-আক্রান্তের সংখ্যা গত ২৮ দিনের মধ্যে সর্বনিম্ন, ব্যাপক পতন মৃত্যুর সংখ্যাতেও

দুর্গা পার্বণ3 days ago

করোনাকালে আড়ম্বর থাকবে না, তবুও থাকবে চমক তেলেঙ্গাবাগানের পুজোয়

Coronavirus west bengal
দেশ3 days ago

বুধবারের মধ্যেই জারি হবে আনলক ৫-এর নির্দেশিকা, কী কী ছাড় মিলতে পারে এ বার?

Mamata Banerjee
রাজ্য3 days ago

‘গুরুপদ সিনহার মৃত্যু পশ্চিমবঙ্গের আলু ব্যবসায়ীদের জন্য অপূরণীয় ক্ষতি’, শোকপ্রকাশ মুখ্যমন্ত্রীর

প্রযুক্তি3 days ago

গাড়ির কাগজ থেকে ই-চালান, নয়া মোটর ভেহিকল আইনের পরিবর্তনগুলি আপনার জেনে রাখা উচিত

InSight
বিজ্ঞান3 days ago

মঙ্গলগ্রহের বুকে আরও তিনটে হ্রদের খোঁজ পেলেন বিজ্ঞানীরা

কেনাকাটা

কেনাকাটা2 days ago

পুজো কালেকশনের ৮টি ব্যাগ, দাম ২১৯ টাকা থেকে শুরু

খবর অনলাইন ডেস্ক : এই বছরের পুজো মানে শুধুই পুজো নয়। এ হল নিউ নর্মাল পুজো। অর্থাৎ খালি আনন্দ করলে...

কেনাকাটা3 days ago

পছন্দসই নতুন ধরনের গয়নার কালেকশন, দাম ১৪৯ টাকা থেকে শুরু

খবর অনলাইন ডেস্ক : পুজোর সময় পোশাকের সঙ্গে মানানসই গয়না পরতে কার না মন চায়। তার জন্য নতুন গয়না কেনার...

কেনাকাটা6 days ago

নতুন কালেকশনের ১০টি জুতো, ১৯৯ টাকা থেকে শুরু

খবর অনলাইন ডেস্ক : পুজো এসে গিয়েছে। কেনাকাটি করে ফেলার এটিই সঠিক সময়। সে জামা হোক বা জুতো। তাই দেরি...

কেনাকাটা1 week ago

পুজো কালেকশনে ৬০০ থেকে ১০০০ টাকার মধ্যে চোখ ধাঁধানো ১০টি শাড়ি

খবর অনলাইন ডেস্ক: পুজোর কালেকশনের নতুন ধরনের কিছু শাড়ি যদি নাগালের মধ্যে পাওয়া যায় তা হলে মন্দ হয় না। তাও...

কেনাকাটা1 week ago

মহিলাদের পোশাকের পুজোর ১০টি কালেকশন, দাম ৮০০ টাকার মধ্যে

খবরঅনলাইন ডেস্ক : পুজো তো এসে গেল। অন্যান্য বছরের মতো না হলেও পুজো তো পুজোই। তাই কিছু হলেও তো নতুন...

কেনাকাটা2 weeks ago

সংসারের খুঁটিনাটি সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে এই জিনিসগুলির তুলনা নেই

খবরঅনলাইন ডেস্ক : নিজের ও ঘরের প্রয়োজনে এমন অনেক কিছুই থাকে যেগুলি না থাকলে প্রতি দিনের জীবনে বেশ কিছু সমস্যার...

কেনাকাটা2 weeks ago

ঘরের জায়গা বাঁচাতে চান? এই জিনিসগুলি খুবই কাজে লাগবে

খবরঅনলাইন ডেস্ক : ঘরের মধ্যে অল্প জায়গায় সব জিনিস অগোছালো হয়ে থাকে। এই নিয়ে বারে বারেই নিজেদের মধ্যে ঝগড়া লেগে...

কেনাকাটা3 weeks ago

রান্নাঘরের জনপ্রিয় কয়েকটি জরুরি সামগ্রী, আপনার কাছেও আছে তো?

খবরঅনলাইন ডেস্ক: রান্নাঘরের এমন কিছু সামগ্রী আছে যেগুলি থাকলে কাজ করাও যেমন সহজ হয়ে যায়, তেমন সময়ও অনেক কম খরচ...

কেনাকাটা3 weeks ago

ওজন কমাতে ও রোগ প্রতিরোধশক্তি বাড়াতে গ্রিন টি

খবরঅনলাইন ডেস্ক : ওজন কমাতে, ত্বকের জেল্লা বাড়াতে ও করোনা আবহে যেটি সব থেকে বেশি দরকার সেই রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা...

কেনাকাটা4 weeks ago

ইউটিউব চ্যানেল করবেন? এই ৮টি সামগ্রী খুবই কাজের

বহু মানুষকে স্বাবলম্বী করতে ইউটিউব খুব বড়ো একটি প্ল্যাটফর্ম।

নজরে