সুস্থ কোষের ক্ষতি না করেই ক্যানসার কোষ ধ্বংস রেডিওথেরাপিতে, গবেষণা

0
cancer
প্রতীকী ছবি

ওয়াশিংটন : আর সুস্থ কোষের ক্ষতি নয়। বাছাই করে শুধু মাত্র ক্যানসার আক্রান্ত কোষেরই ক্ষতি করা যাবে। এমনটিই উঠে আসছে একটি গবেষণার ফলাফল থেকে। ‘সাইন্টিফিক রিপোর্টস’ নামক একটি পত্রিকায় এই গবেষণা পত্রটি প্রকাশিত হয়েছে। গবেষণাটি পরিচালনা করেছেন, অধ্যাপক ডিনো জারজিনস্কি।  

এই গবেষণায় বলা হয়েছে, রেডিয়েশন বা ক্যানসারের চিকিৎসায় ব্যবহৃত উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন এক্স রে শরীরের মধ্যে ছোট্টো একটি বিন্দুতে প্রবেশ করানো হয়। এটি ঘাতক টিউমার বা ক্যানসার আক্রান্ত অংশটিকে একদম সঠিক ভাবে চিহ্নিত করতে পারে। এই রশ্মি নির্দিষ্ট ভাবে কেবলমাত্র সেই ক্ষতিগ্রস্থ এলাকাকেই ধ্বংস করতে পারে। তার থেকে বেশি কোনো জায়গার ক্ষতি না করেই। অর্থাৎ সুস্থ কোষের কোনো প্রকার ক্ষতি না করেই।

উল্লেখ্য, ক্যানসারের চিকিৎসায় প্রয়োজন অনুযায়ী উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন রশ্মি খুব ক্ষুদ্র ভগ্নাংশে বিভক্ত হয়ে শরীরের মধ্যে বিকিরিত হয়। যার দ্বারা কর্কট আক্রান্ত কোষ নিহত হয়। এই রশ্মি রোগীর শরীরে চিকিৎসার প্রয়োজন অনুযায়ী বেশ কয়েক সপ্তাহ ধরে টানা প্রয়োগও করা হয়।

আরও পড়ুন – গলার শব্দ শুনে মোবাইল অ্যাপ বলে দেবে আপনি অবসাদগ্রস্ত কি না!

অধ্যাপক ডিনো বলেন, জনসংখ্যার প্রায় অর্ধেক মানুষই জীবনের কোনো না কোনো সময়ে এই রোগে আক্রান্ত হবে। তাঁদের অনেকেরই চিকিৎসা হবে শুধু রেডিওথেরাপি, অথবা শুধু কেমোথেরাপি, আবার রেডিওথেরাপি ও কেমোথেরাপি মিলিয়ে।

ডিনো বলেন, সে ক্ষেত্রে রেডিওথেরাপির সময় একটা বড়ো চ্যালেঞ্জ হল, আশেপাশের কোষের ক্ষতি না করে শুধু ক্যানসার কোষ ধ্বংস করা। খুব নিখুঁত ভাবে কাজটি করতে হয়। যাতে সুস্থ কোষ একটিও নষ্ট না হয় তা নিশ্চিত করতে হয়। এই রে দেওয়ার সময় টিউমারকে লক্ষ্য করে বিভিন্ন কৌণিক দূরত্ব থেকে তা প্রয়োগ করা হয়।

তিনি বলেন, এই গবেষণায় দেখা গিয়েছে টিউমারের চারপাশে সুস্থ কোষের দিকে এই রশ্মির পরিমাণ খুব সহজেই কমিয়ে ফেলা যায়। তার সঙ্গে মূল ক্ষতিগ্রস্ত স্থানের ওপর বেশি করে মনোনিবেশ করতে পারা যায়।

রেডিওথেরাপির সময় প্রোটন ও আয়ন কণা ব্যবহার করা হলে তার থেকে সুফল পাওয়া যায়। এতে করে খুব ছোট্টো জায়গার মধ্যে রশ্মিকে সীমাবদ্ধ রাখা যায়।

গবেষণাটির সঙ্গে যুক্ত ডাঃ এনরিকো ব্রুনেটি বলেন, এই থেরাপি পুরোটাই গাণিতিক ও জ্যামিতিক হিসাবনিকাশের সঙ্গে যুক্ত। তার উপরেই নির্ভর করে এই উচ্চ শক্তির রশ্মি কণা শরীরে প্রয়োগের পরিমাণের বিষয়টি।

ব্রেস্ট ক্যানসারে আক্রান্ত কি না তা খুঁজে পাওয়ার নতুন উপায় আবিষ্কৃত। কী সেই ব্যবস্থা জানতে হলে পড়ুনকয়েক মিনিটের মধ্যে ক্যানসার নির্ণয়ে জ্যাকেটই যথেষ্ট!

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here