অ্যালঝাইমার রোগের চিকিৎসার ক্ষেত্রে নতুন দিগন্ত খুলে যাওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।

মানবমস্তিষ্কে কতকগুলি বিশেষ ধরনের প্রোটিন জমাট বেঁধে অ্যামিলয়েড বিটা প্লাক তৈরি করে। এই অ্যামলিয়েড বিটাই হল অ্যালঝাইমার রোগের মূল কারণ। এর ফলেই স্মৃতিভ্রংশ হয়। বিজ্ঞানীরা গবেষণা করে দেখেছেন, পি-৬২ নামের এক ধরনের বহুমুখী প্রোটিন অ্যালঝাইমার সৃষ্টিকারী অ্যামলয়েড বিটার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করে এবং তা কমিয়েও আনে।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনা স্টেট ইউনিভার্সিটির  অন্যতম গবেষক সালভাতোর ওডো  জানান, মস্তিষ্কে যদি পি-৬২ প্রোটিনের পরিমাণ বাড়ানো যায় তা হলে  অ্যালঝাইমার রোগ উপশম করার ক্ষেত্রে তা ভালো ফল দেবে। 

বর্তমানে অ্যালঝাইমার রোগের কোনও ফলদায়ী চিকিৎসা নেই। এই রোগের ফলে মস্তিষ্কের স্নায়ুকোষ-কলার মৃত্যু ঘটে। ফলে মস্তিষ্ক তার স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা হারায়।  তীব্র মস্তিষ্ক বিভ্রম হয়। স্মৃতিশক্তি, বুদ্ধি, চিন্তাশক্তি নষ্ট হয়। এমনকি নতুন স্মৃতিও ধরে রাখতে পারে না।

মলেকিউলার সাইকিয়াট্রি জার্নালে এই গবেষণার বিষয়টি প্রকাশিত হয়েছে। নিবন্ধে বলা হয়েছে, অ্যালঝাইমারের উপশম তখনই সম্ভব যখন মস্তিষ্কে অ্যামিলয়েড বিটার পরিমাণ কমানো যায়। এবং এই অ্যামলিয়েড বিটার পরিমাণ কমানোর ক্ষেত্রে বড়ো ভূমিকা পালন করে পি-৬২ প্রোটিন। গবেষণা চলাকালীন ইঁদুরের ওপর এই প্রোটিনের প্রভাব পরীক্ষা করে দেখা হয়েছে এবং তার রোগ মুক্তির লক্ষণগুলিও স্পষ্ট  হয়ে উঠেছে।

 

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here