মাত্র ৫টি সহজ টোটকা! তা হলেই বেড়ে যাওয়া ওজন কমতে শুরু করবে

0
over-weight
প্রতীকী ছবি

ওয়েবডেস্ক: ওজন কমানো নিয়ে মানুষের মাথাব্যথার অন্ত নেই। তা অবশ্যই ভালো কথা। কারণ মোটা শরীর নানান রোগের আঁতুড় ঘর। তার মধ্যে অন্যতম হল হাঁটুর ব্যথা। তা ছাড়া হাজারটা রোগ তো আছেই। সে কথা বলার নয়। তবে সমস্যা হল, এক সপ্তাহ বা দুই সপ্তাহের মধ্যে কেজি-কেজি ওজন কমিয়ে ফেলার বাসনা। এই বাসনা তো পূর্ণ হয়ই না। উলটে মনবল ভেঙে যায়।

তাই বলি কী, দ্রুত ওজন কমাব, এমন চিন্তা মাথায় না রাখাই ভালো। বরং স্বাস্থ্য সম্মত ভাবে, নিজের শরীর সুস্থ রেখে ওজন কমাব, এমন ইচ্ছা মনে নিয়ে এগিয়ে চলাই বাঞ্ছনীয়।

Loading videos...

আর হ্যাঁ, এই ওজন কমাতে গেলে একটু কষ্ট তো করতেই হবে। তাই কষ্ট হচ্ছে দেখে হাল ছেড়ে দিলে হবে না। পদ্ধতিগুলি কঠোর ভাবে পালন করতেই হবে। তা হলে ওজন যেমন কমবে বাড়বে ত্বকের জেল্লাও।

১) ফাস্টফুড খাওয়া বন্ধ –

প্রথমেই যেটি করতে হবে, তা হল ফাস্টফুড খাওয়া এক্কেবারে বন্ধ করতে হবে অন্তত পক্ষে কয়েক মাসের জন্য। অবশ্যই কঠোর ভাবে। তার পর পনেরো দিনে একবার ফাস্টফুড খাওয়া যেতে পারে।

২) ঘুম থেকে চটপট ওঠা –

তার পর যে কথা বলার তা হল কষ্ট করে রোজ একটু ভোর বেলা ঘুম থেকে উঠে পড়তে হবে। বেরিয়ে পড়তে হবে হাঁটতে। তারও একটি বিশেষ পদ্ধতি আছে। তা হল প্রথম ২৫-৩০ মিনিট সাধারণ ভাবে হাঁটতে হবে। তারপর ১০-১৫ মিনিট খুব দ্রুত হাঁটতে হবে।

৩) মিষ্টি জাতীয় খাবার বন্ধ –

মিষ্টি জাতীয় খাবারে শর্করা থাকে আর তাতে ওজনও বাড়ে। তাই ওজন কমানোর কথা মাথায় এলে অবশ্যই চিনি বা অন্যান্য মিষ্টি খাওয়া বন্ধ করতে হবে। তাতে ওজন আরও বাড়া বন্ধ হবে।

৪) নিয়মিত ব্যায়াম –

ওজন কমাতে হলে, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিয়ে যে সব ব্যায়ামে ওজন কমানো যাবে, তা নিয়মিত অভ্যাস করতে হবে। এতে অনেকটা উপকার হবে।

৫) পাতিলেবু গরম জল –

ওজন কামানোর জন্য খুব প্রচলিত একটি টোটোকা হল আধ কাপ ঈষদুষ্ণ গরম জলে একটা আস্ত পাতি লেবুর রস খেয়ে ফেলা। এতে খুব চটপট মেদ কমতে শুরু করে। এটি খেতে হবে সকাল বেলা, ঘুম থেকে ওঠার পর।

তবে সব ক’টি নিয়ম এক সঙ্গে করতে পারলেই ফল মিলবে। তা না হলে খাপছাড়া চেষ্টা কিন্তু কোনো ফলই দেবে না। তার সঙ্গে একটি কথা অবশ্যই মনে রাখতে হবে ওজন কমানোর জন্য খাবার খাওয়া বন্ধ করলে হবে না। বরং খাবারের সমান পরিমাণ রেখে তা ভাগ করে তিন বার বা চার বারের বদলে ছয় বারে খেতে হবে। অর্থাৎ খাবারের মোট পরিমাণকে তিনের বদলে ছয়বারে খেতে হবে। তার মানে হল অল্প অল্প করে, বারে বারে।

তা হলে আর অপেক্ষা কেন? কাল সকাল থেকেই শুরু করে দিন। দেখবেন কঠোর ভাবে এই পদ্ধতিগুলি মেনে চললে হাতেনাতে ফল মিলবেই!   

ওজন কমানোর আরও পদ্ধতি জানতে ক্লিক করুন

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন