ওয়েবডেস্ক : ভাত ভালোবাসেন এমন মানুষের সংখ্যাটা খুব একটা কম নয়। কিন্তু তাঁদের মধ্যে অনেকেই আছেন যাঁরা কিনা মোটা হয়ে যাচ্ছেন বলেন মন খারাপও করেন। তাঁদের উদ্দেশে বলি ভাত খেলে মোটা হওয়া একটা সাধারণ ব্যাপার। শুধু মন খারাপ করলেই হবে না। মোটা হওয়া আটকাতে গেলে খারাপ করতে হবে অভ্যাসটাকেও। না না তেমন কিছু না। যেটা করতে হবে সেটা হল ভাত ছেড়ে ধরতে হবে রুটি। ব্যাস। তা হলেই দেখবেন আপনার সমস্যা মানে মোটা ভাব ধীরে ধীরে গায়েব।

আসল ব্যাপারটা হল এই দু’য়ের খাদ্যগুণে।

গম আর চালের খাদ্যগুণই আপনাকে রোগা বা মোটা করে।

খেয়াল করে দেখবেন, ভাত খাওয়ার কিছুক্ষণ পরই আপনার মনটা কেমন যেন খাই খাই করে। কিন্তু যে দিন রুটি খান তার অনেকক্ষণ পর পর্যন্ত আর খিদেই পায় না।

আরও পড়ুন : ‘রোগা হওয়ার সহজ উপায়’, মিস করলেই ফসকে যাবে কিন্তু

আসলে গমে আছে প্রচুর পরিমাণ প্রোটিন, ফাইবার, ক্যালসিয়াম, সোডিয়াম ইত্যাদি। ভাতে কিন্তু ক্যালসিয়াম এক্কেবারেই নেই। তা ছাড়া পুষ্টিগুণের দিক থেকেও ভাতের থেকে রুটি অনেকটা এগিয়ে।

ভাতে ক্যালোরি বেশি। তাই মোটা করে তাড়াতাড়ি। কিন্তু গমের ক্যালোরির পরিমাণ কম।

তা ছাড়া গমে আছে প্রচুর পরিমাণে আয়রন, ফসফরাস আর পটাসিয়ামও। আর ভাতে? না, পটাশিয়াম আর ফসফরাসের পরিমাণ খুবই কম।

এ ছাড়াও যেটা গুরুত্বপূর্ণ সেটা হল গম সুগার লেভেল নিয়ন্ত্রণ করে। কিন্তু ভাতে সুগারের পরিমাণ বাড়ে।

তাই এখন থেকে পারলে নিয়ম করে রুটি খাওয়া শুরু করুন। তবে হ্যাঁ। দিনে চারটে রুটিই যথেষ্ট। তেমন হলে মাল্টিগ্রেন আটার রুটিও খেতে পারেন। আর যদি ভাত নেহাতই না ছাড়াতে পারেন, তা হলে জী আর করবেন সাদা  চাল ছেড়ে কালো চালের ভাত খেয়ে দেখতে পারেন।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here