heart
dr. dipankar ghosh
দীপঙ্কর ঘোষ

ধরুন আপনার বুকে ব‍্যথা হয়। তার পর ধরুন আপনার ইসিজি, রক্ত পরীক্ষার সব রিপোর্ট স্বাভাবিক। আপনি সুরাসক্ত নন, ভাজা কিংবা ভুজি কিছুই খান না। তবুও জোরে হাঁটলে বা সিঁড়ি বেয়ে উঠলে আপনার হৃদয়ে চাপ লাগে – রবীন্দ্রনাথের ভাষায় পাঁজঞ্জুরিতে তিড়িতাংক লাগে। সে ক্ষেত্রে আপনার কী করা উচিত অথবা কী করলে আপনি এ রকম অবস্থায় পড়তেন না সেটা কী জানতে চান? কিংবা ধরুন,  হ‍্যাঁ মশাই ধরেই ফেলুন যে আপনি ঘন ঘন মূর্ছা যান, কিন্তু আপনার ইসিজি স্ক্যান শুগার নর্ম‍্যাল তা হলে আপনার কি হবে?  জানতে হলে পরবর্তী অংশটি পড়ে ফেলুন।

আরও পড়ুন: স্বাস্থ্য সাবধান : হার্ট অ্যাটাক, কী করে বুঝবেন ? কী করবেন ?

আজ্ঞে কমিশন টমিশন নেই পুরোটাই আপনার জীবনের জন্যে – বাঁচার জন্য। প্রথম পরিস্থিতিতে হতেই পারে আপনার ধমনী যে পরিমাণ বন্ধ হয়েছে তাতে আপনার শোয়া অবস্থায় হৃদয়ে রক্ত ঠিকমতো চলছে কিন্তু হাঁটা চলার সময়ে রক্ত এবং অক্সিজেন কম যাচ্ছে। সুতরাং আরও পরীক্ষানীরিক্ষা এবং অ্যাঞ্জিওপ্লাস্টি বা বাইপাস। সুতরাং ডাক্তার এবং খরচ – অবশ্যই আপনার সু্স্থ থাকার জন্য।

অথবা আপনার হঠাৎ করে চোখের সামনেটা অন্ধকার হয়ে যাচ্ছে এবং আপনি দুম করে পড়ে যাচ্ছেন অথবা পড়ো পড়ো হয়ে যাচ্ছেন – এই সব ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় পরীক্ষানিরীক্ষা করাবেন ডাক্তারবাবু এবং তাপ্পর অ্যাঞ্জিওপ্লাস্টি না বাইপাস নাকি পেসমেকার;  সেটাও তাঁরাই ঠিক করবেন।

আপনার কাজ শুধু রক্তবাহী নালিগুলোকে পরিষ্কার রাখার জন্য চেষ্টা করা আর নিয়মিত – আজ্ঞে হ‍্যাঁ নিয়মিত ডাক্তার দেখানো।

শেষে আবার বলে রাখি বাজারের খবর অনুযায়ী কিন্তু বন্ধ হয়ে যাওয়া হৃদপিণ্ডের ধুকপুকানি কোনো যন্ত্র দিয়েই আর শুরু করা যায় না। সুতরাং সাধু, থুড়ি, স্বাস্থ্য সাবধান।

আরও পড়ুন: স্বাস্থ্য সাবধান: শরীরের পাইপলাইন ও দু’ চার কথা

(লেখক একজন সাধারণ চিকিৎসক)

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here