ওয়েবডেস্ক: এই প্রথম কোনও ওষুধের সঙ্গে সেন্সর সংযুক্ত রাখার ছাড়পত্র মিলল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে। ড্রাগের নাম এবিলিপাইম্যাকসাইট অ্যারিপিপ্রাজোল। স্কিজোফ্রেনিয়া বা বাইপোলার ডিসঅর্ডারের মতো মানসিক রোগে দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহার করা হচ্ছে এই ড্রাগ। এখন থেকে এই ড্রাগের যে কোনো ট্যাবলেটের সঙ্গে থাকবে একটি সেন্সর। রোগীর অনুমতি নিয়ে সেই ট্যাবলেট শরীরে প্রবেশ করানোর ঘণ্টা দুয়েকের মধ্যেই কাজ শুরু করবে ওষুধের ডিজিটাল ট্র্যাকিং ব্যবস্থা। ওষুধটি কখন নেওয়া হয়েছে, আদৌ নেওয়া হয়েছে কিনা, হয়ে থাকলে শরীরের মধ্যে তার অবস্থান কী, সব ধরা পড়ে যাবে চিকিৎসকের কাছে।

রোগীর দেহের পাকস্থলী রসের সংস্পর্শে এলেই সক্রিয় হয়ে উঠবে সেন্সর। মানসিক অসুস্থতা থাকলে রোগী নিয়মিত ওষুধ খেতে চান না। সে ক্ষেত্রে সেন্সরের মাধ্যমে রোগীর দেহে ওষুধের অবস্থান সম্পর্কে সব তথ্য তাঁর মোবাইলে চলে আসবে। রোগীর অনুমতি থাকলে এই সব তথ্য চিকিৎসকের মোবাইলেও চলে আসবে। স্বভাবতই চিকিৎসার পরবর্তী ধাপ নির্ধারণে খুবই কার্যকর হবে এই ব্যবস্থা।

তবে একই সঙ্গে উঠে আসছে বিরুদ্ধ মতও। ট্যাবলেটের সঙ্গে সেন্সর সংযুক্ত থাকলে প্রশ্নের মুখে আসতে পারে রোগীর গোপনীয়তার অধিকার। চিকিৎসার স্বার্থে হলেও সেটি কতটি নৈতিক তা নিয়ে ভিন্ন মত রয়েছে বিশেষজ্ঞ মহলে।