Connect with us

শরীরস্বাস্থ্য

করোনা থেকে বাঁচতে গ্লাভস পরা, নাকি খালি হাত! কোনটি বেশি নিরাপদ?

খবর অনলাইনডেস্ক : করোনোভাইরাসের সঙ্গে মোকাবিলা করতে চলছিল লকডাউন। এখন লকডাউনে কিছু ছাড় মিলতেই বাইরে বেরোনোর হিড়িক বেড়েছে। কেউ দরকারে তো কেউ বিনা দরকারে বাইরে বেরোচ্ছেন। তাদের মধ্যে কেউ কেউ হাতের সুরক্ষার কারণে গ্লাভস ব্যবহার করছেন। তাতে হাত সরাসরি ভাইরাসের সংস্পর্শে আসে না ঠিকই কিন্তু দীর্ঘ সময় একটি গ্লাভস ব্যবহার করছেন। সেটি কতটা নিরাপদ?

প্রথম বিষয়

{ "slotId": "6629201461", "unitType": "responsive", "pubId": "pub-3207145692559075", "resize": "auto" }

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গ্লাভস পরার কারণে মন অনেকটা নিশ্চিন্ত হয়ে যাচ্ছে। ফলে সচেতনতা শিথিল হচ্ছে।

দ্বিতীয়

তাঁরা আরও বলছেন যে, গ্লাভস সিলিকন, রাবার, প্ল্যাস্টিক এমন কিছু সামগ্রী দিয়ে তৈরি। এই সব উপাদানেই কোভিড ১৯-এর ভাইরাস দীর্ঘ সময় জীবিত থাকে। ফলে তা অনেক বেশি দুশ্চিন্তার।

তৃতীয়

গ্লাভস পরা হাতে খেয়ালে বেখেয়ালে শরীরের অন্য কোনো অংশে হাত দিলে সেই অংশও ভাইরাসের সংস্পর্শে চলে আসে ফলে সংক্রমিত হওয়ার আশঙ্কা বেড়ে যায়। এমনকি দূষিত গ্লাভস থেকে যেখানে ভাইরাস বা ড্রপলেট নেই সেখানেও ভাইরাসটি ছড়িয়ে যাওয়ার আশঙ্কা বেড়ে যায়।

চতুর্থ

হাত খালি থাকলে বারে বারে হাত স্যানিটাইজ করার প্রবণতা তৈরি হয়। কিন্তু গ্লাভস পরা হাতে আর তা করার কথা মনে হয় না। ফলে গ্লাভসে জমতে থাকে জীবাণু।

পঞ্চম

গ্লাভস খোলার পরও অনেকে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলেন না। গ্লাভস পরা ছিল তার মানে হাত পরিষ্কার এই ভেবে হাত পরিচ্ছন্ন না করেই যে কোনো কিছুতে হাত দেওয়া, খাবার খাওয়ার প্রবণতা দেখা যায়। এটি ঠিক নয়।

ফলে দেখা যাচ্ছে গ্লাভস মানুষকে অসচেতন করছে। তা ছাড়া গ্লাভস খোলার পদ্ধতিও অনেকেই জানেন না। গ্লাভস খুলতে হয় হাতের কবজির সামনের গ্লাভসের অংশ দুই আঙুলে টেনে। তার পর সেই ব্যবহার করা গ্লাভস নির্দিষ্ট মুখবন্ধ পাত্রে ফেলে দিতে হবে। তা না হলে সেই গ্লাভস অন্যের সংস্পর্শে এসে জীবাণু ছড়াবে। তা ছাড়া গ্লাভস খোলার পরও হাত ভালো করে স্যানিটাইজ করতে হবে অথবা সাবানজল দিয়ে ধুতে হবে।

সুতরাং সামগ্রিক দিক থেকে দেখা যাচ্ছে গ্লাভস পরার পর স্বাস্থ্যবিধি না মানতে পারার থেকে ভালো খালি হাতে অর্থাৎ গ্লাভস না পরে বাইরে বেরোনো। তাতে করে বার বার হাত স্যানিটাইজ করা যাবে। সচেতনতাও বজায় থাকবে। সঙ্গে সুরক্ষাও। বাড়ি এসে ২০ সেকেন্ড সাবান দিয়ে ঘষে জল দিয়ে ধুয়ে নিলেই হাত পরিষ্কার হয়ে যাবে।

অবশ্যই দেখুন – মাস্ক পরার সময় কী করবেন আর কী করবেন না?

কেনাকাটা

হ্যান্ড স্যানিটাইজারে ৩১ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় দিচ্ছে অ্যামাজন

অনলাইনে খুচরো বিক্রেতা অ্যামাজন ক্রেতার চাহিদার কথা মাথায় রেখে ঢেলে সাজিয়েছে হ্যান্ড স্যানিটাইজারের সম্ভার।

ওয়েবডেস্ক: হ্যান্ড স্যানিটাইজার এখন সর্বজনীন! করোনাভাইরাস সংক্রমণ এড়াতে সাধারণ সাবান ব্যবহারের কথা বললেও ব্যবহারের সহজ পদ্ধতির জন্য অ্যালকোহল-ভিত্তিক হ্যান্ড স্যানিটাইজার (alcohol based hand sanitizers) এখন হয়ে উঠেছে নিত্যক্ষণের সঙ্গী।

অনলাইনে খুচরো বিক্রেতা অ্যামাজন (Amazon) ক্রেতার চাহিদার কথা মাথায় রেখে ঢেলে সাজিয়েছে হ্যান্ড স্যানিটাইজারের সম্ভার। কোনো কোনোটির উপর আবার ৩১ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় দিচ্ছে সংস্থা। দেখে নিন তাঁর মধ্যে থেকেই বাছাই করা কয়েকটি। দামের উপর ক্লিক করে এখান থেকেই কিনে ফেলতে পারেন নিজের পছন্দেরটি।

{ "slotId": "6629201461", "unitType": "responsive", "pubId": "pub-3207145692559075", "resize": "auto" }

পামোলিভ (Palmolive)

পামোলিভ অ্যান্টিব্যাক্টিরিয়াল হ্যান্ড স্যানিটাইজার। ৭২ শতাংশ অ্যালকোহল ভিত্তিক। ৫০০ মিলি।

দাম: ২১২ টাকা। ১৫ শতাংশ ছাড়।

ট্রাই-অ্যাকটিভ (Tri-Active)

ট্রাই-অ্যাকটিভ ইনস্ট্যান্ট হ্যান্ড স্যানিটাইজার। ৭২ শতাংশ অ্যালকোহল। ২৫০ মিলি।

দাম: ১৯৯ টাকা। ২০ শতাংশ ছাড়।

হিমালয়া (Himalaya)

হিমালয়া পিওরহ্যান্ড স্যানিটাইজার। ৫০০ মিলি।

দাম: ২২৫ টাকা। ১০ শতাংশ ছাড়

ডাবর (Dubur)

ডাবর স্যানিটাইজ হ্যান্ড স্যানিটাইজার। অ্যালকোহল-ভিত্তিক। ৫০০ মিলি।

দাম: ২২৫ টাকা। ১০ শতাংশ ছাড়

ডাবর (Dabur)

ডাবর স্যানিটাইজ ওয়াই-হ্যান্ড স্যানিটাইজার। অ্যালকোহল-ভিত্তিক। ৫০০ মিলি।

দাম: ১৯১ টাকা। ১৫ শতাংশ ছাড়

মেডিকার (Medikar)

মেডিকার হ্যান্ড স্যানিটাউজার। ৭০ শতাংশ অ্যালকোহল-ভিত্তিক। ৫০০ মিলি।

দাম: ২২৫ টাকা। ১০ শতাংশ ছাড়।

লাইফবয় (Lifebuoy)

লাইফবয় অ্যালকোহল বেসড অ্যান্টি জার্ম হ্যান্ড স্যানিটাইজার। ৫০০ মিলি।

দাম: ১৭২ টাকা। ৩১ শতাংশ ছাড়

বোরোপ্লাস (Boroplus)

বোরোপ্লাস অ্যাডভান্স অ্যান্টি-জার্ম হ্যান্ড স্যানিটাইজার। ২০০ মিলি।

দাম: ৯৫ টাকা। কোনো ছাড় নেই।

আরিয়ানভেদা (Aryanveda)

আরিয়ানভেদা বডিগার্ড হ্যান্ড স্যানিটাইজার। প্রতি বোতলে ৫০ মিলি (মোটি ২৪টি বোতলের প্যাক)।

দাম: ৪৭৯ টাকা। ২০ শতাংশ ছাড়

*৫ জুলাই উল্লেখিত দাম।

Continue Reading

শরীরস্বাস্থ্য

কোমরের পেছনের মেদ কমান এই ব্যায়ামগুলির সাহায্যে

খবর অনলাইন ডেস্ক : পেটের দুই পাশে ও কোমরের পিছনের দিকে মেদ জমেছে? কীভাবে কমাবেন ভেবে পাচ্ছেন না? চিন্তা করবেন না। শরীরের এই অংশের মেদ কমানোর জন্যও রয়েছে বেশ কয়েকটি সহজ ব্যায়াম। সেগুলি নিয়মিত করলেই এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন

প্রথমে জেনে নেওয়া যাক শরীরের এই অংশে কেন মেদ জন্মায় –

১। হাইপো থাইরয়েডের কারণে মেটাবলিজম রেট কমে যাওয়ার ফলে

{ "slotId": "6629201461", "unitType": "responsive", "pubId": "pub-3207145692559075", "resize": "auto" }

২। শারীরিক পরিশ্রম কম করলে বা না করলে

৩। ফ্যাট, সুগার ও ক্যালোরি সম্পন্ন খাবার বেশি খাওয়ার কারণে

৪। অতিরিক্ত মাত্রায় কর্টিজল হরমোনের কারণে

৫।  অনিয়মিত ঘুমের কারণে।

এই সমস্যাগুলির কারণে তৈরি মেদ কমানো যায় এই ব্যায়ামগুলির সাহায্যে –

রাশিয়ান টুইস্ট –

এই ক্ষেত্রে টুইস্ট করতে হয় তবে বসে। প্রথমে মাটিতে বসতে হবে। তার পর ৪৫ ডিগ্রি হেলে যেতে হবে তার পর দুই পা ভাঁজ করতে হবে। এই অবস্থায় মাটি থেকে পা তুলে রাখতে হবে। এ বার কোমরের উপরের অংশ টুইস্ট করতে হবে হাত দু’টি এক সঙ্গে। অর্থাৎ এক বার বাঁ দিক তার পর ডান দিক ঘুরতে হবে। পা তুলে করতে না পারলে প্রথম প্রথম পা মাটিতে ভাঁজ করা অবস্থায় রেখেও করা যাবে। এটি ২০ বার করতে হবে।

বাই সাইকেল ক্রাঞ্চেস –

প্রথমে মাটিতে শুতে হবে। এর পর দুই পা ভাঁজ করতে হবে। এ বার মাথা পিঠসমেত মাটি থেকে তুলতে হবে। এর পর মাথার পেছনে দুই হাত রেখে শরীর ডান বাঁয়ে ঘোরাতে হবে। সঙ্গে পা সাইকেল চালানোর মতো চালনা করতে হবে। মনে রাখতে হবে ডান দিকে বেঁকলে বাঁ পা লম্বা হবে, বাঁ দিকে বেঁকলে ডান পা লম্বা হবে। এই ভাবে ২০ বার করতে হবে।

উড চপার্স –

দুই পা অল্প ফাঁক করে দাঁড়িয়ে হাঁটু সামান্য ভেঙে এই ব্যায়াম করতে হয়। এর জন্য দুই হাত এক সঙ্গে করে ডান দিকের কান বরাবর ওপর থেকে বাঁ দিকের নীচে কোমরের পাশ পর্যন্ত ঘুরিয়ে আনতে হবে। নীচে আনার সময় ডান পায়ের হাঁটু ঘুরিয়ে সামান্য ভাঁজ হবে। ঠিক যেন কুড়ুল দিয়ে কাঠ কাটার ভঙ্গি। এই ভাবে ২০ বার টানা করার পর উলটো দিকে একই ভাবে ২০ বার করতে হবে।   

আরও পড়ুন – মেদহীন দেহ পেতে সহজ ৩টি ব্যায়াম

Continue Reading

শরীরস্বাস্থ্য

ব্রকলি খাবেন কেন? তার ২২টি কারণ জেনে নিন

খবরঅনলাইন ডেস্ক: কপি জাতীয় সবজির মধ্যে অন্যতম হল ব্রকলি। বিদেশি সবজি হলেও আজকাল এ দেশেও উৎপাদন হচ্ছে। বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে সবুজ রঙের সবজিটি। আগে কন্টিনেন্টাল জাতীয় খাবারেই এর ব্যবহার ছিল। এখন নিজের পছন্দের মশলায় আর সবজির মেলবন্ধনে অনেক রান্নাঘরেই নতুন নতুন স্বাদের সৃষ্টি করে এই সুস্বাদু ও পুষ্টিকর খাবারটি।

রান্নার পদ্ধতি যা-ই হোক, খাবারটির পুষ্টিগুণ খাদ্যগুণই হল আসল। সে দিক থেকে ব্রকলির দর কিছু কম নয়। এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম, আয়রন, ম্যাগনেসিয়াম, নানান ধরনের ভিটামিন, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, অ্যান্টি ইনফ্লামেটরি উপাদান। সঙ্গে ক্যালোরির পরিমাণও খুবই কম। ফলে এটি নিয়মিত খেলে এর উপকারিতা শরীর ও স্বাস্থ্যকে সমৃদ্ধ করে।

{ "slotId": "6629201461", "unitType": "responsive", "pubId": "pub-3207145692559075", "resize": "auto" }

এখন বরং দেখে নেওয়া যাক ব্রকলি নিয়মিত খেলে কী কী উপকার হয় –

১। ক্যানসার প্রতিরোধে –

ব্রকলির গুনাগুণ ক্যানসার রোধ করতে পারে। একই সঙ্গে এটি ইমিউন পাওয়ার অর্থাৎ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। ব্রকলি শরীরে ইস্ট্রোজেনের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। তাতে সহজে ক্যানসার বাসা বাঁধতে পারে না। ব্রকলি জরায়ু এবং স্তন ক্যানসার, মুখের ক্যানসার প্রতিরোধ করার ক্ষেত্রে খুবই কার্যকর।

দেখুন – ক্যানসার চিকিৎসার ক্ষেত্রে এ এক যুগান্তকারী আবিষ্কার

২। কোলেস্টেরল কমাতে –

শরীর থেকে ক্ষতিকারক কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে ব্রকলি। কারণ, এর মধ্যে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকে যা দ্রবণীয় অবস্থায় থাকে অর্থাৎ এই ফাইবার জলে দ্রাব্য। এই ধরনের ফাইবার শরীর থেকে ক্ষতিকারক কোলেস্টেরল বের করে দেয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, ব্রকলি শরীর থেকে ৬% হারে খারাপ কোলেস্টেরল দূর করতে পারে।

৩। মস্তিষ্কের কার্যকারিতায় –

মস্তিষ্কের কার্যকারিতা উন্নত করা, স্মৃতিশক্তিও রক্ষা করাতেও সক্ষম ব্রকলি। বিশেষজ্ঞরা বলেন, ব্রকলিতে সালফোর‍্যাফেইন নামক একটি শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আছে, তাই প্রতি দিন খেলে তা বয়স বাড়ার ফলে স্মৃতিভ্রম রোধ করতে পারে। এর বায়োঅ্যাক্টিভ কম্পাউন্ড মস্তিষ্কের কার্যকারিতা বাড়ায়।

৪। অ্যালার্জি কমায়

মানবদেহে বিভিন্ন কারণে অ্যালার্জি হয়। অ্যালার্জি এবং প্রদাহজনিত সমস্যা দূর করতে পারে ব্রকলি। কারণ, ব্রকলির মধ্যে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা থ্রি অ্যাসিড রয়েছে, এটি প্রদাহ জনিত সমস্যা দূর করে।

৫। বাতের ব্যথায় –

বাতের সমস্যায় খুব ভালো কাজ দেয়  ব্রকলি। কারণ এতে সালফোরাফেইন উপাদান থাকে। এই উপাদানটি হাড় ক্ষয়ে যাওয়ার রোধ করে।

৬। রক্তশূন্যতা দূর করে –

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এক কাপ বা ১৫৬ গ্রাম রান্না করা ব্রকলিতে আছে ১ মিলিগ্রাম আয়রন। এই পরিমাণ আয়রন প্রতি দিনের প্রয়োজনের ৬% আয়রনের চাহিদা পূরণ করে। আয়রন রক্তশূন্যতা দূর করতে খুব প্রয়োজনীয়। এ ছাড়া ব্রকলিতে আছে প্রচুর ভাইটামিন । এই ভিটামিন সি আয়রন শুষে নিতে শরীরকে সাহায্য করে।

৭। অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের সুফল –

থাকে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট  শরীরকে নানা দিক থেকে সুস্থ রাখে। ব্রকলির মধ্যে থাকা ভিটামিন সি, শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। এ ছাড়াও, ব্রকলির মধ্যে থাকে ফ্ল্যাবোনয়েড। এটি ভিটামিন সি-এর বিপাকে সাহায্য করে। এ ছাড়াও আছে ক্যারোটেনয়েড লুটেইন, জিয়াকজ্যান্থিন, বিটাক্যারোটিন এবং অন্যান্য অ্যন্টিঅক্সিডেন্ট।

পড়তে পারেন – দ্রুত ছড়াচ্ছে গোটা বিশ্বে! কী এই করোনা ভাইরাস?

৮। হাড়ের জন্য –

ব্রকলির মধ্যে থাকে ভিটামিন কে এবং ক্যালসিয়াম। এই দুই উপাদান হাড়ের স্বাস্থ্য বজায় রাখতে সাহায্য করে। পাশাপাশি অস্টিওপোরোসিস হওয়ার আশঙ্কা কমায়। ব্রকলির মধ্যে ক্যালসিয়াম ছাড়াও থাকে ম্যাগনেশিয়াম, জিঙ্ক এবং ফসফরাস। উল্লেখ্য ব্রকলির মধ্যেকার এই সব পৌষ্টিক উপাদান শিশুদের জন্য এবং বয়স্ক মানুষদের জন্য খুবই উপকারি।

উল্লেখ্য অস্টিওপোরোসিস এমন একটি রোগ যা সাধারণত ক্যালসিয়াম এবং  ভিটামিনের অভাবে হয়। এতে হাড়ের ক্ষয় শুরু হয়। হাড় ভঙ্গুর হয়ে পড়ে।  এর সালফোর‍্যাফেইন অস্টিওআর্থ্রাইটিস রোধ করতে পারে।

৯। গর্ভবতী মহিলা ও ভ্রূণের জন্য –

ব্রকলিতে আছে প্রচুর ভিটামিন বি। বিশেষ করে ভিটামিন বি৯ অর্থাৎ ফোলেট। ভ্রূণের মস্তিষ্ক গঠনের জন্য ফোলেট খুব দরকারি। গর্ভাবস্থায় প্রতি দিন ফোলেট যুক্ত খাদ্য খাওয়া ভালো। তাতে মা ও শিশুর স্বাস্থ্য ভালো থাকে। এ ছাড়া যে সকল মা শিশুকে স্তন্যপান করায়, তাদের জন্যও খুবই উপকারী।

১০। হার্ট ভাল রাখতে –

এর খাদ্যগুণ রক্তনালিকে নানান সমস্যায় পড়া থেকে রক্ষা করতে পারে। বিশেষ করে যাদের রক্তে শর্করার মাত্রা বেশি অর্থাৎ, ব্লাড সুগারের সমস্যা রয়েছে তাদের রক্তনালি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা বেশি থাকে। কিন্তু ব্রকলি এই জাতীয় সমস্যাকে প্রতিরোধ করতে পারে। ব্রকলির মধ্যে ফাইবার, ফ্যাটি অ্যাসিড এবং নানান ধরনের ভিটামিন থাকে। এর ফলে, রক্তচাপের সঠিক মাত্রা বজায় থাকে। তা ছাড়া ক্ষতিকারক কোলেস্টেরল রোধ করতে পারে। এই সবই হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখার জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এতে থাকে ভিটামিন বি৬। এই উপাদানটি অথেরোস্ক্লেরোসিস, হার্ট অ্যাটাক এবং স্ট্রোকেরও ঝুঁকি কমায়।

 ১১। ওজন কমাতে –

ওজন কমাতেও সাহায্য করে ব্রকলি। এর মধ্যের প্রচুর পরিমাণে ফাইবার এই ক্ষেত্রে উপকারী। ব্রকলির মধ্যে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন থাকে, যা দেহে প্রোটিনের ঘাটতি কমাতে সাহায্য করে।

পড়ুন – পেটের মেদ কমাতে ৫টি খুব সহজ ব্যায়াম

১২। ক্ষত নিরাময়ে –

এক কাপ ব্রকলিতে যে পরিমাণে ভিটামিন সি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে তা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তুলতে সক্ষম। সঙ্গে শরীরের কাটা অংশ এবং ক্ষত নিরাময়েও কার্যকর ভূমিকা নেয়। ইনডোল-৩-কার্বিনোল নামে একটি অতি শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে ব্রকলিতে। এটি সার্ভিকল ক্যানসার ও অগ্র গ্রন্থির ক্যানসারের ক্ষেত্রে উপকারী। লিভার ফাংশনের উন্নতি করতেও সাহায্য করে।  

১৩। দূষিত পদার্থ দূর করে –

ব্রকলির একাধিক উপকারি উপাদান শরীর থেকে বিষাক্ত উপাদান বের করতে সাহায্য করে।

১৪। কোষ্ঠকাঠিন্য –  

এর মধ্যেকার ফাইবার পরিপাকে ক্রিয়া ভালো করে। ফলে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়। তা ছাড়া রক্তচাপের সঠিক মাত্রা বজায় রাখে। ব্রকলি হল একটি প্রাকৃতিক ডিটক্স, যা পেট এবং পাচনতন্ত্র পরিষ্কার রাখে। এতে প্রচুর ফাইবার ও অ্যন্টি অক্সডেন্ট থাকে বলে তা হজমে সাহায্য করে ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। মলত্যাগের সমস্যা দূর হয়।

১৫। ত্বকের যত্নে –

ব্রকলি শুধু ত্বককে উজ্জ্বল রাখতে নয়, ত্বকের যাতে কোনো ক্ষতি না হয়, তার জন্য প্রতিরোধক্ষমতাও গড়ে তোলে। ব্রকলির মধ্যে প্রচুর পরিমাণে পৌষ্টিক উপাদান ভিটামিন সি, খনিজ উপাদান যেমন জিঙ্ক এবং কপার, ভিটামিন কে, অ্যামিনো অ্যাসিড এবং ফোলেট ইত্যাদি ত্বকের উপকার করে। রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে। ফলে ত্বক উজ্জ্বল হয়।

১৬। চোখের যত্নে –

ব্রকলির মধ্যে প্রচুর পরিমাণে বিটা ক্যারোটিন থাকে। এ ছাড়াও থাকে ভিটামিন এ, ফসফরাস এবং অন্যান্য ভিটামিন যেমন বি কমপ্লেক্স, ভিটামিন সি এবং ই। এই সব উপাদান চোখের ক্ষেত্রে দারুণ ভাবে উপকার করে। এ ছাড়াও, চোখের নানা রকম রোগ এবং সমস্যা দূর করে। এমনকি দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে।

১৭। দাঁত ও মুখের রোগে –

এতে থাকা ভিটামিন সি ও ক্যালসিয়াম দাঁতের রোগের ঝুঁকি কমায়। ব্রকলির ক্যামফেরল নামক ফ্ল্যাভনয়েড পেরিওডেন্টাইটিস রোধ করে। ব্রকলির সালফোর‍্যাফেইন মুখের ক্যানসারেরও আশঙ্কা কমায়।

১৮। বয়স ধরে রাখতে –

ব্রকলির মধ্যে যে সকল অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে, তা শরীরকে বাইরে থেকে শুধু নয় ভিতর থেকেও সুস্থ রাখে। ভিটামিন সি বয়স ধরে রাখে, বিভিন্ন ফ্রি র‍্যাডিকাল প্রতিরোধ করে। এ ছাড়াও ব্রকলি খেলে ত্বকে বলিরেখা, মেচেতা, ব্রণ ইত্যাদি দূর হয়। ব্রকলিতে থাকা গ্লুকোরাফানিন ক্ষতিগ্রস্ত ত্বকের টিসু মেরামত করে। তারুণ্য ধরে রাখে। বুড়িয়ে যাওয়া থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। কারণ বয়স বৃদ্ধির প্রধান কারণ অক্সিডেটিভ স্ট্রেস মেটাবলিক ফাংশান কমে যাওয়া। এর বায়ো অ্যক্টিভ কম্পাউন্ড সালফোর‍্যাফেইন বয়সের বৃদ্ধির গতি কমাতে পারে।

১৯। স্নায়ু ও পেশির জন্য –

ব্রকলিতে রয়েছে অনেক পটাশিয়াম। এই পটাশিয়াম স্নায়ুতন্ত্রের রক্ষণাবেক্ষণ করে, সুস্থ এবং রোগমুক্ত রাখে। তা ছাড়া পেশির বৃদ্ধিকে ত্বরান্বিত করে। অপটিমাল ব্রেন ফাংশন রক্ষণাবেক্ষণের ক্ষেত্রেও এর ভূমিকাও অপরিসীম।

২০। রক্তচাপ –

 এতে ম্যাগনেশিয়াম আর ক্যালশিয়ামও রয়েছে, যা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে।

২১। মধুমেহ –

রক্তের শর্করা নিয়ন্ত্রণে রাখতে ব্রকলি উপকারী। এটি চিনির প্রভাব রোধ করে ও রক্তে শর্করার মাত্রা কম করে।

২২। মানসিক চাপ  –

নিয়মিত ব্রকলি খেলে তার খাদ্য ও পুষ্টিগুণে মানসিক চাপ কম হয়।

আরও পড়ুন – যৌবন ধরে রাখতে চান? এই ৯টি খাবার অবশ্যই খান

Continue Reading
Advertisement
বিনোদন4 hours ago

চলে গেলেন ‘শোলে’-র ‘সুরমা ভোপালি’ জগদীপ

দেশ6 hours ago

জম্মু-কাশ্মীরে বাবা এবং ভাই-সহ বিজেপি নেতাকে গুলি করে মারল জঙ্গিরা

ঝাড়গ্রাম7 hours ago

টানাপোড়েনের অবসান ঘটিয়ে, সক্রিয় রাজনীতিতে লালগড় আন্দোলনের মুখ ছত্রধর মাহাত

দেশ8 hours ago

৮৯টি অ্যাপ ‘নিষিদ্ধ’ করল ভারতীয় সেনা

বিনোদন8 hours ago

সুশান্ত সিং রাজপুতের আত্মহত্যাকাণ্ডে সলমন খান, করন জোহরের বিরুদ্ধে মামলা খারিজ আদালতে

দেশ9 hours ago

উজ্জ্বলা যোজনায় বিনামূল্যের এলপিজি সিলিন্ডার পাওয়ার মেয়াদ বাড়ল আরও তিন মাস

রাজ্য9 hours ago

রেকর্ড বৃদ্ধি, রাজ্যে একদিনে আক্রান্ত প্রায় ১০০০

কলকাতা9 hours ago

অনলাইনে নয়, পড়ুয়াদের জন্য এই বিকল্প পথই বেছে নিয়েছে গড়িয়া স্টেশনের একটি স্কুল

কেনাকাটা

কেনাকাটা1 day ago

বাচ্চার জন্য মাস্ক খুঁজছেন? এগুলোর মধ্যে একটা আপনার পছন্দ হবেই

খবরঅনলাইন ডেস্ক : নিউ নর্মালে মাস্ক পরাটাই দস্তুর। তা সে ছোটো হোক বা বড়ো। বিরক্ত লাগলেও বড়োরা নিজেরাই নিজেদেরকে বোঝায়।...

কেনাকাটা2 days ago

রান্নাঘরের টুকিটাকি প্রয়োজনে এই ১০টি সামগ্রী খুবই কাজের

খবরঅনলাইন ডেস্ক : লকডাউনের মধ্যে আনলক হলেও খুব দরকার ছাড়া বাইরে না বেরোনোই ভালো। আর বাইরে বেরোলেও নিউ নর্মালের সব...

কেনাকাটা4 days ago

হ্যান্ড স্যানিটাইজারে ৩১ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় দিচ্ছে অ্যামাজন

অনলাইনে খুচরো বিক্রেতা অ্যামাজন ক্রেতার চাহিদার কথা মাথায় রেখে ঢেলে সাজিয়েছে হ্যান্ড স্যানিটাইজারের সম্ভার।

কেনাকাটা1 week ago

সময় কাটছে না? ঘরে বসে এই সমস্ত সামগ্রী দিয়ে করুন ডিআইওয়াই আইটেম

খবর অনলাইন ডেস্ক :  এক ঘেয়ে সময় কাটছে না? ঘরে বসে করতে পারেন ডিআইওয়াই অর্থাৎ ডু ইট ইওরসেলফ। বাড়িতে পড়ে...

নজরে