healthy life

ওয়েবডেস্ক: সময় যত বদলাচ্ছে মানুষের জীবনধারাও তত বদলাচ্ছে। তারই সঙ্গে বদলে যাচ্ছে প্রতি দিনের খাদ্যাভ্যাসও। স্বাস্থ্য যদি ভালো না থাকে তা হলে কোনো কাজই পূর্ণতা পাবে না। আমরা কিন্তু এ সব নিয়ে একবারও ভাবি না। কম ওজন না সুষম খাবার, কোনটা ভালো সে-ই নিয়েই আমাদের চিন্তা বেশি। তবে বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য কিন্তু কিছুটা আলাদা। ওজন কমানোর প্রক্রিয়া কিংবা ব্যালেন্সড ডায়েট-এর আগে দরকার নিয়মিত হজমশক্তি বৃদ্ধি করা যাতে যে কোনো পরিস্থিতিতে শরীরের অনিয়ম না হয়। যার জন্য দরকার সঠিক শরীরচর্চা। যা ওজন কমানো বা ব্যালেন্সড ডায়েট-এর থেকে কোনো অংশে কম নয়।

জেনে নিন এমনই কিছু তথ্য:

১। পরিমাণমতো জল খাওয়া এবং ওজন কমানো

শুনতে অবশ্য খুবই সাধারণ কিন্তু এর প্রভাব অবশ্যই বেশি। পরিমাণমতো জল শরীরের হজমশক্তি মজবুত করে তোলে। সঠিক পরিমাণে জল শরীরের রক্ত চলাচলের সঙ্গে ওজনকে নিয়ন্ত্রণ করে। তাই খাবারের পর প্রতি দিন সময়মতো জল খুবই জরুরি।

water

২। রুটিন মাফিক পরিশ্রম

শুধু নিয়ম করে জিমে গেলেই শরীরকে নিয়ন্ত্রিত রাখা যায় না। প্রতি দিনের কাজ সময়ের মধ্যে করলে তা-ও শরীরচর্চার মতোই গুরুত্বপূর্ণ, যা শরীরে অক্সিজেন মাত্রাকে স্বচ্ছল করে তোলে। কাজগুলি যদি সময়মতো বিনা চিন্তায় করা যায়, শরীরকে চাপ না দিয়ে তা হলে জিমের খুব একটা প্রয়োজন হয় না।

workout

৩। সময়মতো খাওয়াদাওয়া

সঠিক সময়ে নিজের খাবার খাওয়া। আমার অনেকেই সময়মতো খাই না, যা শরীরের পক্ষে খুবই ভয়ংকর। সঠিক সময়ে খাবার শরীরের হজমপ্রক্রিয়াকে মজবুত করে তোলে। ফলে ওজন বৃদ্ধি রোধ পায়।

eating

৪। গুরুত্বপূর্ণ খাবার

ফলের থেকে বোধহয় আর কোনো গুরুত্বপূর্ণ খাবার নেই। বিশেষজ্ঞদের মতে কমলালেবু, আপেল, বাদাম ইত্যাদি। শরীরের হজম প্রক্রিয়াকে মজবুত করে তোলে। যার ফলে ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে। তাই শুধু জিমে গিয়ে শরীর বানালেই হবে না, প্রতি দিন খাবারে ফলের উপস্থিত থাকাটা খুবই জরুরি।

apple orange

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন