Connect with us

শরীরস্বাস্থ্য

ডিপ্রেশন থেকে বাঁচাতে কী কী করবেন? পর্ব ১

Published

on

খবর অনলাইন ডেস্ক : এর আগের দুই পর্বে ডিপ্রেশনের লক্ষণগুলি নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। এই পর্বে রইল ডিপ্রেশন থেকে বাঁচার কয়েকটি উপায়। অর্থাৎ ডিপ্রেশন থেকে বাঁচতে কী কী করবেন।

যা করা যেতে পারে—

১। সব কিছু মেনে নেওয়া

প্রথমেই মনে রাখতে হবে বহু মানুষকে নিয়ে জগৎ অর্থাৎ আমাদের চারিপাশ। সেখানে সব কিছুই যে নিজের পছন্দমতো হবে তা আশা করা ভুল। কারণ আশাহত হলেই ইগোয় ধাক্কা লাগে। বা মন ভেঙে যায়। তখন কিছুই আর ভালো লাগে না। ধীরে ধীরে অবসাদ গ্রাস করে। তাই সব কিছুকেই মেনে নেওয়ার মতো মানসিক প্রস্তুতি রাখা দরকার।

২। ইতিবাচক মানসিকতা

ইতিবাচক মানসিকতা থাকলে সহজে মন ভেঙে যায় না। তাই ইতিবাচক অর্থাৎ পজেটিভ এনার্জিকে বাড়াতে হবে। তার জন্য প্রাণায়াম করা যায়।

৩। সকলের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ

সকলের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ থাকা উচিত। তা সে বড়ো হোক বা ছোটো। তা হলে কারোর প্রতি কোনো কারণে বিরক্তি আসবে না। অতিরিক্ত বিরক্তিও আমাদের ভুল পথে চালিত করে।

৪। ছোটোদের দিকে সজাগ দৃষ্টি

ছোটো বা নাবালকদের ক্ষেত্রে বাবা-মায়েদের উচিত তাদের প্রতি যত্নবান হওয়া। সদা সজাগ দৃষ্টি রাখা, প্রয়োজনমতো তাদের সঙ্গ দেওয়া, যাতে তারা একাকিত্বে না ভোগে বা যে কোনো কারণেই হোক ডিপ্রেশনে না চলে যায়।

৫। প্রযুক্তির কারণেও

আজকাল আমরা প্রযুক্তির কারণেও ডিপ্রেশনে ভুগি। কারণ প্রযুক্তি যেমন টিভি, ইন্টারনেট, মোবাইল ইত্যাদির মধ্যে প্রত্যেকেই নিজের একটা আলাদা জগৎ তৈরি করে ফেলে। অনর্গল তাতে মেতে থাকে। ফলে আশেপাশের মানুষজনের সঙ্গে সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়। ফলে ধীরে ধীরে একাকিত্ব এবং তা থেকে ডিপ্রেশন সৃষ্টি হয়। তাই এই সমস্ত কিছু বুদ্ধি দিয়ে কাজে লাগাতে হবে। বাড়াবাড়ি কোনো কিছুই ভালো না।

৬। সুখ ও দুঃখ, দু’টোকেই সমান ভাবে গ্রহণ

সুখ ও দুঃখ দু’টোকেই মন থেকে মেনে নিতে শিখতে হবে। আনন্দে উচ্ছ্বসিত আর দুঃখে ভেঙে পড়ার মানসিকতা ত্যাগ করতে হবে। দু’টোকেই সমান ভাবে গ্রহণ করার জন্য মনের বল রাখতে হবে।

৭। মন সতেজ ও চনমনে রাখা

তা ছাড়া মন সতেজ ও চনমনে থাকলে ডিপ্রেশন সহজে আসতে পারে না। পজিটিভ এনার্জি কাজ করে। তাই যোগাসন, মেডিটেশন করা দরকার। কোনো ভাবে অবসাদগ্রস্ত হলে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিয়ে ওষুধ খাওয়া, কাউন্সেলিং করানো যায়। তাতে আবার সুস্থ জীবন ফিরে পাওয়া যায়।

তবে এখানেই শেষ নয়। ডিপ্রেশনে না পড়া বা তার থেকে মুক্তি পাওয়ার আরও অনেক উপায় আছে পরের পর্বে সেগুলি নিয়ে আলোচনা করব।

পড়ুন -আপনি কি কোনো কারণে হতাশা বা ডিপ্রেশনে ভুগছেন? বুঝবেন এই লক্ষণগুলি থেকে: পর্ব ১

আরও পড়ুন – আপনি কি কোনো কারণে হতাশা বা ডিপ্রেশনে ভুগছেন? বুঝবেন এই লক্ষণগুলি থেকে: পর্ব ২

শরীরস্বাস্থ্য

শ্বাসকষ্ট কেন হয়? জেনে নিন ৯টি কারণ

Published

on

খবরঅনলাইন ডেস্ক: কোভিড পরিস্থিতির জন্য দীর্ঘ দিন ঘরবন্দি থাকা, বাইরে বেরোলে বিশেষ স্বাস্থ্যবিধি অবিরাম মেনে চলা, বাড়ি ফিরেস্যানিটাইজ করার দীর্ঘ পদ্ধতি মেনে চলা, ইত্যাদিতে অনেকেই ক্লান্ত। এই ক্লান্তি শারীরিকের থেকেও বেশি মানসিক। বিশেষজ্ঞরা একে বলছেন, করোনা-ক্লান্তি।  ফলে বাড়ি বসে শরীরের অচলতার কারণে অনেক সমস্যা দেখা দিচ্ছে। মানসিক অ্যাংজাইটি তো আছেই।

এত কথা বলার অন্যতম কারণ হল শ্বাসকষ্ট। এমন অনেকেই আছে যাদের কস্মিনকালেও শ্বাসের সমস্যা ছিল না। কিন্তু বর্তমানে মাঝে মধ্যে শ্বাসের সমস্যা দেখা দিচ্ছে। তার অন্যতম কারণ হিসাবে উঠে আসছে বর্তমান পরিস্থিতির বন্দিদশা ও তার থেকে তৈরি হওয়া মানসিক অস্বস্তি। সেই অস্বস্তি থেকে শ্বাসের সমস্যা। হ্যাঁ, তবে এ কথা কখনওই ঠিক নয় যে শুধু মানসিক অস্থিরতার কারণেই শ্বাসের সমস্যা হয়। শ্বাসের সমস্যা হওয়ার একাধিক কারণ আছে।

শ্বাসকষ্ট এমন একটি রোগ যার কোনো বিধিবদ্ধ সীমারেখা নেই এবং শ্বাসকষ্টের সঠিক কারণ খুঁজে পেতে চিকিৎসকদেরও বেশ নাকাল হতে হয়। 

১। হৃদযন্ত্রের সমস্যা বা হার্টের রোগ এবং তার থেকে হাঁপানির কারণে শ্বাসকষ্ট হয়।

২। কোনো দুঃশ্চিন্তার কারণে রুদ্ধশ্বাস হয়ে থাকলেও প্রয়োজনের তুলনায় শ্বাস নেওয়া কম হয়। তার জন্য রক্তের কার্বন-ডাই-অক্সাইডের মাত্রা বেড়ে যায়, ফলে শ্বাসকষ্টের অনুভূতি হয়।

৩। হৃদপেশির পাম্প করার ক্ষমতা প্রয়োজনের তুলনায় কমে গেলে ফুসসুসে রক্ত জমতে থাকে। ফলে ফুসফুসকে অনমনীয় করে দেয়। তখন শ্বাস নিতে বেশি শক্তি প্রয়োগ করতে হয়। তখনও শ্বাসকষ্ট হয়।

৪। অনেক শ্বাসকষ্টের কারণ হল হাঁপানি। এই হাঁপানির কারণ শ্বাসনালি অর্থাৎ ফুসফুসে হাওয়া ঢোকা বেরোনোর পথ সরু হয়ে যাওয়া। তার জন্য জোরে জোরে শ্বাস নিতে হয়।

৫। অনেক সময় হৃদপিণ্ডে প্রয়োজনের তুলনায় কম রক্তপ্রবাহ হয়। তার কারণে হৃদপিণ্ডে অক্সিজেনের মাত্রা হ্রাস পায়। তখন শ্বাসকষ্ট অনুভূত হয়।

৬। অনেকের ক্ষেত্রে বুকে ব্যথা অনুভব হয়, তখনও শ্বাসকষ্ট হয়।

৭। এ ছাড়া জ্বর ও আরও কয়েকটি শারীরিক রোগেও হাত পা জ্বালা করে, মেটাবলিজম বেড়ে যায়। তখনও নিঃশ্বাসের হার বেড়ে যায়।

৮। বিশেষজ্ঞরা বলেন, হাইপারভেন্টিলেশন সিন্ড্রোমের কারণ খুব স্পষ্ট নয় ঠিকই তবে এই সমস্যার সঙ্গে উৎকণ্ঠা ও এক প্রকার ভয় পাওয়া রোগ অর্থাৎ প্যানিক ডিসঅর্ডারের যোগ আছে। সে ক্ষেত্রে এই শ্বাসকষ্টটি এক অর্থে মনের রোগ। এ রোগের ক্ষেত্রে শারীরিক প্রয়োজনের থেকে বেশি করে শ্বাস নেওয়া হয়। ফলে রক্তের কার্বন-ডাই-অক্সাইড শ্বাসের সঙ্গে বেশি মাত্রায় বেরিয়ে যায়। ফলে রক্তে ক্ষারের পরিমাণ স্বাভাবিকের চেয়ে বেড়ে যায়। উৎকণ্ঠা এবং ভয়ের সময় প্রায় ২৫% থেকে ৮৩% ক্ষেত্রে এ রকমের শ্বাসকষ্ট হয়। এই শ্বাসকষ্টের কোনো শারীরিক কারণ খুঁজে পাওয়া যায় না।

৯। আবার ১১% ক্ষেত্রে মানসিক সমস্যা ও শারীরিক কারণ ছাড়াই শ্বাসের এক ধরনের কষ্ট হয়। ঘন ঘন শ্বাস নিতে হয়। দেখা যায় যে, পুরুষদের চেয়ে মহিলারা এ সমস্যায় বেশি আক্রান্ত হয়।

তাই শ্বাসকষ্ট হলেই যে হৃদরোগ বা বড়ো কোনো সমস্যা এমনটা ভেবে ভয় পাওয়ার কোনো কারণ নেই। শ্বাসকষ্ট হলেই দেরি না করে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। পরামর্শমতো যাবতীয় চিকিৎসা পদ্ধতি অনুসরণ করুন। তার থেকেও জরুরি কথা হল পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতি ও পরিবারে হাজারো সমস্যা থাকতে পারে। কিন্তু মনের ওপর তার প্রভাব পড়তে দেওয়া চলবে না। নিজেকে নিজের ভেতর থেকে খুশি রাখতে হবে। তা হলে এমন সমস্যা ধারে কাছে ঘেঁষতে পারবে না। বা কোনো রোগের কারণে শ্বাসকষ্ট হলেও তা থেকে মনের জোরে দ্রুত উতরে যাওয়া সম্ভব হবে।

পড়ুন – ডিপ্রেশন থেকে বাঁচতে কী কী করবেন? পর্ব ২

আরও পড়ুন – আপনি কি কোনো কারণে হতাশা বা ডিপ্রেশনে ভুগছেন? বুঝবেন এই লক্ষণগুলি থেকে: পর্ব ২

Continue Reading

শরীরস্বাস্থ্য

ডিপ্রেশন থেকে বাঁচতে কী কী করবেন? পর্ব ২

Published

on

খবর অনলাইন ডেস্ক : এর আগের পর্বে ডিপ্রেশন থেকে বাঁচার কয়েকটি উপায় নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। এই পর্বে আরও কয়েকটি বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হবে।

ডিপ্রেশন থেকে বাঁচতে হলে  –

খুশি থাকা

যেখানে খুশি নেই সেখানেও খুশির পথ খুঁজে নিতে হয়। নিজের পছন্দের কাজ করুন, গান শুনুন। ঘুরে বেড়ান।

উলটোপালটা চিন্তা বাদ

যে চিন্তা আমাদের কষ্টের মূলে সেই চিন্তাগুলি বাদ দিতে হবে। যেমন – নেতিবাচক চিন্তা, ব্যর্থ চিন্তা, অহেতুক চিন্তা, বিষাক্ত চিন্তা, ভয়ের চিন্তা ইত্যাদি ভুলভাল চিন্তা মন থেকে তাড়িয়ে দিতে হবে।

নিজেকে বদলানো

নিজের যে আচরণ বা অভ্যাস বা স্বভাবের জন্য অনেক ক্ষেত্রেই দুঃখ পেতে হয়, সেই বিষয়গুলিকে বদলাতে হবে। তার জন্য প্রয়োজনে বিশেষজ্ঞের সঙ্গে কথা বলতে হবে। নিজের মনকে শান্ত করতে হবে। মনে সব সময় ইতিবাচক চিন্তা রাখুন।

রাগ কমানো

রাগকে নিয়ন্ত্রণ করুন। রাগ দুর্বলতার লক্ষণ। তাই রাগ কমাতে তিন-চার বার গভীর শ্বাস নিন। তাতে মন শান্ত হয়। রাগ কমে। ক্ষমাশীল হওয়া মনকে সুস্থতা দেয়।

মনের নিয়ন্ত্রণ

মনের নিয়ন্ত্রণ তো মানুষের হাতে। তাই ঠিক ভুল বুঝিয়ে তাকে সব সময় অবসাদের হাত থেকে বের করে আনতে হবে।  

নিজেকে মেনে নেওয়া

নিজেকে নিজের মতো করে মেনে নিতে শিখতে হবে। কে কী, আমি কেন তা নই – এই চিন্তাভাবনা করলে অবসাদ আসবেই। তাই আপনার সফলতা, দুর্বলতা সবটাই আপনার নিজের এবং সহজাত ও পরিস্থিতির কারণে। তাকে মেনে নিতে শিখতে হয়। কিছু ক্ষেত্রে প্রশিক্ষণ অতিরিক্ত গুণাবলি তৈরি করে ঠিকই। কিন্তু এটাও মেনে নিতে হবে সবটা সকলের জন্য নয়।

সাধারণ জীবনযাপন

সব সময় হাইফাই নয়, অতি সাধারণ জীবনযাপন করার চেষ্টা করলে মন আপনা হতেই শান্ত থাকে। অবসাদ আসে না। কিন্তু অতিরিক্ত কিছুর অভ্যেস হয়ে গেলে কোনো কারণে তা না পেলে অবসাদ আসে।   

হার স্বীকার

কোনো কোনো ক্ষেত্রে হার স্বীকার করে নেওয়া ভালো। তা পরাজয় নয়, বড়ো মনের পরিচয়। এতে মন অবসাদে গ্রাস হয় না। এতে মহত্বের অনুভূতি আসে। কিন্তু তর্ক চালিয়ে গেলে মনমালিন্য আসে, তা মনকে অবসাদ গ্রস্ত করে।  

রোগে ভেঙে পড়বেন না

কোনো রোগ হলেই ভেঙে পড়বেন না। শরীর থাকলে রোগ হবেই। কিন্তু তার থেকে সুস্থ হয়েও উঠতে হবে। তার জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া ও নিজের মনকে খুশি রাখা দরকার। দেহের রোগ যেন মনকে গ্রাস করতে না পারে।  

কাউন্সেলিং

নিজের কাউন্সেলিং নিজে করুন। বিশেষ করে দিনের শেষে রাতে শোওয়ার আগে, সারা দিনে কী কী ঠিক করলেন বা কী কী ভুল করলেন তা বিশ্লেষণ করুন। পরের দিন ভুলগুলির আর পুনরাবৃত্তি করবেন না। প্রয়োজনে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

পড়ুন – আপনি কি কোনো কারণে হতাশা বা ডিপ্রেশনে ভুগছেন? বুঝবেন এই লক্ষণগুলি থেকে: পর্ব ২

আরও পড়ুন – আপনি কি কোনো কারণে হতাশা বা ডিপ্রেশনে ভুগছেন? বুঝবেন এই লক্ষণগুলি থেকে: পর্ব ১

Continue Reading

শরীরস্বাস্থ্য

নিয়মিত মিষ্টি আলু খাবেন কেন? জেনে নিন

Published

on

খবর অনলাইন ডেস্ক : সাদা আলুর তুলনায় রাঙাআলু বা মিষ্টি আলুর গুণ অনেক বেশি। মিষ্টি আলুতে গ্লাইসেমিক সূচক কম। এর পুষ্টিগুণও অনেক। স্বাস্থ্যকরও বটে। মিষ্টি আলুতে বিভিন্ন ধরনের ভিটামিন যেমন এ, সি, বি২, বি৬, ডি, ই এবং বায়োটিন আছে। ক্যারটিনয়েড যেমন বিটা ক্যারোটিনয়েডর অন্যতম উৎস এটি। ক্যারটিনয়েড বিভিন্ন রকমের ক্যানসার থেকে রক্ষা করে। এ ছাড়াও লোহা, তামা ও ম্যাঙ্গানিজ আছে এতে।

মিষ্টির নাম শুনলেই মনে হয় সুগারের রোগীদের জন্য হয়তো খারাপ। কিন্তু না। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটির বিশেষ বৈশিষ্ঠ্য হল, রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। সুতরাং, ডায়াবেটিকদের পক্ষে ভালো।

এর উপকারিতা –

১। হাঁপানিতে

সপ্তাহে কয়েক দিন রাঙা আলু খেলে ফুসফুসের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। শ্বাসপ্রশ্বাস ঠিকমতো চলে। ফলে হাঁপানির প্রকোপ কমে।

২। বয়সকালে

এই আলু খেলে বার্ধক্যজনিত সমস্যা, দুর্বল দৃষ্টিশক্তি, দুর্বল হজমশক্তি, হাড়ের সমস্যা ইত্যাদি রোধ করা যায়। হাড়ের জয়েন্টকে মজবুত করে। বয়সকালে নানাবিধ হাড়ের রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা হ্রাস পায়। ভিটামিন সি এবং বিটা ক্যারোটিন দৃষ্টিশক্তি শক্তিশালী করে। রোগ সংক্রমণের হাত থেকে বাঁচায়। বলিরেখা গঠনের গতিও হ্রাস করে। ত্বকের সৌন্দর্য বাড়ায়।

৩। ডায়াবেটিসে

রক্তে শর্করার মাত্রা কমাতে এর কোনো বিকল্প নেই। ফলে সুগারের মাত্রা তো বাড়েই না, উলটে ইনসুলিনের কর্মক্ষমতা বাড়ে। ফলে ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে আসে।

৪। ওজন বৃদ্ধি –

নিয়মিত এটি খেলে শরীরে কমপ্লেক্স স্টার্চ, ভিটামিন, মিনারেল এবং প্রোটিনের মাত্রা বৃদ্ধি পায়। ফলে খুব রোগা মানুষেরও শরীরে মাংস লাগে। ফলে ওজন বৃদ্ধি পায়।

৫। হাড় ও দাঁতে

ভিটামিন সি সমৃদ্ধ বলে হাড় ও দাঁত গঠনে সাহায্য করে। ভিটামিন সি-র ঘাটতি দূর করে। দাঁত এবং হাড়কে শক্তিশালী করে।

৬। হজম

হজম শক্তি বাড়ায় এবং রোগ সংক্রমণের হাত থেকে বাঁচায়। এতে প্রচুর মাত্রায় ফাইবার আছে। তাই নিয়মিত এই সবজিটি খেলে পাচকরসের ক্ষরণ বেড়ে যায়। ফলে হজমক্ষমতার উন্নতি ঘটে। সেই সঙ্গে কোষ্ঠকাঠিন্যর মতো সমস্যাও কমতে শুরু করে।

৭। রক্ত তৈরি

রক্তকোষ তৈরিতে বিশেষ ভূমিকা আছে এই আলুর। এতে আয়রন থাকে। ফলে তা লোহিত রক্ত কণিকার সংখ্যা বাড়ায়।

৮। রোগ প্রতিরোধ

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উন্নতি ঘটায় রাঙালু। রক্ত কণিকার সংখ্যা বাড়িয়ে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

৯। মস্তিষ্কের কাজে –

মানব মস্তিষ্কে যে স্নায়ুকোষগুলির কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি পায়, কারণ এর পটাশিয়াম দারুণ কাজ করে। স্মৃতিশক্তি, মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। ভিটামিন ডি-র কারণে মেজাজ ঠিক থাকে।

১০। হৃদযন্ত্রে –

হার্ট অ্যাটাক প্রতিরোধ করতে পারে ভিটামিন বি৬। এটি ভরপুর মাত্রায় রয়েছে লাল আলুতে।  ভিটামিন ডি এনার্জি লেভেল বাড়ানোর পাশাপাশি হার্টের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটায়, হৃদযন্ত্র সুস্থ রাখে। একাধিক হার্টের রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কমে। খারাপ রাসায়নিকগুলির প্রভাব কমায়।

১১। চাপ নিয়ন্ত্রণে –

এই আলুতে ম্যাগনেসিয়াম আছে যা যে কোনো চাপ প্রতিরোধী খনিজ হিসাবে কাজ করে। ম্যাগনেসিয়াম হৃদপিণ্ড, হাড় এবং স্নায়ু সবকিছুর জন্যই ভালো।

১২। ক্যানসার প্রতিরোধে –

এই সবজিটিতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ক্যারোটিনয়েড এবং ভিটামিন এ ক্যানসার আটকাতে বিশেষ ভূমিকা নেয়।

পড়ুন – কেন খাবেন মোচা? জেনে নিন ১৬টি উপকারিতা

আরও পড়ুন – কেন খাবেন গাঁটি কচু? জেনে নিন ১১টি উপকারিতা

Continue Reading

Amazon

Advertisement
দেশ10 mins ago

দৈনিক মৃতের সংখ্যা ফের ছ’শোর নীচে, সুস্থতার হার বেড়ে প্রায় ৯০ শতাংশ

দেশ43 mins ago

কোভিড আপডেট: নতুন করে আক্রান্ত ৫০১২৯, সুস্থ ৬২০৭৭

currency notes
শিল্প-বাণিজ্য59 mins ago

মোরাটোরিয়াম: কয়েক দিনের মধ্যেই অ্যাকাউন্টে বাড়তি সুদের টাকা ফেরত পাবেন গ্রাহক

দেশ2 hours ago

কোভ্যাকসিনের ট্রায়াল শেষ হতে পারে এপ্রিলের পর, তবে জরুরি ব্যবহারের সম্ভাবনা তার আগেই!

বিদেশ2 hours ago

কোভিড আক্রান্ত হওয়ার পর ক্ষমা চেয়ে নিলেন পোল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট

ক্রিকেট11 hours ago

নাটকীয় প্রত্যাবর্তন! হারের দরজা থেকে জয় ছিনিয়ে নিল পঞ্জাব

খাওয়াদাওয়া12 hours ago

মহানবমীতে পেঁয়াজ রসুন ছাড়া নিরামিষ পাঁঠার মাংস

শরীরস্বাস্থ্য12 hours ago

শ্বাসকষ্ট কেন হয়? জেনে নিন ৯টি কারণ

দেশ43 mins ago

কোভিড আপডেট: নতুন করে আক্রান্ত ৫০১২৯, সুস্থ ৬২০৭৭

রাজ্য3 days ago

সপ্তমীর দুপুরে সুন্দরবনে আঘাত হানবে অতি গভীর নিম্নচাপ, ভারী বর্ষণে ভাসতে পারে কলকাতা ও পার্শ্ববর্তী জেলা

কলকাতা2 days ago

কাশীবোস লেনে ‘দেবীঘট’, হাতিবাগানে ‘অসমাপ্ত’, নলীন সরকারে ‘পুজো এবার কাঠামোতে’, নর্থ ত্রিধারার ‘শ্রদ্ধার্ঘ্য’, সিকদারবাগানে ‘উৎসব’

ক্রিকেট2 days ago

হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভরতি কপিল দেব

covaxin
দেশ2 days ago

ভারত বায়োটেকের ‘কোভ্যাকসিন’কে তৃতীয় দফার পরীক্ষার জন্য ছাড়পত্র

কলকাতা1 day ago

মহাসপ্তমীতে কলকাতা মহানগরীর অচেনা ছবি

ক্রিকেট2 days ago

মনীশ, বিজয়ের রেকর্ড জুটিতে রাজস্থানকে হারিয়ে দিল হায়দরাবাদ

ক্রিকেট2 days ago

ব্যাটে-বলে দাপট মুম্বইয়ের, ছিন্নভিন্ন চেন্নাই

কেনাকাটা

কেনাকাটা2 weeks ago

মেয়েদের কুর্তার নতুন কালেকশন, দাম ২৯৯ থেকে শুরু

খবর অনলাইন ডেস্ক: পুজো উপলক্ষ্যে নতুন নতুন কুর্তির কালেকশন রয়েছে অ্যামাজনে। দাম মোটামুটি নাগালের মধ্যে। তেমনই কয়েকটি রইল এখানে। প্রতিবেদন...

কেনাকাটা3 weeks ago

‘এরশা’-র আরও ১০টি শাড়ি, পুজো কালেকশন

খবর অনলাইন ডেস্ক : সামনেই পুজো আর পুজোর জন্য নতুন নতুন শাড়ির সম্ভার নিয়ে হাজর রয়েছে এরশা। এরসার শাড়ি পাওয়া...

কেনাকাটা3 weeks ago

‘এরশা’-র পুজো কালেকশনের ১০টি সেরা শাড়ি

খবর অনলাইন ডেস্ক : পুজো কালেকশনে হ্যান্ডলুম শাড়ির সম্ভার রয়েছে ‘এরশা’-র। রইল তাদের বেশ কয়েকটি শাড়ির কালেকশন অ্যামাজন থেকে। প্রতিবেদন...

কেনাকাটা4 weeks ago

পুজো কালেকশনের ৮টি ব্যাগ, দাম ২১৯ টাকা থেকে শুরু

খবর অনলাইন ডেস্ক : এই বছরের পুজো মানে শুধুই পুজো নয়। এ হল নিউ নর্মাল পুজো। অর্থাৎ খালি আনন্দ করলে...

কেনাকাটা4 weeks ago

পছন্দসই নতুন ধরনের গয়নার কালেকশন, দাম ১৪৯ টাকা থেকে শুরু

খবর অনলাইন ডেস্ক : পুজোর সময় পোশাকের সঙ্গে মানানসই গয়না পরতে কার না মন চায়। তার জন্য নতুন গয়না কেনার...

কেনাকাটা4 weeks ago

নতুন কালেকশনের ১০টি জুতো, ১৯৯ টাকা থেকে শুরু

খবর অনলাইন ডেস্ক : পুজো এসে গিয়েছে। কেনাকাটি করে ফেলার এটিই সঠিক সময়। সে জামা হোক বা জুতো। তাই দেরি...

কেনাকাটা1 month ago

পুজো কালেকশনে ৬০০ থেকে ১০০০ টাকার মধ্যে চোখ ধাঁধানো ১০টি শাড়ি

খবর অনলাইন ডেস্ক: পুজোর কালেকশনের নতুন ধরনের কিছু শাড়ি যদি নাগালের মধ্যে পাওয়া যায় তা হলে মন্দ হয় না। তাও...

কেনাকাটা1 month ago

মহিলাদের পোশাকের পুজোর ১০টি কালেকশন, দাম ৮০০ টাকার মধ্যে

খবরঅনলাইন ডেস্ক : পুজো তো এসে গেল। অন্যান্য বছরের মতো না হলেও পুজো তো পুজোই। তাই কিছু হলেও তো নতুন...

কেনাকাটা1 month ago

সংসারের খুঁটিনাটি সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে এই জিনিসগুলির তুলনা নেই

খবরঅনলাইন ডেস্ক : নিজের ও ঘরের প্রয়োজনে এমন অনেক কিছুই থাকে যেগুলি না থাকলে প্রতি দিনের জীবনে বেশ কিছু সমস্যার...

কেনাকাটা1 month ago

ঘরের জায়গা বাঁচাতে চান? এই জিনিসগুলি খুবই কাজে লাগবে

খবরঅনলাইন ডেস্ক : ঘরের মধ্যে অল্প জায়গায় সব জিনিস অগোছালো হয়ে থাকে। এই নিয়ে বারে বারেই নিজেদের মধ্যে ঝগড়া লেগে...

নজরে