খবর অনলাইন ডেস্ক : এর আগের পর্বে ডিপ্রেশন থেকে বাঁচার কয়েকটি উপায় নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। এই পর্বে আরও কয়েকটি বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হবে।

ডিপ্রেশন থেকে বাঁচতে হলে  –

খুশি থাকা

যেখানে খুশি নেই সেখানেও খুশির পথ খুঁজে নিতে হয়। নিজের পছন্দের কাজ করুন, গান শুনুন। ঘুরে বেড়ান।

উলটোপালটা চিন্তা বাদ

যে চিন্তা আমাদের কষ্টের মূলে সেই চিন্তাগুলি বাদ দিতে হবে। যেমন – নেতিবাচক চিন্তা, ব্যর্থ চিন্তা, অহেতুক চিন্তা, বিষাক্ত চিন্তা, ভয়ের চিন্তা ইত্যাদি ভুলভাল চিন্তা মন থেকে তাড়িয়ে দিতে হবে।

নিজেকে বদলানো

নিজের যে আচরণ বা অভ্যাস বা স্বভাবের জন্য অনেক ক্ষেত্রেই দুঃখ পেতে হয়, সেই বিষয়গুলিকে বদলাতে হবে। তার জন্য প্রয়োজনে বিশেষজ্ঞের সঙ্গে কথা বলতে হবে। নিজের মনকে শান্ত করতে হবে। মনে সব সময় ইতিবাচক চিন্তা রাখুন।

রাগ কমানো

রাগকে নিয়ন্ত্রণ করুন। রাগ দুর্বলতার লক্ষণ। তাই রাগ কমাতে তিন-চার বার গভীর শ্বাস নিন। তাতে মন শান্ত হয়। রাগ কমে। ক্ষমাশীল হওয়া মনকে সুস্থতা দেয়।

মনের নিয়ন্ত্রণ

মনের নিয়ন্ত্রণ তো মানুষের হাতে। তাই ঠিক ভুল বুঝিয়ে তাকে সব সময় অবসাদের হাত থেকে বের করে আনতে হবে।  

নিজেকে মেনে নেওয়া

নিজেকে নিজের মতো করে মেনে নিতে শিখতে হবে। কে কী, আমি কেন তা নই – এই চিন্তাভাবনা করলে অবসাদ আসবেই। তাই আপনার সফলতা, দুর্বলতা সবটাই আপনার নিজের এবং সহজাত ও পরিস্থিতির কারণে। তাকে মেনে নিতে শিখতে হয়। কিছু ক্ষেত্রে প্রশিক্ষণ অতিরিক্ত গুণাবলি তৈরি করে ঠিকই। কিন্তু এটাও মেনে নিতে হবে সবটা সকলের জন্য নয়।

সাধারণ জীবনযাপন

সব সময় হাইফাই নয়, অতি সাধারণ জীবনযাপন করার চেষ্টা করলে মন আপনা হতেই শান্ত থাকে। অবসাদ আসে না। কিন্তু অতিরিক্ত কিছুর অভ্যেস হয়ে গেলে কোনো কারণে তা না পেলে অবসাদ আসে।   

হার স্বীকার

কোনো কোনো ক্ষেত্রে হার স্বীকার করে নেওয়া ভালো। তা পরাজয় নয়, বড়ো মনের পরিচয়। এতে মন অবসাদে গ্রাস হয় না। এতে মহত্বের অনুভূতি আসে। কিন্তু তর্ক চালিয়ে গেলে মনমালিন্য আসে, তা মনকে অবসাদ গ্রস্ত করে।  

রোগে ভেঙে পড়বেন না

কোনো রোগ হলেই ভেঙে পড়বেন না। শরীর থাকলে রোগ হবেই। কিন্তু তার থেকে সুস্থ হয়েও উঠতে হবে। তার জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া ও নিজের মনকে খুশি রাখা দরকার। দেহের রোগ যেন মনকে গ্রাস করতে না পারে।  

কাউন্সেলিং

নিজের কাউন্সেলিং নিজে করুন। বিশেষ করে দিনের শেষে রাতে শোওয়ার আগে, সারা দিনে কী কী ঠিক করলেন বা কী কী ভুল করলেন তা বিশ্লেষণ করুন। পরের দিন ভুলগুলির আর পুনরাবৃত্তি করবেন না। প্রয়োজনে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

পড়ুন – আপনি কি কোনো কারণে হতাশা বা ডিপ্রেশনে ভুগছেন? বুঝবেন এই লক্ষণগুলি থেকে: পর্ব ২

আরও পড়ুন – আপনি কি কোনো কারণে হতাশা বা ডিপ্রেশনে ভুগছেন? বুঝবেন এই লক্ষণগুলি থেকে: পর্ব ১

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন