করোনাভাইরাস সংক্রমণ মোকাবিলায় কেন সবাইকে মাস্ক পরতে হবে?

ফাইল ছবি

ওয়েবডেস্ক: ঘরের বাইরে গেলেই সাধারণ মানুষকে মাস্ক ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক। গত শুক্রবার এক দিনে ভারতে ছ’শোর বেশি কোভিড-১৯ আক্রান্ত হওয়ার ঘটনার পরই শনিবার এই নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্র। ঠিক কী কারণে?

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) তথ্য অনুযায়ী, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ছড়ায় ব্যক্তির সঙ্গে ব্যক্তির সংস্পর্শে।

নভেল করোনাভাইরাস (Coronavirus) ছড়ায় মুখ ও নাক নিঃসৃত ড্রপলেটস অর্থাৎ জলের ফোঁটা থেকে। হাঁচি, কাশির সঙ্গে থুতু অথবা কফের ফোঁটাগুলি এই ভাইরাসটিকে বহন করে, যা নিউক্লিয়াস গঠনের জন্য দ্রুত শুকিয়ে যায় এবং বায়ুবাহিত হয়ে শেষ পর্যন্ত বিভিন্ন পৃষ্ঠে জমা হতে থাকে।

মাস্ক পরার কারণ লুকিয়ে রয়েছে এখানেই। আমাদের শ্বাসপ্রণালীতে যাতে বায়ুর মধ্যে থাকা এই ফোঁটাগুলি প্রবেশ করতে না পারে, সে জন্যই মাস্ক পরার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। পাব মেড-এ প্রকাশিত একটি রিপোর্টে বলা হয়েছে, যদি মোট জনসংখ্যার শুধুমাত্র ৫০ শতাংশ মাস্ক ব্যবহার করে, তা হলে স্বাভাবিক ভাবেই ৫০ শতাংশের শরীরে সংক্রমণ ছড়ানোর সম্ভাবনা থেকেই যায়।

বিশেষত, ঘন জনবহুল অঞ্চলে বাস করা মানুষের জন্য প্রত্যেকের মুখোশ পরা বাঞ্ছনীয়।

আরও পড়ুন: মাস্ক পরলেই কি করোনাভাইরাস আটকানো সম্ভব?

শ্বাসপ্রশ্বাসের মাধ্যমে ভাইরাসের বিস্তার রোধ করতে তাই মাস্ক পরা দরকার। এই ধরনের মাস্ক তাপ, ইউভি লাইট, জল, সাবান এবং অ্যালকোহলের সংমিশ্রণ ব্যবহার করে ভালো ভাবে পরিষ্কার করা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*


This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.