ফিরে দেখা ফুটবল বিশ্বকাপ: আগে থেকেই স্পষ্ট ছিল, আয়োজক দেশ চ্যাম্পিয়ন!

0
Arunava Gupta
অরুণাভ গুপ্ত

যা রটে, তার কিছু তো বটে। আর সেক্ষেত্রে যখন দেখা যায় অভিযোগ করার মূল হোতা হলেন ফিফার প্রাক্তন দণ্ডমুণ্ডের কর্তা জো হ্যাভেলাঞ্জ, তখন কিন্তু ব্যাপারটা বিশেষ মাত্রা পায় এবং মাইলেজও বাড়ে।

২০০৮-এ এক সাক্ষাৎকারে হ্যাভেলাঞ্জ বিন্দুমাত্র রাখঢাক না করে বোমাখানা ফাটান। বললেন, ১৯৬৬ এবং ১৯৭৪ এই দুই বিশ্বকাপে আয়োজক দেশ যে চ্যাম্পিয়নস হবে তা দিবালোকের মতন স্পষ্ট ছিল। ‘৬৬ ইংল্যান্ড, ‘৭৪ জার্মানি। ‘৬৬তে ইংল্যান্ড হারায় জার্মানিকে আর ‘৭৪-এ এসে জার্মানি জয়ী হয় নেদারল্যান্ডসকে পরাস্ত করে। ব্রাজিল হতাশায় বলেছে, “আমরা বিশ্বসেরা টিম। এই ব্যাপারে কোনো দ্বিমত নেই। অথচ মাথার ঘাম পায়ে ফেলে ইঞ্চি-ইঞ্চি লড়াই করে দেখা যাচ্ছে আয়োজকরা ছক কষে বাজিমাত করছে। সাচ্চা যাচাই হল না। তা হলে দেখা যাচ্ছে হ্যাভেলানুও জায়গা মতন ঘা দিয়েছেন, নইলে ঘটেই বা কেন।

তবে এ নিয়ে বিতর্ক খুব একটা দানা বাঁধেনি। ফিফার মতো বৃহদাকার সংগঠনের কর্তাবাক্তিরা হ্যাভেলাঞ্জের মন্তব্যকে ব্যক্তিগত আখ্যা দিয়ে এড়িয়ে গিয়েছেন।

আবার এমন উদাহরণও রয়েছে যা দেখার পর মন আবেগাপ্লুত হয়েছে। ১৯৭০ বিশ্বকাপ গুয়েরালাজায় সেই অবিস্মরণীয় দৃশ্য দেখা গেল যখন পেলে এবং ববি মুর নিজেদের মধ্যে জার্সি বদল করলেন। ঘামে ভেজা জার্সি একের প্রতি একের অপরিসীম শ্রদ্ধাজ্ঞাপন।  দু’জনেই দু’জনকে জানালেন, ফুটবল বেঁচে থাক চিরকাল এইভাবে। পেলের জার্সি সসম্মানে প্রদর্শিত হচ্ছে ম্যাঞ্চেস্টার ন্যাশনাল ফুটবল মিউজিয়াম-এ। আর ববি মুরের জার্সি হাতছাড়া করেননি পেলে, সযত্নে রেখেছেন নিজস্ব জিন্মায় স্মৃতি রোমন্থনের পাথেয় হিসাবে।

dailyhunt

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন