দেশ হল জার্মানি, যেখানে হাত ঠেকায় সেখানেই সোনা হয়ে যায়। সেটা ভালো হোক বা মন্দ, সে সব নিয়ে খুব একটা মাথা ঘামান না জার্মানরা, যেন একটা মেশিন।

২০০৬-এ এহেন জার্মানির মাটিতে বিশ্বকাপের দামামা বাজল। সব আসরের পরেই গুছিয়ে খতিয়ান রাখতে হয়, যাতে তথ্য খুঁজতে খুব বেশি হাতড়াতে না হয়। সেই রেডি রেফারেন্সই বলছে, ২০১৪ পর্যন্ত যত দেশে বিশ্বকাপের আসর বসছে, সবাইকে টেক্কা দিয়েছে জার্মানি।

সে বার লাল কার্ড দেখার সংখ্যা ২৮ আর হলুদ কার্ড ৩৫৪টি। মানে চোখে সর্ষে ফুল দেখার মতো অবস্থা। হয়তো একেই বলে জার্মান ম্যাজিক। অবশ্য ভিন্নমতও রয়েছে- সব দেশ এক যোগে মিলে জার্মানকে কেমন ফাউলের পীঠস্থান বানাল!

ফুটবল বিশেষজ্ঞরা বলেন, ফাউল করা একটা বিশেষ ছোঁয়াচে রোগ, শুরু হলে পালা করে দুটো দলই করে যাবে। দেখে মনে হতে পারে, যেন এখানেও হার-জিতের অঙ্ক আছে। এমনটাই ঘটেছে ওই ২০০৬ জার্মান বিশ্বকাপে। খেলা চলছে ন্যুরেনবার্গের ফ্র্যাঙ্কেন স্টেডিঅনে। নামে এবং কামে ফ্র্যাঙ্কেনস্টাইনই বটে। প্রি-কোয়ার্টার ফাইনাল খেলছে নেদারল্যান্ডস এবং পর্তুগাল।

valentin ivanov
ভ্যালেন্টিন ইভানভ

দুটো টিম তেতে রয়েছে কে কাকে সামলাবে। রুশ রেফারি ভ্যালেন্টিন ইভানভ গুনে গুনে ৪টি লাল আর ১৬টি হলুদ কার্ড দেখালেন। পকেট হাত ঢোকান আর বার করেন। পর দিন সংবাদে প্রকাশ- উনি না কি সে রাতে ঘুমের মধ্যেও লাল আর হলুদ কার্ড দেখিয়ে গিয়েছেন।

সত্যি, আতঙ্ক বটে!

সংকলক: অরুণাভ গুপ্ত

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন