Baji Rout
বাজি রাউতের মৃতদেহ। ছবি: ইন্টারনেট থেকে

ওয়েবডেস্ক: ১৯৩৮ সালের ১০ অক্টোবর, রাত ৮টা। ওড়িশার ভুবনগ্রাম থেকে প্রজামণ্ডলের সদস্যদের নির্বিচারে ব্রিটিশ পুলিশের গ্রেফতারের প্রতিবাদে থানার সামনে চলে বিক্ষোভ। সেখানে প্রজামণ্ডলের সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করার প্রতিশ্রুতি দেওয়ার পরেও গুলি চালায় ব্রিটিশ সৈন্য। প্রাণ হারান দুই গ্রামবাসী। উত্তাল হয়ে ওঠেন গ্রামবাসীরা। আটকদের থানা হাত থেকে ছাড়িয়ে নেওয়ার চেষ্টা চলে। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে ব্রিটিশরা সে সময় ওই স্থান ত্যাগ করার সিদ্ধান্ত নেয়। তারা স্থির করে নীলকণ্ঠপুর হয়ে ডেঙ্কানাল চলে যাবে।

আরও পড়ুন: আদেশ শোনার পর থেকে ফাঁসির মঞ্চে উঠেও মুখে লেগেছিল সেই অমলিন হাসি!

কয়েক ঘণ্টা পর ব্রিটিশ সৈন্যরা নীলকণ্ঠপুর ঘাটে যাওয়ার জন্য ব্রাহ্মণী নদী পার হতে যায়। সেখানে বাঁধা ছিল একটা দেশি নৌকা। সেই নৌকার পাহারদার এক ১৩ বছরের বালক। নাম বাজি রাউত। ব্রিটিশ সৈন্যরা বাজিকে নদী পার করিয়ে দেওয়ার আদেশ দেয়। কিন্তু ভুবনগ্রামের খবর পৌঁছেছিল বাজির কাছেও। যথারীতি সে ব্রিটিশ সৈন্যের আদেশ মানতে অস্বীকার করে।

আরও পড়ুন: বিস্মৃতপ্রায় বিভি দল, যে দলের সদস্য ছিলেন রাইটার্স বিল্ডিং অভিযানের নায়ক

এর পরই ঘটে সেই মর্মান্তিক ঘটনা। প্রথমে টানাহেঁচড়া করে তাকে নৌকা ছাড়তে বলে। খুন করার হুমকিও দেয়। কিন্তু নিজের কথায় অনড় সে। এক ব্রিটিশ সৈন্য বাজির মাথায় আঘাত করে নিজের বন্দুকের বাঁট দিয়ে। অন্য এক সৈন্য গুলি চালায়। তারই সঙ্গী লক্ষ্মণ মালিক, পাগু সাউ, ঋষি প্রধান এবং নাটা মালিককেও হত্যা করে ব্রিটিশ সৈন্য।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন