সে দিনের খবরের কাগজে সোলাপুরের ঘটনা। ছবি সৌজন্যে টিমোথি হিউজেস রেয়ার নিউজপেপার্স

ওয়েবডেস্ক: ‘৪২-এর ভারত ছাড়ো আন্দোলনের সময় মেদিনীপুরের তমলুকে যে স্বাধীন সরকার গঠিত হয়েছিল সে ইতিহাস সম্পর্কে আমরা অনেকেই অবহিত। সেই সরকার স্থায়ী হয়েছিল প্রায় দু’ বছর – ১৯৪২-এর ডিসেম্বর থেকে ১৯৪৪-এর সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। কিন্তু ক’জন আমরা খবর রাখি যে তমলুকেরও ১২ বছর আগে ভারতের আরও একটি জায়গা স্বাধীন হয়ে গিয়েছিল। সেটি হল মহারাষ্ট্রের সোলাপুর। এর মূলে ছিলেন স্বাধীনতা আন্দোলনের চার বীর সেনানি – আবদুল রসুল কুরবান হুসেন, মালাপ্পা ধনশেঠ্ঠ‌ি, জগন্নাথ ভগবান শিন্ডে এবং শ্রীকিষন লক্ষ্মীনারায়ণ সারদা।

আরও পড়ুন টানা ১৭ বছর ২৬ জানুয়ারিতে পালিত হয়েছে ভারতের স্বাধীনতা দিবস

ব্রিটিশ শাসকদের অকথ্য অত্যাচারের মুখে পড়ে সেই স্বাধীনতা স্থায়ী হয়েছিল মাত্র তিন দিন – ১৯৩০ সালের ৯ মে থেকে ১১ মে পর্যন্ত। জারি করা হয়েছিল দেখামাত্র গুলির আদেশ। চার নেতাকেই গ্রেফতার করে বিচারের প্রহসন হয়েছিল। এই চার জনকেই ১৯৩১ সালের ১২ জানুয়ারি ফাঁসিতে ঝোলানো হয়। এই চার সেনানির মৃত্যুবরণকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য শহরের প্রাণকেন্দ্রে বসেছে তাঁদের আবক্ষ মূর্তি। ওই এলাকার নাম দেওয়া হয়েছে হুতাত্মা চক। আর সোলাপুর শহরকে বলা হয় ‘হুতাত্মাদের শহর’।

hutatma chowk, solapur
হুতাত্মা চক, সোলাপুর।

তবে স্বাধীনতা আন্দোলনে সোলাপুরের বড়ো অবদান সব সময়েই ছিল। ভারতের প্রথম মিউনিসিপ্যাল কাউন্সিল হিসাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের গৌরব সোলাপুরেরই। ১৯৩০ সালের ৬ এপ্রিল শহরের পুরভবনে  জাতীয় পতাকা তোলেন পুনের স্বাধীনতা সংগ্রামী শ্রী আন্নাসাহেব ভোপতকর।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন