Lahore
ছবি-উইকিমিডিয়া কমনস থেকে

ওয়েবডেস্ক:সপ্তদশ শতাব্দীর মধ্যেই ইউরোপীয় বণিকেরা ভারতীয় উপমহাদেশে তাঁদের বাণিজ্য কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করে। পরবর্তীতে বেশ কয়েক দশকের তফাতে আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত এক শিক্ষিত সমাজ গড়ে ওঠে। ওই বিশেষ সময় ১৮৮৫, ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের অভিযান শুরু হয় এবং ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামীরা স্বায়ত্তশাসনের দাবি জোরদার করেন। প্রধান কারণ রাউলাট আইনের মতো দমন ও নিপীড়ন আইন বলবৎ হয়। ছিল প্রথম বিশ্বযুদ্ধের প্রতিফলনও। ১৯৩০-এর পরের দশক ছিল রাজনৈতিক অস্থিরতায় ব্যস্ত, অসহযোগ আন্দোলনের পথে কংগ্রেস, অল ইন্ডিয়া মুসলিম লিগের নেতৃত্বে মুসলিম জাতীয়তাবাদের উত্থান ইত্যাদি।

পড়তে পারেন: ব্রিটিশ ভারতে শহিদ হওয়া সেই ১৩ বছরের বালক

তবে উত্তেজনার পারদ অনেকটাই কমে যায় যখন ১৯৪৭ সালে ভারত স্বাধীনতা অর্জন করে। কারণ ভারত ভেঙে পাকিস্তান গঠনের প্রক্রিয়া যে ক্ষতের সৃষ্টি করেছিল, সেটা সারিয়ে তোলাই হয়ে উঠেছিল সব থেকে বড়ো বিষয়। তবে এর অনেক আগেই জাতীয় কংগ্রেসের তরফে ভারতের স্বাধীনতা আদায়ে বেছে নেওয়া হয়েছিল বিশেষ কৌশল। ১৯২৮ সালের কংগ্রেসের কলকাতা অধিবেশনে ভারতের পূর্ণ স্বাধীনতার বিরোধিতা করতে শোনা যায় মহাত্মা গান্ধীপন্থীদের। সেখানে স্থির হয়, এর জন্য ব্রিটিশদের এক বছর সময় দেওয়া হবে। দাবি পূরণ না হলে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

আরও পড়ুন: বিস্মৃতপ্রায় বিভি দল, যে দলের সদস্য ছিলেন রাইটার্স বিল্ডিং অভিযানের নায়ক

১৯২৯ সালের কংগ্রেসের লাহোর অধিবেশনে ‘ভারতের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র’ অনুমোদিত হয়। এবং ২৬ জানুয়ারি স্বাধীনতার দিন বলে ঘোষিত হয়। ১৯৩০ থেকে ১৯৪৬ পর্যন্ত ২৬ জানুয়ারি তারিখে কংগ্রেস এক টানা স্বাধীনতা দিবস হিসাবে পালন করে।

১৯৪৭ সালে ভারত পূর্ণ স্বাধীনতা পেল, ১৯৫০ সালের ২৬ জানুয়ারি চালু হল স্বাধীন ভারতের সংবিধান। দুই ২৬ জানুয়ারি মিলেমিশে একাকার হয়ে গেল।

(কোনো তথ্যই বিতর্কের ঊর্ধ্বে নয়)

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন