quit-India movement

ওয়েবডেস্ক: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হল ১৯৩৯ সালে। তার তিন বছর বাদে ১৯৪২-এ গান্ধীজির নেতৃত্বে ভারতের কংগ্রেসের ভারত ছাড়ো আন্দোলন। কী এমন ঘটেছিল যাতে তৎকালীন ভারতীয় কমিউনিস্টরা এই ভারত-বিস্তৃত আন্দোলনের বিরোধিতা করেছিলেন?

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়  জার্মানি, জাপান বা ইতালির ছিল মিত্রশক্তি। উল্টো দিকে ছিল গ্রেট ব্রিটেন। প্ৰথমে ব্রিটেনের যুদ্ধকে সাম্রাজ্যবাদী আখ্যা দিয়ে এ দেশের বামপন্থীরা যুদ্ধবিরোধী ধর্মঘটে অংশ নিতে শুরু করেন। কিন্তু তার পরেই তাল কেটে যায় জার্মানির একটি সিদ্ধান্তে। যা ভারতের রাজনীতিতে বামপন্থীদের আকস্মিক মত পরিবর্তনের অন্যতম সেরা নজির হিসাবেই বিবেচিত হয়ে থাকে।

আরও পড়ুন: আদেশ শোনার পর থেকে ফাঁসির মঞ্চে উঠেও মুখে লেগেছিল সেই অমলিন হাসি!

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ দু-বছরে গড়াতেই জার্মানি আক্রমণ করে বসে সোভিয়েত ইউনিয়নকে। ওই সময় সারা বিশ্বে এক মাত্র কমিউনিস্ট  শাসিত রাষ্ট্র ছিল সোভিয়েত ইউনিয়ন। ব্যস, আর যায় কোথায়। এ দেশের কমিউনিস্টরা মনে করেন, জার্মানি সোভিয়েত ইউনিয়নকে আক্রমণ করে সারা বিশ্বের কমিউনিস্ট আন্দোলনের অনিষ্ট করছে। বিভিন্ন ঐতিহাসিক ঘটনাবলি থেকে জানা যায়, জার্মানিকে দমাতেই ভারতের বামপন্থীরা ব্রিটেনের দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন।

আরও পড়ুন: পরাধীন দেশের বামপন্থী সংগঠন ডব্লিউপিপি কী কারণে ভারতের রাজনৈতিক মানচিত্র থেকে মুছে গেল?

ফলে যা হওয়ার তাই হয়। গান্ধীজির নেতৃত্বে ভারত ছাড়ো আন্দোলন শুরু হলে কমিউনিস্টরা সেই আন্দোলনে অংশ তো নেননি, উল্টে বিরোধিতা করেন। এতে অবশ্য ওই আন্দোলনে তেমন কোনো প্রভাব পড়েনি। উল্টে স্বাধীনচেতা ভারতবাসীর সঙ্গে সম্পর্কে সাময়িক চিড়ও ধরে বামপন্থীদের।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন