ওয়েবডেস্ক: প্রাক্তন ক্রিকেটাররা বর্তমানদের হিসা করেন। কারণ তাঁদের সময় আইপিএল ছিল না। থাকলে অনেক বেশি টাকা উপার্জন করতে পারতেন তাঁরা। আইপিএল-এর একটা বড়ো গুরুত্ব যে, এই লিগের ফলে বহু অখ্যাত ক্রিকেটারও যথেষ্ট উপার্জনের সুযোগ পান। নজরকাড়ার সুযোগও পান।

কিন্তু প্রথম থেকেই এই প্রতিযোগিতার গায়ে লেগে আছে কলঙ্কের দাগ। অনেকেরই সন্দেহ, লিগের বহু ম্যাচের ফলই আগে থেকে ঠিক করা থাকে। একাধিক কর্মকর্তা, একাধিক দল এর আগে ম্যাচ ফিক্সিং-এর জন্য সাসপেন্ড হয়েছে। দুর্নীতি দমনের জন্য চূড়ান্ত তৎপরতা দেখিয়েছে বিসিসিআই। তবু সন্দেহ দূর হয়নি। অনেকের মনে পুরো প্রতিযোগিতার নকশাই ঠিক করা থাকে যে কোনো টানাটান উত্তেজনাপূর্ণ সিনেমার চিত্রনাট্যের মতো। আগের দিন কেকেআর বনাম রাজস্থান প্লেঅফ ম্যাচের শেষ ৩৪ বলে রাজস্থানের একটিও চার না মারতে পারা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। শুক্রবারের কলকাতা বনাম হায়দরাবাদ ম্যাচের আগে দুর্নীতিদমন শাখার আধিকারিকরা হাজির রয়েছেন ইডেনে। কিন্তু অনেকেরই প্রশ্ন, সেটা কি দুর্নীতি আটকানোর জন্য নাকি যা ঠিক হয়ে রয়েছে, সেটা যাতে না ঘাঁটে , তা দেখার জন্য? নাকি সবটাই ক্রিকেটপ্রেমীদের চোখে ধুলো দেওয়ার কৌশল?

কেন এই প্রশ্ন নতুন করে? কারণ এদিন সকালেই লাইভ স্ট্রিমিং অ্যাপ হটস্টারে আইপিএল ফাইনালের একটি বিজ্ঞাপন প্রচার করে। যেটা দুই ফাইনালিস্ট ঠিক হয়ে যাওয়ার পর প্রচারিত হওয়ার কথা। সেখানে দেখা যায়, আইপিএল ২০১৮-র ফাইনাল খেলছে চেন্নাই বনাম কলকাতা। যদিও কয়েকবার চলার পর সেটি বন্ধ করে দেওয়া হয়। এর মধ্যেই সেটি নজরে পড়ে অনেক দর্শকের। তার মধ্যে একজন সেটির একাংশ টুইটারে পোস্টও করে দেন। তারপর সেটা ভাইরাল হয়ে যায়। স্বাভাবিক ভাবেই এই ভিডিও ভাইরাল হয়ে যাওয়ায় তুলকালাম শুরু হয়েছে ক্রিকেটমোদীদের মধ্যে।

 

এখন দেখার গোটা ব্যাপারটাই ভুলবশত হয়েছে, সেটা প্রমাণ করার জন্য কী পদক্ষেপ করে হটস্টার কর্তৃপক্ষ। আর পরিস্থিতি সামলানোর জন্য কেকেআর-কে হারতে হয় কিনা।

অবশ্য বলে রাখা দরকার, ভিডিওটির সত্যতা খবর অনলাইন যাচাই করতে পারেনি।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here