ওয়েবডেস্ক: সম্ভবত আইপিএল-এর দলগুলির ওপর স্পষ্ট নির্দেশ আছে কুড়ি ওভার পর্যন্ত ম্যাচ টেনে নিয়ে যাওয়ার। যাতে টিবিতে কোনো বিজ্ঞাপন বাদ না যায়। নইলে ম্যাচ প্রায় পকেটে পুরে নেওয়ার পর উনিশতম ওভারে এসে দীনেশ কার্তিক অমন নকড়াছকড়া শুরু করতেন না। খামোকা রিভার্স সুইপ মারার চেষ্ট করে এক বল নষ্ট করলেন। তার পরের বলটাই তুলে মারলেন। হয়তো টাইমিং এদিক ওদিক হয়ে গেছিল, তাই বিরাট কোহলিকে একটা কঠিন ক্যাচ নিতে হল। যা দেখে মুগ্ধতার অনুভূতি লুকোতে পারলেন না স্ত্রী অনুষ্কাও। আর কোহলি এমন হাবভাব দেখালেন যেন দলকে ফিল্ডিং শেখালেন তিনি। হবে নাই বা কেন! নারাইন আর লিনের ক্যাচ ইনিংসের শুরুতেই ফেলেছিল আরসিবি। সেই লিনই শেষ অবধি থেকে ৫২ বলে ৭২ রান করে ম্যাচ জিতিয়ে গেলেন নাইটদের। যদিও এতে টাকা যাবে না এই সত্য যে, আইপিএল-এর মধ্যিখানে পৌঁছেও প্রথম এগারোর কম্বিনেশন তৈরি করতে পারেনি আরসিবি। কারণ বোঝা যায় না বলে, নানা খারাপ কথা মাথায় আসে।

যাই হোক কোহলি এদিন অপরাজিত ৬৮ করেছেন। ডি কক আর ম্যাককুলামও বেশ ভালো খেলেছেন। ফলে ১৭৬ রানের টার্গেট খাড়া করেছিল আরসিবি। সেই টার্গেটটা তেমন লড়াই না করেই তুলে ফেলল দীনেশ কার্তিকের দল। যদিও প্রথম বলে আউট হয়ে গেলেন রাসেন। সেই জায়গায় দীনেশ করলেন ১০ বলে ২৩ রান। ১৯.১ ওভারে লক্ষ্যে পৌঁছে গেল নাইটরা। আর হারের জন্য ফিল্ডিং-কেই দুষলেন বিরাট।

এই ম্যাচ জিতে চার নম্বরেই থাকল কলকাতা। দুবারই হারাল ভারত অধিনায়কের দলকে।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here