ওয়েবডেস্ক: আইপিএলে জয় অব্যাহত কলকাতা নাইট রাইডার্সের। ঘরের মাঠে তারা হারাল চেন্নাই সুপার কিংসকে। এ দিন টসে জিতে চেন্নাইকে প্রথম ব্যাট করতে পাঠান নাইট অধিনায়ক দীনেশ কার্তিক। ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালোই করে চেন্নাই। সৌজন্যে ডু’প্লেসি এবং ওয়াটসন। ক্রমাগত ভয়ংকর হতে থাকেন তাঁরা। কিন্তু ষষ্ঠ ওভারে এই জুটিকে ভেঙে দেন নাইটদের স্পিনার পীযুষ চাওলা। উইকেট হারালেও পিছিয়ে পড়েনি সিএসকে। নতুন আসা সুরেশ রায়না শুরু থেকেই আক্রমণ করতে থাকেন। রায়নাকে সঙ্গী করে ওয়াটসন ও বিপজ্জনক হয়ে ওঠেন। তবে ওয়াটসনকে আউট করে নাইটদের ফের ম্যাচে ফিরিয়ে আনেন দলের সেরা অস্ত্র সুনীল নারিন। ফের উইকেট হারায় চেন্নাই। সেট হয়ে যাওয়া রায়নাকে ফিরিয়ে দেন অপর স্পিনার কুলদীপ যাদব। তৃতীয় উইকেট হারিয়ে কিছুটা চাপে পড়ে যায় সুপার কিংস। নতুন আসা অধিনায়ক ধোনিকে নিয়ে ধীরে ধীরে এগোনোর চেষ্টা করলেও বেশিক্ষণ টানতে পারেননি রায়ডু। তাঁকে দাঁড় করিয়ে বোল্ড করেন নারিন। এই সময় রানের গতি কিছুটা কমে যায় চেন্নাইয়ের। শেষ পর্যন্ত ধোনির ২২ বলে অপরাজিত ৪৩ এবং জাডেজার ব্যাটিংয়ের সৌজন্যে, ১৭৭/৫ শেষ করে চেন্নাই সুপার কিংস।

ব্যাট করতে নেম শুরুটা ভালো করেন নাইটরা। সৌজন্যে ক্রিস লিন। অবশ্য বেশিক্ষণ তা স্থায়ী হয়নি। এনগিডির বলে আউট হন তিনি। ফের উইকেট হারাতে পারত কলকাতা। দ্বিতীয় ওভারে পরপর দু’বার সুনীল নারিনের ক্যাচ ফেলেন রবীন্দ্র জাডেজা। ফলে সুযোগের সঠিক ব্যবহার করতে থাকেন নারিন। রানের গতি অব্যাহত রাখেন তিনি। নতুন আসা উত্থাপা এ দিনও নিজের নামের প্রতি সুবিচার করতে ব্যর্থ হন। আউট হয়ে যান তিনি। দ্বিতীয় ওভারে দু’টি ক্যাচ ফেললেও সপ্তম ওভারে বল করতে এসে নারিনকে আউট করে নিজের ক্ষতে কিছুটা প্রলেপ দেন জাদেজা। ক্রিজে থাকা নাইটদের দুই তরুণ শুবমন গিল এবং রিঙ্কু সিং ধীরে ধীরে রান তোলার চেষ্টা করেন। তবে বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি এই জুটি। চতুর্থ উইকেট হারিয়ে কিছুটা চাপে পড়ে যায় কলকাতা। আউট হন রিঙ্কু। এর পর অবশ্য আর ফিরে তাকাতে হয়নি কেকেআর-কে। অধিনায়ক দীনেশ কার্তিককে সঙ্গী করে এগোতে থাকেন গিল। যত সময় যায় রানের ঝড় তুলতে থাকে এই জুটি। আইপিএলে প্রথম অর্ধশতক করেন শুবমন গিল। অপরাজিত ৪৫ রানের ইনিংস দীনেশ কার্তিকেরও। ফলে দু’ওভার বাকি থাকতেই ৬ উইকেটে জয় পেয়ে যায় কলকাতা নাইট রাইডার্স।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here