narineyadav

ওয়েবডেস্ক: আইপিএলে ঘরের মাঠে গুরুত্বপূর্ণ জয় পেল কলকাতা নাইট রাইডার্স। ফলে প্লে-অফে নিজেদের জায়গা আরও কিছুটা মজবুত করল নাইটবাহিনী। এদিনের জয়ের ফলে ১৩ ম্যাচে ১৪ পয়েন্টে দাঁড়াল কলকাতা। এই মুহূর্তে লিগে তৃতীয় স্থানে। পরিস্থিতি যা তাতে বাকিদের দিকে না তাকিয়ে শেষ ম্যাচ জিতলেই ঘরের মাঠে দ্বিতীয় প্লে-অফ এবং এলিমিনেটরে খেলার সুযোগ পেয়ে যাবেন নারিনরা। কারণ সামনে থাকা হায়দরাবাদ এবং চেন্নাই যে প্রথম দু’য়ে শেষ করবে তা নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই। অন্যদিকে পিছনে থাকা পঞ্জাব, মুম্বই এবং বেঙ্গালুরুর এখনও একটা হাল্কা সুযোগ রয়েছে প্রথম চারে নিশ্চিত হওয়ার।

আরও পড়ুন: প্রথম আইপিএল-এই বিশেষ ‘কীর্তি’র মালিক হলেন শিভম মাভি

এ দিনের ম্যাচে টসে জিতে রাজস্থানকে ব্যাট করতে পাঠান নাইট অধিনায়ক কার্তিক। শুরুতে ভালোই ব্যাটিং ঝড় তুলেছিল তারা। সৌজন্যে ফর্মে থাকা বাটলার এবং ত্রিপাঠি। তবে আইপিএলের বাকি দলগুলির তুলনায় কেকেআরের যে স্পিনের ধার বেশি, তা এদিন আরও একবার প্রমাণিত হল। এই মুহূর্ত ভারতীয় দলের অন্যতম উঠতি তারকা কুলদীপ যাদব। প্রথম পার্টনারশিপ ভেঙে দেওয়ার পর আর ফিরে তাকাতে হয়নি তাঁকে। একাই নিলেন চার উইকেট। যা চলতি লিগের দ্বিতীয় সেরা বোলিং। প্রথম পাঁচ ওভার যদি রাজস্থানের হয়, তাহলে বাকিটা কলকাতার। যাদবকে যোগ্য সঙ্গ দিলেন তারকা খেলোয়াড় সুনীল নারিনও। যত সময় যায় ক্রমাগত উইকেট হারাতে থাকে রাজস্থান। ব্যর্থ হন অধিনায়ক রাহানে থেকে শুরু করে দলের সেরা অস্ত্র বেন স্টোক্সও। শেষদিকে উনাডকাট এবং আরচার কিছুটা চেষ্টা করলেও, এক ওভার বাকি থাকতেই ১৪২ রানে অলআউট হয়ে যায় রাজস্থান।

ব্যাট করতে শুরুটা ভালোই করে কলকাতা। সৌজন্যে ক্রিস লিন এবং সুনীল নারিন। তবে বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি নারিন। দ্বিতীয় উইকেটের পতন হতেও বেশিক্ষণ লাগেনি। উত্থাপা যে একদমই ফর্মে নেই, এ দিন ফের তা প্রমাণিত। তবে অধিনায়ক কার্তিক যখনই দায়িত্ব নিয়ে খেলেন, কেকেআরের ভরসার চাবিকাঠি হয়ে ওঠেন। যার প্রমাণ, ক্রিস লিনকে নিয়ে ঠান্ডা মাথায় বড়ো পার্টনারশিপ গড়ে দিয়ে গেলেন। শেষ দিকে লিন আউট হয়ে গেলেও রাসেলকে নিয়ে দু’ওভার বাকি থাকতেই ম্যাচ পকেটে পুরে নেয় তারা। ম্যাচের সেরা নির্বাচিত কুলদীপ যাদব।

ফলে এদিনের ম্যাচের পর প্লে-অফের তৃতীয় এবং চতুর্থ স্থানের জন্য লড়াই আরও জমে গেল। তৃতীয় স্থানে কলকাতা নাইট রাইডার্স ১৩ ম্যাচে ১৪ পয়েন্ট (-০.০৯১), রাজস্থান রয়্যালস ১৩ ম্যাচে ১২ পয়েন্ট (-০.৪০৩), কিংস ইলেভেন পঞ্জাব ১২ ম্যাচে ১২ পয়েন্ট (-০.৫১৮), মুম্বই ইন্ডিয়ান্স ১২ ম্যাচে ১০ পয়েন্ট (+০.৪০৫) এবং রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু ১২ ম্যাচে ১০ পয়েন্ট (+০.২১৮)। অর্থাৎ শেষ ম্যাচে হারলেও প্লে অফে যাওয়ার সুযোগ থাকছে কেকেআর-এর।

প্লে অফ যখন ইডেনে, তখন কেকেআর না থাকলে কি চলে!!

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here