new born krishna
মাথায় নবজাতক কৃষ্ণকে যমুনা পার হচ্ছেন বসুদেব। ছবি সৌজন্যে পলপলইন্ডিয়া ডট কম।

ওয়েবডেস্ক: হিন্দু পুরাণের সব চেয়ে জনপ্রিয় চরিত্র কৃষ্ণ। হিন্দু দেবতা হিসাবে আন্তর্জাতিক খ্যাতি রয়েছে তাঁর। হিন্দু পঞ্জিকা মতে কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে যখন রোহিনী নক্ষত্রের প্রাধান্য হয়, তখনই জন্মাষ্টমী পালন করা হয়।

শাস্ত্রীয় বিবরণ এবং লোকবিশ্বাস অনুযায়ী কৃষ্ণের জন্ম হয়েছিল ৩২২৮ খিষ্টপূর্বাব্দের ১৮ বা ২১ জুলাই। কৃষ্ণের জন্মদিনটিকেই জন্মাষ্টমী হিসাবে পালন করা হয়। তবে তিথি অনুযায়ী দিনটি বদলে যায়।

পিতা উগ্রসেনকে বন্দি করে মথুরার সিংহাসনে বসেছিলেন অত্যাচারী রাজা কংস। তাঁর অত্যাচারের সীমা পরিসীমা ছিল না। অত্যাচারী রাজার হাত থেকে মুক্তি চাইছিলেন মথুরাবাসী। ঘটা করে বোন দেবকীর বিয়ে দেন যাদবরাজ বসুদেবের সঙ্গে। বিয়ে সময় শোনা যায় দৈববাণী। দেবকীর গর্ভে জন্মানো অষ্টম সন্তানই কংসকে হত্যা করবে।

দেবকী ও বাসুদেবকে বন্দি করেন কংস। বোনের গর্ভে জন্মানো ছ’টি সন্তানকেই হত্যা করেন কংস। সপ্তম সন্তান মারা যায় দেবকীর গর্ভে। কথিত আছে বাসুদেবের আরেক স্ত্রী রোহিনীর গর্ভেই জন্মায় সপ্তম সন্তান বলরাম।

শ্রাবণের এক ঝড়জলের রাতে কংসের কারাগারে জন্মান কৃষ্ণ। দেবানুকুল্যে বাসুদেব তাকে মাথায় করে বৃন্দাবনে নন্দরাজ ও যশোদার হাতে তুলে দিয়ে আসেন। সে দিন তাঁদের একটি কন্যাসন্তানও জন্মায়। সেই কন্যাকে নিয়ে এসে দেবকীর কোলে তুলে দেন বসুদেব। কংসে তাঁকে দেবকীর অষ্টম সন্তান ভেবে হত্যা করেন। কথিত আছে, হত্যার আগে সে দুর্গার রূপ ধারণ করে কংসকে বার্তা দেয়, ‘তোমারে বধিবে যে গোকুলে বাড়িছে সে’।

পরবর্তী কালে রোহিনীর গর্ভে আরও একটি কন্যাসন্তানের জন্ম হয়। যার দেওয়া হয় সুভদ্রা।

ভগবত পুরাণ অনুযায়ী কোনো যৌনসংগম ছাড়াই কেবল মানসিক যোগের মাধ্যমে কৃষ্ণের জন্ম হয়েছিল।

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন