arrest

কলকাতা: – কলকাতা পুলিশের স্পেশ্যাল টাস্ক ফোর্সের (এসটিএফ) হাতে ধৄত সামসেদ মিঞা, মনোতোষ দে ও রিজাউল ইসলামকে লালবাজারে এসে জিজ্ঞাসাবাদ করলেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা (এনআইএ), বিএসএফ ও হায়দরাবাদ এটিএসের গোয়েন্দারা। বৃহস্পতিবারের এই জেরায় বেশ কিছু তথ্য উঠে এসেছে৷ তদন্তের স্বার্থে এখনই তা প্রকাশ্যে আনতে রাজি নন তদন্তকারীরা৷ তবে সূত্র মারফত জানতে পারা গিয়েছে, বাংলাদেশের নিষিদ্ব জঙ্গি সংগঠন আনসার বাংলা টিমের ২০ থেকে ২৫ জন সদস্য রয়েছে ভারতে৷

আরও পড়ুন: জঙ্গিযোগ সন্দেহে ধৃতদের ১৪ দিনের পুলিশ হেফাজত

তদন্তকারীদের সূত্র থেকে জানা গিয়েছে, জিজ্ঞাসাবাদের সময় এরা নিজের থেকে কোনো কিছু বলছে না৷ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে জানতে চাওয়া হলে তবেই তারা মুখ খুলছে৷ এদের মধ্যে সামসেদকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে বেশ বেগ পেতে হচ্ছে গোয়েন্দাদের৷ সূত্র মারফত যেটুকু জানা গিয়েছে তা হল আনসার বাংলা টিমের সদস্যরা অ্যাপসের মাধ্যমে নিজেদের মধ্যে কথা বলে৷ টিমের সদস্যদের কাছে তারা এক নামে পরিচিত বাইরের জগতে মানুষের কাছে তারা অন্য নামে পরিচিত৷ ফলে এদের পরিচয় পাওয়া বেশ কষ্টসাধ্য৷ বাংলাদেশের ৮৪ জন মুক্তমনা ব্লগারকে খুন করার পরিকল্পনা রয়েছে এদের৷

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গিয়েছে, মনোতষের সঙ্গে অস্ত্রের কারণেই এদের যোগাযোগ হয়৷ তবে যে অস্ত্র মনোতোষ এদের দেখিয়েছিল তা পছন্দ হয়নি৷ আরও উন্নত মানের অস্ত্র চেয়েছিল তারা৷ সামসেদ ও রিজাউল প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছে, বাংলাদেশে উন্নত মানের অস্ত্র পাচার করার পরিকল্পনা তাদের ছিল৷ এ দেশ থেকে চোরাপথে দালালের মাধ্যমে অস্ত্র পাচার করা হত বলে জানতে পেরেছে পুলিশ৷

আরও পড়ুন: কলকাতা স্টেশন থেকে গ্রেফতার আনসার বাংলা জঙ্গি সংগঠনের তিন সক্রিয় সদস্য

মনোতোষের কাছ থেকে আরও কয়েক হাত হয়ে সীমান্ত এলাকায় যেত অস্ত্র৷ তার পর সেখান থেকে দালালের সাহায্যে কখনও নৌকায়, কখনও খাবারের প্যাকেটের সঙ্গে আবার কখনও বা গরু পাচারের সময় পাচার করা হত৷ এই সব অস্ত্র মুঙ্গের থেকেই আনা হত বলে জানা গিয়েছে৷ তবে মনোতোষের সঙ্গে ইছাপুর রাইফেল ফ্যাক্টরির কোনো যোগাযোগ আছে কিনা তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা৷ মনোতোষের বাবা মনোরঞ্জন দে ইছাপুর রাইফেল ফ্যাক্টরিতে কাজ করতেন৷

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here