কোর্স ফি'র তিন-চার গুণ টাকা না দিলে আটকে রাখা হচ্ছে মার্কশিট-সার্টিফিকেট, অভিযুক্ত জলপাইগুড়ির ইনস্টিটিউট

0

শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ।[/caption] তাঁদের কাছে অভিযোগ পেয়ে ইনস্টিটিউটে আসেন কোতোয়ালির পুলিশ। তাঁরাও সম্পাদক অমর সাহার সঙ্গে কথা বলেন। কিন্তু তাঁদের কাছে পুরো বিষয়টি অস্বীকার করে যান তিনি। পালটা তিনি দাবি করেন, বাড়তি টাকা নেওয়ার অভিযোগ প্রমাণ করুক শিক্ষার্থীরা। তবে মার্কশিট কেন আটকে রাখা হয়েছে তার কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি অমরবাবু। এর পরেই আরও জিজ্ঞাসাবাদ এবং বিষয়টি মীমাংসার জন্য রাত ৮টা নাগাদ থানায় নিয়ে আসা হয় অমর সাহাকে। ডেকে পাঠানো হয় শিক্ষার্থীদেরও। তবে এই ধরনের ঘটনা নতুন কিছু নয়। আইনকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে, ডোনেশনের নামে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলি কী ভাবে ব্যবসা করে সেটাই আরও এক বার প্রকাশ্যে এল। ওই ইনস্টিটিউটে এক শিক্ষক নাম না প্রকাশ করার শর্তে এই আর্থিক দুর্নীতি নিয়ে মুখ খুলেছেন।তিনি জানিয়েছেন বেসরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজগুলি প্রায়শই ডোনেশনের নামে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে টাকা আদায় করে। চাপে পড়ে শিক্ষার্থীরা তা দিয়েও দেন। না হলে বিভিন্ন ভাবে তাঁদের হয়রান করা হয়। প্রশ্ন উঠছে সেখানেই, যাঁরা ভবিষ্যতে মানুষ গড়ার কারিগর তৈরি করবেন তাঁরা যদি অবৈধ ভাবে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে টাকা নেন এবং সেই টাকা দিয়ে যাঁরা এই অনৈতিক কাজকে সমর্থন করেন, তাঁদের কাছ থেকে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম কী শিক্ষা পাবে?  ]]>

dailyhunt

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন