শ্রীলঙ্কা ২০৫ (চণ্ডীমল ৫৭, করুণারত্নে ৫১, অশ্বিন ৪-৬৭)

ভারত ১১-১ (রাহুল ৭, গামাগে ১-৪)

নাগপুর: দক্ষিণ আফ্রিকা সফরের প্রস্তুতির জন্য ইডেনের মতো নাগপুরেও সবুজ পিচ চেয়েছিলেন বিরাট কোহলি। সবুজ পিচ পাওয়াও গেল। কিন্তু সেই পিচে পেসাররা নন, ভেলকি দেখিয়ে গেলেন স্পিনাররা। দুর্দান্ত ভাবে প্রত্যাবর্তন ঘটাল অশ্বিন-জাদেজার স্পিন জুটি। তাঁদের ঘূর্ণিতে প্রথম দিনের শেষে ব্যাকফুটে চলে গেল শ্রীলঙ্কা।

কয়েক দিন ধরেই ভারতীয় দলে অশ্বিন এবং জাদেজার ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। একেই তো এক দিনের দলে দু’জনেই ব্রাত্য, তার পর সামনের বছরে পর পর বিদেশ সফর। দক্ষিণ আফ্রিকা, ইংল্যান্ডের মতো জায়গায় দু’টো স্পিনার খেলানো যাবে না বলেই ধারণা বিশেষজ্ঞদের। তবে অশ্বিন-জাদেজার ভবিষ্যত নিয়ে যাবতীয় প্রশ্ন আপাতত আলমারির মাথায় তোলা থাকল।

পিচে ঘাস থাকলেও, ইডেনের মতো ভয়ংকর নয়, এটা আন্দাজ করেই এ দিন টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন শ্রীলঙ্কা অধিনায়ক দীনেশ চণ্ডীমল। তিনটে পরিবর্তন করতে হয় ভারতকে। ধাওয়ান, ভুবনেশ্বর কুমার যে থাকবেন না সেটা জানাই ছিল, ম্যাচ শুরু হওয়ার আগেই চোট পেয়ে যান শামি। দলে ফেরেন বিজয়, রোহিত শর্মা এবং ইশান্ত শর্মা। ভুবনেশ্বর-শামিহীন তুলনায় দুর্বল পেস আক্রমণের সামনে ভালো শুরুর আশাই করেছিল শ্রীলঙ্কা।

কিন্তু শ্রীলঙ্কার রান করার গতিকে শুরু থেকেই চেপে দেন ইশান্ত। অনেক দিন পর ফিরে এসেও ভালো বল করেন তিনি। তাঁর সংগ্রহে তিনটে উইকেট। তবে এ দিন আলোচনার শিরোনামে ভারতের স্পিন জুটি। অশ্বিন-জাদেজার ধাঁধার কোনো উত্তর খুঁজে পায়নি শ্রীলঙ্কা। চারটে উইকেট পান অশ্বিন, জাদেজা নেন তিনটে উইকেট।

তবে ভারতীয় বোলারদের চাপ সামলে ভালো ব্যাট করেন চণ্ডীমল এবং করুণারত্নে। দু’জনেই অর্ধশতরান করেন। এর পাশাপাশি বিশ্বের দ্বিতীয় ব্যাটসম্যান হিসেবে ২০১৭-এ টেস্টে এক হাজার রান করার রেকর্ড করেন করুণারত্নে।

শ্রীলঙ্কার ২০৫ আদৌ কোনো আহামরি স্কোর নয়, তবে ভারতের ভালো শুরুর দরকার ছিল। সেখানেই কিছুটা চাপে পড়ে যায় ভারত। শুরুতেই কেএল রাহুলকে খোয়ায় ভারত। তবে দিনের শেষে অপরাজিত থেকে ব্যাট করছেন পুজারা এবং বিজয়।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here