চণ্ডীগড়: ইসলাম ধর্মের সঙ্গে ওতপ্রোত ভাবে জড়িয়ে রয়েছে আজান, কিন্তু তার মানে এই নয় যে সেই আজানের সময়ে লাউডস্পিকার ব্যবহার করতে হবে। এমনই মন্তব্য করল পঞ্জাব-হরিয়ানা হাইকোর্ট।

আজান নিয়ে সনু নিগমের করা বিতর্কিত টুইটের ফলে ইসলাম ধর্মাবলম্বী মানুষের ভাবাবেগে আঘাত লেগেছে। তাই সনুর বিরুদ্ধে অপরাধমূলক প্রক্রিয়া শুরু করা হোক, এই মর্মে হাইকোর্টে একটি মামলা করেন হরিয়ানার সোনেপত  নিবাসী এএএস মোহম্মদ। সেই মামলার পরিপ্রেক্ষিতে বিচারক এমএমএস বেদীর ডিভিশন বেঞ্চ জানায়, “নিজের চার নম্বর টুইটে সনু যে ‘গুন্ডাগর্দি’র কথা বলেছেন সেটা তিনি আজানের পরিপ্রেক্ষিতে বলেননি, বলেছেন লাউডস্পিকারের ব্যবহারের পরিপ্রেক্ষিতে।” শুধুমাত্র ‘সস্তা জনপ্রিয়তা’ লাভের জন্যই এই মন্তব্য করা হয়েছে, এমনই মন্তব্য করে হাইকোর্ট।

সনু যে তাঁর টুইটের মাধ্যমে আদৌ কারও কোনো ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত করেননি তাই জানিয়ে দেয় হাইকোর্ট। বিচারপতি বেদী বলেন, “ভারতীয় দণ্ডবিধির ২৯৫-এ ধারার (ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত) প্রেক্ষিতে যদি সনুর টুইটগুলি দেখা হয়, তা হলে এটা বোঝা যাবে যে কোনো ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত করার মতো মন্তব্য তিনি আদৌ করেননি।” ধর্মের নামে সনু নিগমকে বলির পাঁঠা করা হয়েছে এমনও মন্তব্য করেন বিচারপতি বেদী।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here