diamond harbour

নিজস্ব সংবাদদাতা, দক্ষিণ ২৪ পরগণা:‌ রাজ্য পর্যটন দফতরের উদ্যোগে নতুন রূপে সেজে উঠতে চলেছে ডায়মন্ড হারবার শহর। বরাদ্দ করা হয়েছে ৫ কোটি টাকা। আগামী ১৫ দিনের মধ্যে সেই কাজ শুরু হবে। মঙ্গলবার এই কাজের জন্য প্রথম প্রশাসনিক বৈঠক করলেন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, পর্যটনের রাষ্ট্রমন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন।

mp avishek bandyopadhyay, tourism minister indraneel sen watching the ganges at diamomd harbour
গঙ্গার পাড় ধরে হাঁটছেন সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, পর্যটনমন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন প্রমুখ।

মঙ্গলবার দুপুরে ডায়মন্ড হারবার আসেন অভিষেক, ইন্দ্রনীল। তাঁরা জেটিঘাট থেকে সরকারি লজ সাগরিকা পর্যন্ত নদীর পাড় ধরে হেঁটে যান। এর পর নতুন প্রশাসনিক ভবন শুভান্ন ভবনে বৈঠক করেন। এ দিনের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন পর্যটন দফতরের সচিব
ইন্দিবর পাণ্ডে, জেলাশাসক ওয়াই রত্নাকর রাও, বিধায়ক দীপক হালদার, মহকুমা শাসক শান্তনু বসু, পুরসভার চেয়ারপার্সন মীরা হালদার।

কী ভাবে ডায়মন্ড হারবার শহর সাজানো হবে তা নিয়ে এ দিন একটি ছবির মাধ্যমে আলোচনা করা হয়। এক ঘণ্টার বেশি সময় ধরে এই বৈঠক চলে। প্রকল্পের পরবর্তী অগ্রগতি নিয়ে আলোচনার জন্য সাংসদ আগামী ১৫ দিনের মাথায় আবার ডায়মন্ড হারবার আসবেন বলে জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে।

প্রস্তাবিত নকশা অনুযায়ী জেটিঘাট থেকে কেল্লার মাঠ পর্যন্ত ১১৭ নম্বর জাতীয় সড়ক বরাবর হুগলি নদীর পাড়ের সৌন্দর্যায়ন নিয়ে কী ধরনের পরিকল্পনা নেওয়া যায় তা নিয়ে প্রত্যেকের মধ্যে মত বিনিময় হয়। পরিকল্পনা অনুযায়ী নদীর পাড়কে বিদেশের ধাঁচে তৈরি করা হবে। নদীর পাড় কংক্রিট দিয়ে বাঁধানো হবে। সেখানে পর্যটকদের সময় কাটানোর জন্য থাকবে বসার ব্যবস্থা। সঙ্গে থাকছে পর্যাপ্ত আলো। এমন ভাবে পাড়টি বাঁধানো হবে যাতে কিছু অংশে ঝুলে থাকবে নদীর ওপর পর্যন্ত। সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত দেখার অভিজ্ঞতা নিয়ে বাড়ি ফিরতে পারবেন পর্যটকরা। এ ছাড়া কেল্লার মাঠও নতুন ভাবে সাজানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। শীতের মরশুমে প্রচুর মানুষ এখানে পিকনিক করতে আসে। পিকনিক করার জন্য প্রয়োজনীয় সমস্ত পরিকাঠামো বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

পর্যটকদের কাছে নতুন ডায়মন্ড হারবার উপহার দিতে চাইছে রাজ্য পর্যটন দফতর।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here