cricket association of bengal

বাংলা ৩৫৪ এবং ১৭৭-১ (অভিমন্যু ৯৩ অপরাজিত, ভট্ট ১-৩৫)

গুজরাত ২২৪ (পার্থিব ৬৭, দিন্দা ৩-৪৮)

জয়পুর: রাজনীতিতে কী হবে জানা নেই, কিন্তু ক্রিকেট মাঠের লড়াইয়ে মোদীর রাজ্যকে হারানোর পথে দিদির রাজ্য। প্রথম ইনিংসে গুজরাতের বিরুদ্ধে বড়ো রানের লিড নিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে রানের পাহাড়ের পথে বাংলা। ব্যাট হাতে ফের জ্বলে উঠেছেন অভিমন্যু ঈশ্বরণ। বিশেষ কোনো অঘটন না ঘটলে সেমিফাইনালে যে বাংলাই উঠছে, তা এখনই বলে দেওয়া যায়।

শুক্রবার গুজরাতের ছ’উইকেট ফেলে ফিয়েছিলেন বঙ্গ-পেসাররা। বোলারদের সেই ফর্ম ধরে রাখার দরকার ছিল যাতে বড়ো রানের লিডের দিকে এগোতে পারে বংলা। সেই জায়গায় এক্কেবারে সফল বাংলা। সপ্তম উইকেটের পার্টনারশিপটা ভাঙার চ্যালেঞ্জ ছিল বাংলার কাছে। ২১৯ রানের মাথায় সপ্তম উইকেট পড়তেই আর পাঁচ রানের মধ্যেই বাকি তিনটে উইকেট তুলে নেন দিন্দা এবং ঈশান পোড়েল।

১৩০ রানের লিড নিল বাংলা। কিন্ত সেটা ছিল নিজেদের লক্ষ্যে মাত্র অর্ধেক ধাপ। কারণ লক্ষ্য পুরোপুরি পূরণ করতে গেলে দ্বিতীয় ইনিংসেও ভালো ব্যাট করতে হত বাংলা। বাংলার অতীত রেকর্ড বলে প্রথম ইনিংসে ভালো লিড পেয়েও অনেক সময়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ভরাডুবি হয়েছে বাংলার ব্যাটিং-এ। যার ফলে শেষমেশ ম্যাচ খোয়াতে হয়েছে।

না, এ বার আপাতত সেরকম কোনো আশঙ্কা নেই। দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে খুব ধীরে গতিতে ইনিংস নিয়ে যান অভিমন্যু ঈশ্বরণ এবং অভিষেক রমন। প্রথম উইকেটে ৯৯ রান তোলে এই জুটি। অভিষেক আউট হলেও টলানো যায়নি প্রথম ইনিংসে শতরান করা অভিমন্যুকে। দিনের শেষে অভিমন্যুর সঙ্গে ব্যাট করছেন তিন নম্বরে নামা ঋত্বিক চট্টোপাধ্যায়।

তৃতীয় দিনের শেষে তিনশো রানে এগিয়ে রয়েছে বাংলা। বাংলা যতোই করুক, চতুর্থ ইনিংসে গুজরাত সেটা তাড়া করে জিতে যাবে, সে রকম আশঙ্কা আর প্রায় নেই বললেই চলে।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here