raman

বাংলা ৩০৬-৫ (অভিষেক রমন ১৭৬, মনোজ ৭৮ অপরাজিত, পরশ ডোগরা ১-৩৬)

কলকাতা: যে পিচে বল হাতে শামি-দিন্দার বিক্রম করার কথা ছিল সেই পিচে তাণ্ডব চালিয়ে গেলেন বাংলার ওপেনিং ব্যাটসম্যান অভিষেক রমন। যোগ্য সঙ্গত দিলেন অধিনায়ক মনোজ তিওয়ারি। দিনের শেষে হিমাচলের বিরুদ্ধে ফের এক বার রানের পাহাড়ের দিকে এগিয়ে চলেছে বাংলা।

শামি-দিন্দাদের আদর্শ পিচে বুধবার প্রথমেই দুর্ভাগ্য নেমে আসে বাংলার কপালে। টসে হেরে যান বঙ্গ অধিনায়ক। ফিল্ডিং-এর সিদ্ধান্ত নিতে দু’বার ভাবতে হয়নি হিমাচলের অধিনায়ক সুমিত বর্মাকে। পিচকে কাজে লাগিয়ে শুরুতেই দাপট দেখানো শুরু পাহাড়ি বোলারদের।

পঞ্চাশ রানের আগেই দু’টি উইকেট হারায় বাংলা। অভিমন্যু ঈশ্বরণ এবং আগের দু’টি ম্যাচেই শতরানকারী সুদীপ চট্টোপাধ্যায়কে ফিরিয়ে দিয়েছেন পেসার ঋষি ধাওয়ান এবং পঙ্কজ জয়সওয়াল। এই অবস্থায় খেলার হাল ধরেন দুই নবাগত অভিষেক রমন এবং কৌশিক ঘোষ। দু’জনেই আগের ম্যাচে ছত্তীসগঢ়ের বিরুদ্ধে দারুণ খেলেছিলেন। এ দিনও দু’জনে জুটি বেঁধে বাংলাকে বিপদ থেকে বাঁচাতে রুখে দাঁড়ান।

এই জুটিতে বেশি ধ্বংসাত্মক ছিলেন অভিষেক। দু’জনের মধ্যে ৯২ রানের জুটিতে মাত্র ২৭ করেন কৌশিক। দলের স্কোর যখন ১৩৬, ফিরে যান কৌশিক। এর পর নামেন অধিনায়ক মনোজ। অভিষেকের সঙ্গে মনোজের ১৬৩ রানের জুটি তৈরি হয়।

নিজের শতরান করে আরও ধ্বংসাত্মক রূপ নেন অভিষেক, অন্য দিকে ধীরে ধীরে আরও একটি বড়ো রানের দিকে এগিয়ে যান মনোজ। শতরান, দেড়শো পেরিয়ে অভিষেক যখন থামেন, তখন স্কোরবোর্ডে তাঁর নামের পাশে লেখা হয়েছে ১৭৬। দিনের একেবারে শেষ মুহূর্তে ঋদ্ধিমানকে না হারালে আরও কিছুটা ভালো অবস্থায় থাকত বাংলা। দিনের শেষে শ্রীবৎস গোস্বামীকে সঙ্গে নিয়ে অপরাজিত রয়েছেন মনোজ।

সবুজ পিচে বাংলা যে ভাবে ব্যাটিং করল, তাতে তাদের যথেষ্ট প্রশংসা প্রাপ্য। এখন দেখার এই পিচকে কেমন লাগাতে পারেন বাংলার পেস ব্যাটারি।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here