congress wins chitrakoot

ভোপাল: যদিও জায়গাটা কংগ্রেসের দুর্গ বলেই পরিচিত, তবু বিধানসভার ওই আসনটা ছিনিয়ে নিতে চেষ্টার ত্রুটি রাখেনি বিজেপি। দলের নির্বাচনী প্রচারের নেতৃত্বে ছিলেন স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান। মাটি কামড়ে পড়েছিলেন তিনি। টানা তিন দিন তো এখান থেকে নড়েনইনি। নিজে ২৩টি সমাবেশ করেছিলেন, দল করেছিল ৫০-এরও বেশি। মন্ত্রিসভার অর্ধেক সদস্য এখানে ঘাঁটি গেড়েছিলেন। শুধু তা-ই নয়, উত্তরপ্রদেশ লাগোয়া এই নির্বাচনী কেন্দ্রটি দখল করার জন্য বিজেপি সেই রাজ্যের উপ মুখ্যমন্ত্রী কেশব প্রসাদ মৌর্যকে দিয়েও প্রচার করিয়েছিল, তবু শেষরক্ষা হল না। বিধানসভা আসনটি কংগ্রেসের দখলেই থেকে গেল। শুধু তা-ই নয়, জয়ের ব্যবধানও বাড়াল কংগ্রেস। আর ওই কেন্দ্রের যে ১৬টি এলাকায় বিজেপি বিশেষ করে জোর দিয়েছিল, তার সব ক’টি জায়গাতেই বিজেপির ফল খুব খারাপ হয়েছে। গুজরাত ভোটের আগে এই ফল কংগ্রেসকে বেশ খানিকটা উজ্জীবিত করল।

মধ্যপ্রদেশের চিত্রকূট বিধানসভা আসনের উপনির্বাচনে কংগ্রেস প্রার্থী নীলাংশু চতুর্বেদী ১৪৩৩৩ ভোটে হারালেন বিজেপি প্রার্থী শংকরদয়াল ত্রিপাঠীকে। উল্লেখ্য, শুধু জেতাই নয়, এ বারের উপনির্বাচনে জয়ের ব্যবধানও বাড়িয়ে নিয়েছে কংগ্রেস। ২০১৩-এর নির্বাচনে কংগ্রেস প্রার্থী প্রেম সিং জিতেছিলেন ১০৯৭০ ভোটে। প্রেম সিং-এর মৃত্যুতেই চিত্রকূটে উপনির্বাচনের প্রয়োজন হয়।

মাস দুয়েক আগে মধ্যপ্রদেশ সরকার কৃষকদের জন্য ‘ভবন্তর যজ্ঞ’ নামে একটি প্রকল্প চালু করে। এই প্রকল্প নিয়ে কৃষকরা বেশ ক্ষুব্ধ। তাঁদের অভিযোগ, এই প্রকল্পের ফলে ব্যবসায়ীদের পক্ষে রাজ্য জুড়ে বিভিন্ন মান্ডিতে কৃষিপণ্যের দাম কমিয়ে দেওয়া সম্ভব হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মত, চিত্রকূটের উপনির্বাচনে কিছুটা হলেও কৃষকদের এই ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে।

 

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here