লন্ডন: এক দিকে যখন ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে ৪৪ বছরের সম্পর্ক ছিন্ন করার কথা আনুষ্ঠানিক ভাবে চিঠি দিয়ে জানিয়ে দিলেন ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে, ঠিক তখনই ব্রিটেনকে অস্বস্তিতে ফেলে স্কটল্যান্ড স্বাধীনতার বিষয়ে গণভোটে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিল।

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর চিঠি দেওয়ার মাধ্যমে ব্রেক্সিট-এর আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শুরু হল। ব্রাসেলসে ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড টাস্কের হাতে ওই চিঠি তুলে দেন ব্রিটিশ দূত স্যার টিম ব্যারো। এই উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে বলেছেন, ব্রিটেন আশা করে প্রতিবেশী এবং ঘনিষ্ঠ বন্ধু হিসেবে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে তাদের একটি বিশেষ সম্পর্ক সব সময়েই থাকবে।

এ দিকে স্কটল্যান্ডের আইনসভায় স্বাধীনতা নিয়ে গণভোটের প্রস্তাব ৬৯-৫৯ ভোটে গৃহীত হয়েছে। দু’ বছরের মধ্যে স্বাধীনতা নিয়ে গণভোটে অনুমতি দেওয়ার জন্য ওই প্রস্তাবে ব্রিটিশ সরকারের কাছে আর্জি জানানো হয়েছে। এডিনবরায় আইনসভার সামনে স্কটিশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের পতাকা নিয়ে বহু মানুষ জড়ো হয়েছিলেন। তাঁরা এই খবর শুনে খুব উচ্ছ্বসিত হয়ে ওঠেন।

এ ব্যাপারে স্কটিশ ফার্স্ট মিনিস্টার নিকোলা স্টারজিওন বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে ব্রিটেন বেরিয়ে যাওয়ার আগে নিজেদের ভবিষ্যৎ ঠিক করার ব্যাপারে স্কটদের মতামত জানানোর সুযোগ দিতে হবে।         

     

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here