চেন্নাই : শীর্ষ আদালত রায় দিয়েছে, দেশাত্মবোধ আর জাতীয়তাবোধ জাগ্রত করতে সিনেমা শুরুর আগে সমস্ত হলে জাতীয় সংগীত বাজাতে হবে এবং জাতীয় সংগীতের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে হলে হাজির সবাইকে উঠে দাঁড়াতে হবে। এই নির্দেশ কেউ না মানলে তার বিরুদ্ধে কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না সে ব্যাপারে শীর্ষ আদালত কোনো রায় দেয়নি। আদালতের এই রায়ের পরে আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল জনগণই না উৎসাহের আতিশয্যে নিজের হাতে আইন তুলে নেয়। সেই আশঙ্কাই সত্যি প্রমাণিত হল চেন্নাইয়ের এক প্রেক্ষাগৃহে। জাতীয় সংগীতকে অবমাননা করার অভিযোগে এক দল কলেজপড়ুয়াকে মারধর করা হল।

চেন্নাইয়ের ছাত্রদলের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে, জাতীয় সঙ্গীত চলাকালীন উঠে দাঁড়াননি তাঁরা। এই অপরাধে প্রেক্ষাগৃহেই তাঁদের আক্রমণ করে ২০ জনের অন্য একটি দল। এক ছাত্রীর অভিযোগ, “বিরতি চলাকালীন পিছনের আসনে বসা কিছু লোক আমাদের উদ্দেশে অশ্লীল ভাষা প্রয়োগ করতে থাকে। বিজয়কুমার নামের এক ব্যক্তি, জাতীয় সঙ্গীতকে অবমাননা করার অভিযোগে আমাদের এক বন্ধুর কলার ধরে মেরে ফেলার হুমকিও দেয়। কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই দু’দলের মধ্যে মারামারি শুরু হয়ে যায়। আমাদের এক বান্ধবীর সঙ্গে আশালীন আচরণ করেন বিজয়কুমারের সঙ্গীরা।” ছাত্রীটি বলেন, “জাতীয় সঙ্গীতে উঠে না দাঁড়ালেও আমাদের যথেষ্ট সামাজিক সচেতনতা আছে”।

শেষ পর্যন্ত সিনেমা চলাকালীন প্রেক্ষাগৃহ ছেড়ে বেরিয়ে আসতে বাধ্য হয় ছাত্রছাত্রীর ওই দল। চেন্নাই পুলিশের পক্ষ থেকে থানায় অভিযোগ নেওয়া হয়েছে বিজয়কুমারের অভিযোগের ভিত্তিতেই।  

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here