jorapul yuvagashthi
papiya mitra
পাপিয়া মিত্র

শারদলক্ষ্মীর পরে এ বার ধনলক্ষ্মীর আবাহন। পুরস্কার জিতে নেওয়ার জন্য ‘কালীটিম’ এক্কেবারে রেডি। এখন উত্তর ২৪ পরগনার সঙ্গে পাল্লা দিতে চলেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার কিছু কিছু অঞ্চল। তাই থিমের ঝড় কালীপুজোতেও। মা কালী দেবীলক্ষ্মীর আরও এক রূপ। সারা বছরের অশুচিতা কাটিয়ে সমৃদ্ধশালী, ঐতিহ্যবাহী শক্তিরূপিণী শ্যামামায়ের দ্বারোদ্ঘাটন হয় সন্ধেবেলায় অলক্ষ্মী বিদায়ের মধ্যে দিয়ে।

দক্ষিণ ২৪ পরগনায় এই প্রথম ১৪ ফুটের কালী। তা-ও আবার ২৫ মাথা ও ৫০ হাত বিশিষ্ট। দক্ষিণ ২৪ পরগনার জয়নগরে দক্ষিণ কালিকাপুর গ্রামের দক্ষিণ বারাশত অঞ্চলের ‘জোড়াপুল যুবগোষ্ঠী’র পুজো এ বার ৫২তম বর্ষে পদার্পণ করল। এ বছরের ভাবনায় আদিবাসী আদলে মণ্ডপ সেজে উঠেছে। বাজেট প্রায় চার লক্ষ টাকা।

dakhshin barashat kalipujaপ্রতিমা তৈরি করেছেন শিল্পী দীপঙ্কর নস্কর। তিনি জানান, গত দশ বছর ধরে প্রতিমা গড়ছেন কিন্তু এ বছর প্রথম এই ধরনের প্রতিমা তৈরি করলেন। আশেপাশে কাউকে এই ধরনের প্রতিমা নির্মাণ করতে দেখেননি। তাই চিরাচরিত প্রথা ভেঙে এই ধরনের প্রতিমা গড়তে প্রথম প্রথম একটু ভয় করছিল।

ক্লাবের পক্ষ থেকে তপেশ সাহা জানান, তাঁদের এলাকায় দুর্গাপুজো সে রকম ভাবে না হওয়ায় মহালয়ার পর থেকে দিন গোনা শুরু হয় কালীপুজোর জন্য। এখানে সপ্তাহ জুড়ে কালী-উৎসব চলে। প্রতিমা ও মণ্ডপসজ্জার পাশাপাশি চন্দননগরের আলোয় সেজে উঠেছে পুরো এলাকা। সঙ্গে থাকছে কম্বল বিতরণ।

আদিবাসীদের বাসস্থানের আদলে মণ্ডপ তৈরি হওয়ায় তাই পুরুলিয়ার ছৌ নৃত্যশিল্পীদের অনুষ্ঠান এই উৎসবের উপরি পাওনা।

ছবি- সুমন সাহা

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here