প্রাণায়ামের মধ্যে দিয়ে নিজেকে সুস্থ রাখুন

ওয়েবডেস্ক: প্রত্যেকটি মানুষই কম-বেশি কিছু না কিছু শারীরিক সমস্যায় জর্জরিত। এ বার অনেকেই হয়তো ভেবে থাকতে পারেন, আজ থেকে কয়েক হাজার বছর আগের মানুষেরা কী ভাবে ভালো ও সুস্থ থাকতেন। তখন চিকিৎসা শাস্ত্র এত উন্নত ছিল না। তাই সুস্থ থাকার একমাত্র চাবিকাঠি ছিল প্রাণায়াম।

কিন্তু আজ এই একবিংশ শতাব্দীতে দাঁড়িয়ে গবেষকরা জানিয়েছেন, সুস্থ ভাবে বেঁচে থাকতে হলে প্রতিদিন প্রাণায়াম করা খুবই জরুরি।

এখন প্রশ্ন, সুস্থ থাকার জন্য প্রাণায়াম করলে কী কী রোগের হাত থেকে মুক্তি পেতে পারেন।

জেনে নেওয়া যাক-

১।  স্ট্রেস এবং মানসিক অবসাদের প্রকোপ কমে

বিশেষজ্ঞদের মতে, নিয়মিত প্রাণায়ম করা শুরু করলে মস্তিষ্কের ভেতরে এমন কিছু পরিবর্তন হতে শুরু করে যে তার প্রভাবে স্ট্রেস হরমোনের ক্ষরণ কমতে শুরু করে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই মানসিক অবসাদের প্রকোপ যেমন কমে, তেমনি স্ট্রেসের খপ্পর থেকেও দ্রুত মুক্তি মেলে।

২। ফুসফুসের ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়

বেশ কিছু গবেষণার পর বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, লাং-এর কর্মক্ষমতা বাড়াতে প্রাণায়ামের কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। আসলে এই আসনটি করার সময় লাং ফাংশনের উন্নতি ঘটতে শুরু করে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই ফুসফুসের কর্মক্ষমতা বাড়তে সময় লাগে না। প্রসঙ্গত, অ্যাজমার মতো রোগের প্রকোপ কমাতেও প্রাণায়ম দারুণ কাজে আসে কিন্তু!

৩। উচ্চ রক্তচাপ এবং ডায়াবেটিস

এই দুই মারণ রোগে যাঁরা ভুগছেন তাঁরা প্রতিদিন প্রাণায়ামের অভ্যাস করুন। দেখবেন উপকার পাবেন। আসলে এই ব্যায়ামটি করার সময় শরীরে বিশেষ কিছু হরমোনের ক্ষরণ বেড়ে যায়, যা রক্ত প্রবাহকে স্বাভাবিক করে তোলার পাশাপাশি রক্তে যাতে শর্করার মাত্রা বৃদ্ধি না পায়, সে দিকে খেয়াল রাখে। ফলে দু’টি রোগই নিয়ন্ত্রণে চলে আসে।

আরও পড়ুন: মাত্র ৭ দিনে কমিয়ে ফেলুন ২ কেজি ওজন

৪। ওজন কমাতে

যদি প্রতিদিন নিয়ম করে সকালে প্রাণায়াম করেন তা হলে হজম ক্ষমতার যেমন উন্নতি হবে, সেই সঙ্গে শরীরে মেদ তো জমবেই না উল্টে দ্রুত ওজন কমতে শুরু করবে।

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন